বিজয় বার্তা ২৪ ডট কম
র্যাব প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে সমাজের বিভিন্ন অপরাধ এর উৎস উদঘাটন, অপরাধীদের গ্রেফতারসহ আইন শৃংখলার সামগ্রিক উন্নয়নে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। র্যাব শুরু থেকে যে কোন ধরনের সন্ত্রাসী কর্মকান্ড এবং অপহরণ চক্রকে সনাক্ত, অপহৃত ভিকটিম উদ্ধারসহ বড় ধরনের ডাকাতি ও চুরির ঘটনা প্রতিরোধ, বড় বড় চালানের মাদক উদ্ধার ও এ ব্যবসার সাথে জড়িতদের গ্রেফতারের জন্য নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করে থাকে। অদ্য ১৩ মার্চ ২০১৭ তারিখ ০২০০ ঘটিকা হতে ০৪৪৫ ঘটিকা পর্যন্ত র্যাব-১১ এর একটি আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোঃ শাকিল আহমেদ এবং সিনিঃ এএসপি মোঃ আলেপ উদ্দীন এর নেতৃত্বে কুমিল্লা জেলার চৌদ্দগ্রাম থানাধীন মিয়া বাজারস্থ জগমোহনপুর সংলগ্ন টাইম স্কয়ার রেষ্টুরেন্ট পার্কিং এর সামনে একটি সাদা-কালো হানিফ ভলভো এসি বাস (রেজিঃ নম্বর ঢাকা মেট্রো-ব-১৫-০৩৬৯) এ অভিযান পরিচালনা করে বাসের বাম পার্শ্বে সিট নং- জি-১ এর উপরে লাইটিং বক্স এর ভিতর একটি কাপড়ের শপিং ব্যাগে রক্ষিত ৮০টি নীল রঙের এয়ার টাইট পলিপ্যাকের মধ্য হতে মোট ১৬,০০০ (ষোল হাজার) পিস লালচে রঙের ইয়াবা ট্যাবলেট এবং সিট নং- জে-১ এর উপরে লাইটিং বক্স এর ভিতর একটি কাপড়ের শপিং ব্যাগের মধ্য হতে ৪,০০০ (চার হাজার) পিস লালচে রঙের ইয়াবা ট্যাবলেটসহ সর্বমোট ২০,০০০ (বিশ হাজার) পিস লালচে রঙের ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধারসহ মাদক ব্যবসায়ী ১। মোঃ আব্দুল হামিদ (৫০), পিতা-মৃত মোজাফ্ফর আলী, সাং-ভাটেরচর, থানা-গজারিয়া, জেলা-মুন্সিগঞ্জ, ২। নাসির চৌধুরী (৩৮), পিতা-মোঃ আজাহার আলী, সাং-শাহবাজপুর, থানা-শিবগঞ্জ, জেলা-চাঁপাই নবাবগঞ্জ, বর্তমানে-আমিন আবাসিক এলাকা (বাদল সাহেবের বাড়ীর ভাড়াটিয়া), থানা-বন্দর, জেলা-নারায়ণগঞ্জ, ৩। মোঃ সুমন (২৪), পিতা-আলাউদ্দিন, সাং-দপদপিয়া, থানা-নলসিটি, জেলা-ঝালকাঠি, বর্তমানে-পাইক পাড়া (আনু সাহেবের বাড়ীর ভাড়াটিয়া), থানা-নারায়ণগঞ্জ সদর, জেলা-নারায়ণগঞ্জদেরকে গ্রেফতার করা হয়। উল্লেখ্য উদ্ধারকৃত ২০ হাজার পিস ইয়াবার আনুমানিক মূল্য প্রায় ৪০ লক্ষ টাকা। উল্লেখ্য, জিজ্ঞাসাবাদে ধৃত ১নং আসামী মোঃ আব্দুল হামিদ (৫০) বাসটির চালক এবং অপর দুই আসামী ২। নাসির চৌধুরী (৩৮) ও ৩। মোঃ সুমন (২৪) মাদক ব্যবসায়ী বলে জানায়। তারা অভিনব কায়দায় ও সুকৌশলে ইয়াবা ট্যাবলেট বাসের লাইটিং বক্সের ভেতর রাখে যা বাইরে থেকে সহজে দৃষ্টিগোচর বা বোঝা যায় না। তারা দীর্ঘদিন যাবৎ হানিফ পরিবহনের সুনাম ও খ্যাতি ব্যবহার করে অবৈধ মাদকদ্রব্য দেশের বিভিন্ন স্থানে স্থানান্তর এবং ব্যবসা পরিচালনা করে আসছে বলে জানা যায়। এ ছাড়াও তারা দীর্ঘদিন যাবৎ কক্সবাজারের টেকনাফ হতে অবৈধ মাদক দ্রব্য ইয়াবা ট্যাবলেট ক্রয় করে দেশের বিভিন্ন জেলায় বিক্রয় করে আসছে বলেও স্বীকার করে। কর্মকান্ডের বিস্তারিত তথ্য উদঘাটনের সর্বাত্মক প্রচেস্টা অব্যাহত রয়েছে। গ্রেফতারকৃত আসামীর বিরুদ্ধে কুমিল্লা জেলার চৌদ্দগ্রাম থানায় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহনের কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন।
