বিজয় বার্তা ২৪ ডট কম
অতীতের মত আজও নারায়ণগঞ্জে সকল ধর্মের মানুষের মধ্যে সম্প্রতি বিদ্যামান আছে । তাই সবাই শান্তিপূর্ণ ভাবে পবিত্র আশুরা ও শারদীয় দুর্গোৎসব উদযাপন করতে পারবো বলে আমি বিশ্বাস করি । কোন প্রকার গুজবে কান দিবেন না । একশ্রেণীর উপ্রপন্তিরা রয়েছেন যারা কিনা কোন বড় ধরনের উৎসব এলেই বিভিন্ন গুজব ছড়িয়ে মানুষের মনে ভয়ভীতি সৃষ্টি করে । তাই যদি কেউ এই উৎসব উপলক্ষ্যে কানকথা, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে কোন প্রকার গুজব ছড়ানো হলে আইনী ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে বলেও জানান তিনি।
বৃহস্পতিবার বিকালে পুলিশ সুপারের সম্মেলন কক্ষে জেলা পুলিশ প্রশাসন কর্তৃক আয়োজিত শারদীয় দূর্গা পুজা ও পবিত্র আশুরা উপলক্ষ্যে নিরাপত্তার স্বার্থে মত-বিনিময় সভা কালে সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথাগুলো বলেন।
এ সময়ে সবাইকে সর্তক থাকার আহবান জানিয়ে তিনি আরও বলেন, আমাদের দেশের একটি প্রধান সমস্যার অন্যতম জঙ্গিবাদ। জঙ্গিবাদ নাই তারপরও তারা মাঝে মাঝে মাথা চাড়া দিয়ে ওঠে । জঙ্গিবাদকে যারা নিয়ন্ত্রীত করতো তাদের ধ্বংষ করতে আইন শৃঙ্খলাবাহিনী সক্ষম হয়েছে। তবে তাদের ছোট ছোট সংগঠনের নেতৃত্বদানকারী এখনো সক্রিয়। যেকোন সময় বিভিন্ন দুষ্টামি করতে পাবে। সেদিকে প্রশাসনের জিরো টলারেন্সের পাশাপাশি আপনাদেরও সর্তক থাকতে হবে। দূর্গা উৎসব পালনে পূজা উদযাপন পরিষদের নেতৃবৃন্দকে নিরাপত্তা দেবার পাশাপাশি আশুরা পালনের নেতৃবৃন্দের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, আশুরার দিন তাজিয়া মিছিলে ১২ফিটের বেশি নিশান এবং ধাতব কোন দাড়ালো জিনিস ব্যবহার করা যাবে না। এবং নিরাপত্তা স্বার্থে রাত ৮টার আগেই মিছিল সম্পূর্ন্ন করতে হবে।
এ সময়ে মহানগর পূজা উদযাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক শিখন সরকার শিপন দূর্গা পূজা পালনে পরিস্থিতি স্বস্থিদায়ক আশা ব্যক্ত করে বলেন, নারায়ণগঞ্জ একটি সাম্প্রতিক জেলা । ধর্ম বর্ণ নির্বিশেষে সবাই এক । এখানে মুসলমান, হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান সবাই ঐক্যবদ্ধ হয়ে বসবাস করি । আমরা সবাই উৎসব মুখর পরিবেশের মাধ্যমে ঐক্যবদ্ধ হয়ে সকল ধর্মের অনুষ্ঠান উদযাপন করে থাকি । তিনি আরো বলেন, আমাদের উৎসব পালনে প্রস্তুতি চূড়ান্ত। আমরা স্বস্থিদায়ক একটি পরিস্থিতিতে আছি। আশা রাখি দূর্গা উৎসবে হিন্দুধর্মালম্বীদের পাশাপাশি সকল ধর্মের মানুষ এই উৎসবের আনন্দে অংশগ্রহন করবেন।
নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশ সুপার মঈনুল হক’র সভাপতিত্বে এ সময় উপস্থিত ছিলেন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ( প্রশাসক) মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান, ( ডিএসবি) মোঃ ফারুক হোসেন, ( ট্রাফিক) মোঃ হারুন অর রশিদ, (ক’ সার্কেল) মোঃ শরফুদ্দীন, সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শাহিন শাহ পারভেজ, ফতুল্লা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ কামাল উদ্দিন, বন্দর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আবুল কালাম , জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি শ্রী শংকর কুমার সাহা, সাধারণ সম্পাদক সুজন সাহা, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক কমলেশ সাহা , মহানগর পূজা উদযাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক শিখন সরকার শিপন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক উত্তম সাহা, জেলা হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদের সভাপতি কমান্ডার গোপিনাথ সাহা , সাধারণ সম্পাদক প্রদীপ কুমার দাস , মহানগরের সভাপতি লিটন চন্দ্র পাল, সাধারণ সম্পাদক নিমাই দে, সদর উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি দিলীপ মন্ডল, সাধারণ সম্পাদক রঞ্জিত মন্ডল, সিদ্ধিরগঞ্জ থানা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি শিশির ঘোষ অমর , বন্দর পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি শংকর কুমার সাহা, সাধারণ সম্পাদক শ্যামল বিশ্বাস, সাংগঠনিক সম্পাদক রিপন দাস, সোনারগাঁ পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি লোকনাথ দত্ত, রূপগঞ্জ পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি গনেশ চন্দ্র পাল, আড়াইহাজার পূজা উদযাপন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আরাধন মন্ডল,উত্তর র্যালী বাগান মহররম উদযাপণ কমিটির সভাপতি জাহিদ হোসেন, উত্তর র্যালী বাগান পঞ্চায়েত কমিটির সভাপতি মো: হোসেন, আদমজী অবাঙ্গালী বিহারী ক্যাম্পের সভাপতি লিয়াকত হোসেন, সাধারণ সম্পাদক মো: শামীম প্রমূখ।



