বিজয় বার্তা ২৪ ডট কম
ফতুল্লার রেল ষ্টেশন এলাকার নাঈম ভূইয়ার কন্যা এক সন্তানের জননী কে বিয়ে প্রলোভন দিয়ে ইমরান নামের এক লম্পট ধর্ষন করেছে। এ ঘটনার তিনদিন পরে গতকাল রাতে ফতুল্লা মডেল থানায় একটি মামলা দায়ের করেছে ধর্ষিতা বাদী হয়ে। পুলিশ ইমরানকে গ্রেপ্তার করেছে।
এই মামলার সূত্রে জানা যায়, ফত্ল্লুা মাসদাইর এলাকার জামালের গ্যারেজের ডাক্তার বাড়ি গলি সড়ক এলাকার আ. লতিফ মিয়ার ছেলে মো. ইমরান (৩০)। সে গত ৬/৭ মাস আগে তার মোবাইল সীম কে কেন্দ্র করে পরিচয় হয় নাঈম ভূইয়ার মেয়ের সাথে।
ফতুল্লার রেললাইন ব্যাংক কলোনী এলাকায় মোশাররফ হোসেনের বাড়িতে ভাড়া থাকে নাঈম ভূইয়ার মেয়ে সুমা (ছদ্মনাম)ও তার পরিবার। কয়েক মাস আগে সে রাস্তায় একটি মোবাইল সীম পায়। এরপর এই সীম তার মোবাইলে ব্যবহার করলে অপর প্রান্ত থেকে একটি ফোন আসে । তখন ঐ ফোন গ্রাহক দাবী করেন এই সীমটি তার এরপর সুমা তার সীম তাকে ফেরত দেয়। এর সুবাদে সুমার সাথে ইমরান হোসাইন এর সু-সম্পর্ক গড়ে উঠে। একপর্যায় ইমরান সুমার বাসায় আসে তাদের বাড়িতে আত্মীয়তার মতো বিভিন্ন অনুষ্ঠানে অংশ গ্রহন করে আসছে। ফলে সম্পর্ক গভীর হয়। গত ১৮ আগষ্ট সকাল ১০টায় ইমরান সুমার কু-প্রস্তাব দেয়। তার প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় ইমরান সুমাকে জোড় পূর্বক ধষর্ন করে । এসময় ইমরান বাসায় গিয়ে ১০হাজার টাকা চায়, সুমা দিতে রাজি না হওয়ায় তর্কবির্তক হয়। এসময় সুমাকে মারধর করে নগদ ১০ হাজার টাকা ও কানের দুল এক জোড়া (১ভরি) স্বর্নালংকার নিয়ে চলে যায়। তখন ইমরান সুমাকে তার ছেলে রাব্বাব রহমান সুজন (১১)কে অপহরনের হুমকী দিয়ে চলে যায়।
ইমরান থানা হাজতে সাংবাদিকদের জানান, ঐ মহিলাই প্রতারক সে আমাকে ভাই পরিচয় দিয়ে বাসায় নিয়ে নানা ছলে কলে কৌশলে ভালোবাসার অভিনয় করে আমার কাছ থেকে অনেক টাকা খেয়েছে। তার সাথে যা করেছি টাকা পয়সার বিনিময়। আমি গত ১৫ আগষ্ট কাশিপুরে বিবাহ করেছি। বিয়ের আগে আমি তাকে বলেছি তুমি আমাকে বিবাহ করলে আমি অন্য মেয়ে বিয়ে করবোনা। তখন সে বলে আমার স্বামী আছে সিরাজ এমপির ভাতিজা আমি তোমাকে বন্ধু রূপে জানি বন্ধু থাকো। এরপর আমি বিবাহ করি পরিবারের পছন্দে। গত ১৮ আগষ্ট সকালে আমাকে ফোন করে তার নিয়ে যায়। এরপর বলে আমাকে বিবাহ করো নইলে কপালে খারাপি আছে, জেলা ডিবি ও থানা পুলিশ আমার ব্যাগে ।এনিয়ে কথাকাটি হয় পরে চলে আমি চলে আসি।

