বিজয় বার্তা ২৪ ডট কম
ফতুল্লায় বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে মৃত মোহাম্মদ আলীর কন্যা সাংস্কৃতিক কর্মী সুমী আক্তার (ছদ্মনাম)কে বেশ কয়েকবার ধর্ষণ করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে লম্পট কবির হোসেনের(৩৫) বিরুদ্ধে। এঘটনায় ঘটনার তিনদিন পরে গতকাল ফতুল্লা মডেল থানায় মামলা হয় ঐ লম্পট ইমরানের বিরুদ্ধে। পরে কবির হোসেন কে গ্রেপ্তার করে থানা।
এ মামলার অভিযোগে জানাযায়, ফতুল্লার পশ্চিম দেওভোগ মাদ্রাসা সড়ক এলাকায় চাঁন শরীফের বাড়িতে দীর্ঘদিন যাবৎ ভাড়া থাকে সুমী আক্তার । সে নারায়ণগঞ্জ বন্দর এলাকার মৃত মোহাম্মদ আলীর মেয়ে। তার সাথে বন্দর ব্যবসায়ী কবির হোসেন ভালোবাসার সৃষ্টি হয়। লম্পট প্রেমিক কবির সুমীকে নিয়ে বিভিন্ন এলাকায় বেড়াতে নিয়ে যায়। গত ২০১৭সালের ১৪ ফেব্রুয়ারী ভালোবাসা দিবসের দিন সুমীকে নিয়ে পাগলা রেল লাইন বান্ধবী ফারহানার বাসায় বেড়াতে যায়। সেখানে জোর পূর্বক বিয়ের প্রলোভন দিয়ে সুমীকে সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় বেশ কয়েকবার ধর্ষন করেন কবির। এরপর গত ১৪ জুলাই সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় ফারহানার বাসায় আবারও ধর্ষন করে লম্পট প্রেমিক কবির। পরে কবির হোসেন কে বিয়ের জন্য বললে সে নানাভাবে গরিমশি করে। এমনকি বিয়ে করবেনা বলে সাফ জানিয়ে দেয়। এব্যাপারে ফতুল্লা মডেল থানায় প্রেমিকা বাদী হয়ে মামলা করে গ্রেপ্তারের ৪৮ ঘন্টাপর গতকাল সন্ধ্যায় বিজ্ঞ আদালতে আসামী প্রেরন করেন পুলিশ। এই মামলার তদন্তকারী এস আই ফজলুর রহমান জানান, দুই পরিবারের মধ্যে সমঝোতা হবে বলে অনুরোধ করায় আসামী দেরী করে কোর্টে প্রেরন করেছি।
এ ব্যাপারে ধর্ষক কবির হোসেন জানান, আমি টাকার বিনিময় তার সাথে মেলামেশা করেছি কিন্তু আমাকে আমার ব্যবসা দেখে লোভে স্বামী হিসেবে পেতে চান ঐ মেয়ে । সে নাচ, গান ও নাটক করে এবং একাধিক ছেলেদের সাথে তার সম্পর্ক আছে।আমাকে ষড়যন্ত্র করে কিছু করলে আল্লাহ বিচার করবেন।

