বিজয় বার্তা ২৪ ডট কম
নারায়ণগঞ্জের গোগনগরে মিয়াচাঁন হত্যা মামলার আসামী রমজানকে (৫৫) গ্রেফতার করেছেন জেলা গোয়েন্দা শাখা পুলিশ।
বুধবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬ টায় গাজীপুর জেলার চৌরাস্তা এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।
জানা গেছে, নারায়ণগঞ্জ সদর থানাধীন গোগনগরে আলোচিত মিয়াচাঁন হত্যার ঘটনা ঘটে। হত্যার কান্ড সংগঠিত হবার ১ বছর পেরিয়ে গেলেও কোন সুরাহা করতে পারেনি সদর মডেল থানা পুলিশ। এ ঘটনার ৬ মাস পরে সদর মডেল থানায় একটি মামলা দায়ের করে নিহতের পরিবার। মামলা নং-০৮ তারিখ-০৪-১০-১৬। পরবির্তীতে ওই মামলার দায়ীত্ব নেয় ডিবি পুলিশ। মামলা ডিবিতে আসার পর ডিবির ওসি মাহমুদুল ইসলাম মামলা তদন্ত ভার দেন জেলা গোয়েন্দা শাখার চৌকস অফিসার এস আই সেলিম মিয়াকে। তদন্ত ভার বুঝে নেয়ার অল্প সময়ের মধ্যে মামলার আসামী রমজানকে গাজীপুর জেলা থেকে আটক করতে সক্ষম হন তিনি। গোপন সংবাদের প্রেক্ষিতে এস আই সেলিম সঙ্গীয় ফোর্স অভিযান চালিয়ে রমজানকে গ্রেফতার করে। ধৃত আসামী মুন্সীগঞ্জ জেলার সিরাজদিখান থানার বাড়ইপাড়া এলাকার মৃত দ্বীন ইসলামের পুত্র। আসামীকে গ্রেফতার করে (২৭ এপ্রিল) বৃহস্পতিবার দুপুর দেড় টায় বিজ্ঞ চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত নারারায়ণগঞ্জ এ হাজির করা হলে মেলে হত্যা আসল রহস্য। ১৬৪ ধারায় জবানবন্দিও দেয় রমজান। উক্ত আসামী মিয়াচানকে সে এবং তাহার দলবল গত (১ এপ্রিল) রাত অনুমান ৪ টায় সদর থানাধীন ডিক্রির চর বুড়িগঙ্গা নদীর মধ্যে ডাকাতির টাকা ভাগাভাগিকে কেন্দ্র করে মাথায় রামদার ঘাড়া দিয়ে আঘাত করে ও গলা টিপে হত্যা করে লাশ নদীতে ফেলে দেয়। তদন্তের স্বার্থে এর বেশি প্রকাশ করা সম্ভব না বলে জানায় ডিবি পুলিশ।
এ বিষয়ে ডিবি’র এস আই সেলিম মিয়া জানান, মিয়াচাঁন হত্যা মামলা এক বছর পেরিয়ে গেলে এর কোন কুল কিনারা করতে পারেনি সদর মডেল থানার পুলিশ। পরে মামলাটি তদন্ত দায়ীত্ব দেয়া জেলা গোয়েন্দা শখাকে। পরে ডিবি’র ওসি মাহমুদুল ইসলাম স্যার এ মামলার তদন্তের ভার দেন আমাকে। আমি খুব অল্প সময়ের মধ্যে গাজীপুর থেকে অনেক কৌশল অবলম্বন করে আসামী রমাজানকে আটক করে বিজ্ঞ আদালতে সামনে হাজির করি। সে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দেয়। এতে বেরিয়ে আসে হত্যা মামলার প্রকৃত বর্ননা। তবে তদন্তের সার্থে এ চেয়ে বেশী কিছু বলতে তিনি রাজি হননি।

