বিজয় বার্তা ২৪ ডট কম
নারায়ণগঞ্জের বন্দরে আজহারউদ্দিন নামে জনৈক মুক্তিযোদ্ধার বৈধতা নিয়ে ধু¤্রজাল সৃষ্টি হয়েছে। সরকারি গেজেটে জুট মিল কর্পোরেশনের এ কর্মকর্তার নাম মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে অন্তর্ঃভূক্ত হলেও এ বিষয়ে বন্দরের অনেকেই পোষণ করেছেন ভিন্নমত। কেউ কেউ আবার তার বিরুদ্ধে বন্দর উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কাছে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন বলেও জনশ্রুত রয়েছে। আজহারউদ্দিন বন্দর থানাধীন ৯০ এলসি রোড মদনগঞ্জ এলাকার মরহুম মুন্সি আবদু রউফ মিয়ার ছেলে। নাম প্রকাশ না করার শর্তে জনৈক মুক্তিযোদ্ধা জানান,মোঃ আজহারউদ্দিন মূলতঃ বাংলাদেশ জুট মিল কর্পোরেশনের একজন কর্মকর্তা। দীর্ঘ দিন ধরে সে ওই সংস্থায় উর্দ্ধতন কর্মকর্তার পদে দায়িত্ব পালণ করে আসছে। আওয়ামীলীগ সরকারের গত আমলে চাকরীর মেয়াদ আরো ২ বছর বাড়িয়ে দেয়ার ঘোষণায় আজহারউদ্দিন ২০১২সালের ১৮ এপ্রিল মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে অন্তুর্ঃভূক্তির জন্য মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রণালয়ে আবেদন করেন। এদিকে মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রণালয় এতদসংক্রান্তে ২৯ মে একটি প্রজ্ঞাপন জারি করে ২০১৩সালের ১০ মার্চ জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থা অথচ আজহারউদ্দিন যাদুকরীভাবে (তার কতিপয় আতœীয়ের মাধ্যমে)। অথচ পহেলা জুন গেজেটে শুধুমাত্র তার নামই অর্ন্তভূক্ত করা হয় তা-ও আবার শুক্রবার দিন। যা কিনা সর্বমহলে হাস্যরসের সৃষ্টি করে। ৪ জুলাই সে সাময়িক সনদ লাভ করেন ওই পন্থায়। ২৯ জুলাই ভাতা প্রদানের জন্য মন্ত্রণালয় হতে নির্দেশ প্রদান করা হয়। মাত্র ১মাসের ব্যবধানে সে ভাতাপ্রাপ্ত হয়ে যায়। ২০১৩ সালের ১০ মার্চ পুলিশ ভেরিফিকেশনের নির্দেশ দেয়া হয়। কিন্তু এর আগেই সে ভাতা প্রাপ্তি হয়। যেখানে ২০১৩ সালের ১০ মার্চ তার মুক্তিযোদ্ধার তথ্য যাচাইয়ের জন্য অর্থাৎ পুলিশ ভেরিফিকেশনের জন্য নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থাকে নির্দেশ দেয়া হয় সেখানে ভেরিফিকেশনের ৮ মাস ৪দিন আগে থেকেই সে ভাতা উত্তোলণ করে কিভাবে। বিষয়টি তদন্তপূর্বক খতিয়ে দেখার জন্য বন্দর উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা যাচাই বাছাই কমিটির প্রতি জোরদাবি জানিয়েছে বন্দরের ভারতীয় প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধাবৃন্দ।
