বিজয় বার্তা ২৪ ডট কম
জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৩ তম মৃত্যু বার্ষিকী উপলক্ষে ৩০ টি স্পটে আয়োজিত দোয়া মাহফিলে নারায়ণগঞ্জ জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি শেখ সাফায়েত আলম সানি উদ্বোধক হিসিবে অংশগ্রহন করেছেন।
বুধবার সকালে শহরের কয়েকটি স্পটে অংশগ্রহন করে পরে দুপুর ১ টায় শিবু মার্কেট এলাকায় জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সাংগঠনিক আতাউর রহমান নান্নুর আয়োজিত দোয়া মাহফিলে অংশগ্রহন করেন। দুপুর আড়াই টায় যুবলীগ নেতা সোহেল’র উদ্যোগে কুতুবপুর লাকিবাজারে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মজিবুর রহমান এর ৪৩তম মৃত্যু বার্ষিকী উপলক্ষ্যে দোয়া ও নেওয়াজ বিতরন অনুষ্ঠানে যোগদান করেন। এরপর জয় বাংলা ক্লাব এর পক্ষ থেকে মিলাদ মাহফিল ও কাঙালি ভোজে অংশগ্রহন করেন। পরে বন্দরে জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সহ সভাপতি আরাফাত আবেদীন জুম্মান, বন্দর থানা ছাত্রলীগ নেতা মাইনুউদ্দিন মানু, ২৪ নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগ নেতা খন্দকার আমজাদ, দেলোয়ার হোসেন সহ ৩০ টি স্পটে আয়োজিত দোয়া মাহফিলে অংশগ্রহন করেন তিনি। এদিকে বন্দর একরামপুরস্থ হযরত আবু বকর (রাঃ) মাদ্রাসা মর্ডান একাডেমী ছাত্রদের মাঝে পোশাক বিতরণ করেন সানি।



প্রধান অতিথির বক্তব্যে সাফায়েত আলম সানি বলেন, ১৯৭১ সাল বাঙালীর ইতিহাসের সবচেয়ে গৌরবান্বিত অধ্যায়। আর ১৯৭৫ এর ১৫ অাগস্টের বাংলাদেশ ছিলো পথ হারানোর বাংলাদেশ। স্বাধীনতা অর্জনের ইতিহাস কলংকিত করার বাংলাদেশ। দেশপ্রেম’ ‘সততা’ ‘আদর্শনিষ্ঠা’ এবং ত্যাগের নজির বিপরীতে অসত্য-মিথ্যা বিকৃত ইতিহাসের বাংলাদেশ। সেদিন ঘাতক চক্র বাঙালি জাতির স্বপ্নদ্রষ্টা জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে হত্যার মাধ্যমে কেবল একজন মহামানবকেই হত্যা করেনি, হত্যা করতে চেয়েছিলো তার আদর্শ। কিন্তু তার আদর্শে অপশক্তিরা হত্যা করতে পারেনি।আজও এদেশের জনগনের মাঝে আছে তারা আদর্শ। তার দেশপ্রেম’ ‘সততা’ ‘আদর্শনিষ্ঠা’ এবং ত্যাগের মহিমায় আমরা পেয়েছি স্বাধীন বাংলা। আমাদের জাতির পিতা হারানোর শোককে শক্তিতে পরিনত করে তার সোনার বাংলা গড়ার স্বপ্ন বাস্তবায়ন করতে কাজ করতে হবে। তিনি এদেশের মানুষের জন্য নিজের জীবন দিয়ে কাজ করে গেছেন। তিনি সব সময় এদেশের মানুষের উন্নয়নের কথা ভাবতেন। তারই সুযোগ্য কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা তার আদর্শ বুকে ধারন করে এ দেশের মানুষের জন্য কাজ করে যাচ্ছেন। তিনি বঙ্গবন্ধু সোনার বাংলা গড়ার স্বপ্ন বাস্তবায়ন করতে ইতিমধ্যে বাংলাদেশে ব্যপক উন্নয়ন করেছেন।এদেশকে মধ্যম আয়ের দেশে রুপান্তরিত করেছেন। বর্তমানে তিনি এ দেশকে একটি সমৃদ্ধশীল উন্নয়নশীল রাষ্ট্রে পরিনত করতে দিনরাত কাজ করে যাচ্ছেন। কিন্তু মোস্তাকের পেতাম্মারা তার উন্নয়নকে বাধাগ্রস্থ করতে নানা ষড়যন্ত্র করছেন। যারা বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করেছে তাদের বংশ ধর জামাত শিবির মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে হত্যার চেষ্ঠা চালাচ্ছে। তাদের এই ষড়যন্ত্রের চেষ্টা কোন দিনও সফল হবে না। আওয়ামীলীগের প্রতিটি নেতাকর্মী এর দাত ভাঙ্গা জবাব দিবে। আমাদের সবার সজাগ থাকতে হবে এবং ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। যাতে কোন অপশক্তি কোন ক্ষতি করতে না পারে। আমাদের প্রতিটি নেতাকর্মীকে মুজিব বাদের আদর্শকে বুকে ধারন করে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করতে হবে।বাংলাদেশের মানুষের ভাগ্য উন্নয়নের জন্য জননেত্রী শেখ হাসিনাকে আবার জয়ী হতে হবে।
এসময় তার সাথে উপস্থিত ছিলেন, জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সহ সভাপতি আরাফাত আবেদীন জুম্মান, মিনহাজুল ইসলাম রিয়াদ, মো. আরিফ, সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সুজন,সাবেক যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক মো. রায়হান, সাবেক সাংগঠিনক সম্পাদক আতাউর রহমান নান্নু, সাবেক প্রচার সম্পাদক মিজানুর রহমান সজীব, অনলাইন এক্টিভিস্ট নবেন্দু নির্মল সাহা জয়, । এছাড়া আরো উপস্থিত ছিলেন, নিশান কাফি, হৃদয়, সুজন প্রধান, মামুন,পরশ, জহির, মনির, সজীব রায় অভি, সৌরভ, বিল্লাল, ইব্রাহীম, সায়েক, সৈয়দ রনি, টিপু সুলতান,ফারুক প্রধান, ইমারন, সিয়াপ, মোরসালিন, শেখ সুমন, মনোয়ার, ফারুক, মহিউদ্দিন, জাকির, সাব্বির আহাম্মেদ হৃদয় সহ আরো অনেকে।
এদিকে প্রতিটি স্পটে বঙ্গবন্ধু শাহাদাৎ বার্ষিকী উপলক্ষে বিশেষ দোয়া প্রার্থনা করা হয়।




