বিজয় বার্তা ২৪ ডট কম
নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় মাদক সেবনে বাধা দেওয়ায় সুৃমন(২৮) নামের এক যুবক কে হত্যা করার অভিযোগ পাওয়া গেছে।
নিহত সুমন ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার গোকর্ণ গ্রামের নারায়ণের ছেলে। সে পেশায় ট্রাক চালক।
<span;>ফতুল্লার পঞ্চবটী মেথরখোলাস্থ পৌর টার্মিনালে এ ঘটনা ঘটে।
এ ঘটনায় হাতেম (৩০) নামের এক ব্যক্তিকে আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেছে পৌর টার্মিনালের চালক- শ্রমিকরা।
আটককৃত হাতেম ফতুল্লা মডেল থানার মুসলিমনগর এলাকার আলিমুদ্দিনের ছেলে।
নিহত সুমন ও হাতেম ফতুল্লার পঞ্চবটী পৌর টার্মিনাল সংলগ্ন বোডবাড়ী এলাকার নুরি মিয়ার বাড়িতে পাশাপাশি কক্ষে ভাড়াটিয়া হিসেবে বসবাস করতেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, নিহত সুমন ট্রাক চালক এবং হাতেম একই টার্মিনালে অপর একটি ট্রাকের হেলপার হিসেবে কাজ করতেন। অভিযোগ রয়েছে, হাতেম নিয়মিত ঘরে বসে মাদক সেবন করতেন। বিষয়টি নিয়ে সুমন প্রতিবাদ করেন এবং বাড়ির মালিককেও অবগত করেন। এ নিয়ে হাতেম সুমনের প্রতি ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন।
শনিবার সকাল ১০টার দিকে সুমন হেঁটে পৌর টার্মিনালে কর্মস্থলে যাচ্ছিলেন। টার্মিনালের সামনে পৌঁছালে পূর্ব থেকে ওঁৎ পেতে থাকা হাতেম পেছন থেকে কাঠের টুকরো দিয়ে তার মাথা ও ঘাড়ে এলোপাতাড়ি আঘাত করে। এতে সুমন মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। পরে সহকর্মীরা তাকে উদ্ধার করে নারায়ণগঞ্জ শহরের ভিক্টোরিয়া জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যান।
সেখান থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে আইসিইউ শয্যা না থাকায় পরে রামপুরার ডেল্টা ক্লিনিকে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শনিবার দিবাগত রাত ১টার দিকে তার মৃত্যু হয়।
একই টার্মিনালের শ্রমিক মো. শুক্কুর মিয়া জানান, সকালে ফোন পেয়ে তিনি হাসপাতালে যান। পরে আহত সুমনকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও পরে ডেল্টা ক্লিনিকে নেওয়া হয়। তিনি বলেন, “মাদক সেবনের প্রতিবাদ করায় হাতেম ক্ষিপ্ত হয়ে কাঠের টুকরো দিয়ে সুমনের মাথায় আঘাত করে।”
ফতুল্লা মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মাহাবুব আলম জানান, “রাতে বিষয়টি জানতে পেরেছি। হত্যা কান্ডের ঘটনায় স্থানীয়রা একজনকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেছে। তবে নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে কেউ যোগাযোগ করেনি এবং লিখিত ভাবো জানায়নি।

