বিজয় বার্তা ২৪ ডট কম
মদনগঞ্জে বখাটে জামাতা রলি’র ছুঁরিকাঘাতে আহত শাশুড়ী ফরিদা বেগম(৪৫)অবশেষে মারা গেছেন। দীর্ঘ ৭দিন পর সোমবার ভোরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু ঘটে। ফরিদা বেগমের মৃত্যুর ঘটনায় গোটা মদনগঞ্জ এলাকায় শোকের ছায়া নেমে আসে। এদিকে ছুরিকাঘাতকারী রলি খান এখনো পলাতক রয়েছে। নিহত ফরিদার স্বামী দুলাল হোসেন জানান,মদনগঞ্জ লক্ষারচর এলাকার ফিরোজ খানের মেজো ছেলে রলির সঙ্গে বিগত ৮ মাস পূর্বে একই এলাকার রইস উদ্দিন মিয়ার বাড়ির ভাড়াটিয়া দুলাল মোল্লার মেয়ের সামাজিকভাবে বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকে মেহেরুন নেছা জানতে পারে তার স্বামী এক জন নেশাখোর। এ জন্য সে স্বামীর সংসার ত্যাগ করার সিদ্ধান্ত নেয়। এ নিয়ে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে বিরোধ চলে আসছে। গত সোমবার রাতে জামাতা রলি খান জোর করে স্ত্রীকে পিত্রালয় থেকে নিজ বাড়ি আনার জন্য গিয়ে ঝগড়ায় লিপ্ত হয়। ঝগড়ার এক পর্যায়ে রলি খান তার শাশুড়ির পেটে ৫টি ছুঁড়িকাঘাত করলে পেটের নাড়িভুঁড়ি বেরিয়ে আসে। সাথে সাথে বাড়ির লোকজন আহত শাশুড়ি ফরিদা বেগমকে দ্রুত নারায়ণগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে ডাক্তার তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে ঢাকা মেডিকোল কলেজ হাসপাতালে পাঠায়। সেখানে দীর্ঘ ১ সপ্তাহ চিকিৎসার পর সোমবার ভোরে মারা যায়।
