বিজয় বার্তা ২৪ ডট কম
নারায়ণগঞ্জ পৌর ওসমানী স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার ২৮ ফেব্রুয়ারী প্রথম বিভাগ ক্রিকেট টুর্নামেন্টের মাঠে ফাইনাল খেলায় পুরস্কার বিতরনী অনুষ্ঠানে গিয়ে বিস্মিত হয়েছেন নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য শামীম ওসমান। বিকেএমইএ এর উদ্যোগে ও জেলা ক্রীড়া সংস্থার তত্ত্ববধানে এ টুর্নামেন্টটির আয়োজন করা হয়ে ছিল।
মঙ্গলবার ছিল শামীম ওসমানের ৫৫তম জন্মদিন। এ দিনে খেলার মাঠে পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে অতিথি হয়ে গিয়ে ছিলেন তিনি। তার মত অতিথি হয়ে গিয়ে ছিলেন তার বড় ভাই নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনের সংসদ সদস্য সেলিম ওসমান।
শামীম ওসমানের বক্তব্যের পর পরই বক্তব্য দিতে আসেন এমপি সেলিম ওসমান। তিনি তার বক্তব্যের এক পর্যায় বলেন, আজ থেকে ৫৫ বছর আগে ঠিক এই দিনে সকাল থেকেই আমি ছিলাম ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে। তখন আমি অনেকটাই বড়। হঠাৎ শুনতে পেলাম একজনের জন্ম হয়েছে। সেদিন আমরা তিন ভাই হয়ে ছিলাম। আজকে আমার ছোট ভাই শামীম ওসমানের জন্মদিন। তার জন্মদিনে আজকে এই মাঠে সবাইকে নিয়ে আমরা তার জন্মদিনের কেক কেটে জন্মদিনটি পালন করতে চাই।
সেলিম ওসমানের এমন বক্তব্যের সাথে সাথে একে একে মঞ্চের সামনে এসে হাজির হোন শামীম ওসমানের ভাবী মিসেস নাসরিন ওসমান, শামীম ওসমানের সহধর্মিনী মিসেস সালমা ওসমান লিপি, তার ছেলে অয়ন ওসমান, মেয়ে লাবিবা জোহা, শামীম ওসমানের বড় বোন নিগার আক্তার, সেলিম ওসমানের জামাতা আক্তার হোসেন অপূর্ব, সেলিম ওসমানর তিন নাতি আদিয়াত জোহায়ের, আজমান, ফাইজান। সবাইকে দেখে অবাক হয়ে হা হয়ে তাকিয়ে থাকে শামীম ওসমান।
পরে জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক ও শামীম ওসমানের শ্যালক তানভীর আহম্মেদ টিটু ঘোষণা দেন সংসদ সদস্য শামীম ওসমানের জন্মদিন উপলক্ষ্যে, বিকেএমইএ, নারায়ণগঞ্জ চেম্বার অব কর্মাস এন্ড ইন্ডাস্ট্রি, নারায়ণগঞ্জ ক্লাব লিমিটেড, জেলা ক্রীড়া সংস্থা, নারায়ণগঞ্জ রাইফেল ক্লাবের পক্ষ থেকে পৃথক পৃথক কেক আনা হয়েছে। শামীম ওসমানের পরিবারের সকল সদস্য এবং তার বন্ধুদের মঞ্চে নিয়ে তার জন্মদিনের কেক কাটা হয়।
এসব আয়োজনের কোন কিছুই আগে থেকে জানা ছিল না শামীম ওসমানের। শুধু তাই নয় তাদের সাথে নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসক রাব্বি মিয়াও জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে শামীম ওসমানের হাতে জন্মদিনের শুভেচ্ছা উপহার তুলে দেন। শুভেচ্ছা উপহার হিসেবে জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাবেক সাধারণ সম্পাদক কুতুব উদ্দিন আকসির ও খবির উদ্দিন উভয়েই শামীম ওসমানকে ১ হাজার টাকা করে প্রদান করেন। শামীম ওসমান তাদের দেওয়া উপহার হাসি মুখে গ্রহণ করেন।
পরে শামীম ওসমান তার প্রতিক্রিয়া জানাতে গিয়ে বলেন, সাধারণত আমার জন্মদিন পালন করা হয়না। জন্মদিনের দিন আমি বাসাতেই থাকি। আমার জন্মদিন খুব কমই পালন করা হয়েছে। আমার যে কটা জন্মদিন পালন করা হয়েছে তার মধ্য থেকে আজকে সবার কাছ থেকে যে ভালোবাসা আমি পেলাম আমার আজকের জন্মদিনটাই সবথেকে আনন্দের ছিল। আমি সত্যি সত্যি এ আয়োজনে বিস্মিত হয়েছি।
