বিজয় বার্তা ২৪ ডট কম
ফতুল্লা থানাধীন এলাকার মাসদাইর গাবতলী স্বামীর সাতে অবিমান করেন আত্মহত্যা করে তামান্না আক্তার(৩০) এবং দেলপাড়াও স্বামীর সাথে রাগ করে আত্মহত্যা করে খাদিজা আক্তার(২১)। এব্যাপারে দুই পরিবারের সদস্যরা পৃথক ঘটনায় পৃথকভাবে দু‘টি অপমৃত্যু মামলা দায়ের করেছে ।
এ মামলার অভিযোগে জানাযায়, ঝালকাঠী জেলার রাজাপুর থানাধীন পুটিয়া গ্রামের মৃত শামসুল হকের মেয়ে তামান্না আক্তারতে গত ১২ বছর আগে খুলনা জেলার খালিশপুর থানাধীন এলাকার আবু হানিফের ছেলে মো. হাবিবুররহমান সুজনের সাথে বিবাহ হয়। বিয়ের পর থেকেই তারা ফতুল্লার ইসদাইর গাবতলী এলাকায় ভাড়া থাকে। দু‘জনেই চাকুরী করে। তামন্নার একটু মান অভিমান বেশি। তাই সে স্বামীর সাথে ঝগড়া করে। গত ২০ জুলাই রাতে তার স্বামী প্রকৃতির ডাকে বাথরুমে গেলে এই সুযোগে তামান্না বাসার সিলিং ফ্যানের সাথে ওড়না জড়িয়ে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্ম হত্যা করে। এরপর লোকজন আসে। পুলিশ গিয়ে লাশ এনে ময়না তদন্তের জন্য মর্গে প্রেরন করে। এব্যাপারে তামান্নার ভাই রেজওয়ান বাদী হয়ে অপমৃত্যু মামলা দায়ের করেন।
অপরদিকে,চাঁদপুর জেলার মতলব থানার লক্ষ¥ীপুর গ্রামের মৃত হুমায়ুন কবিরের মেয়ে মোসাঃ মখাদিজা আক্তার । তাকে একই এলাকার এজাজ ইবনে মাহমুদ মিলুর সাথে বিবাহ হয়। বিয়ের পর থেকেই খাদিজা তার স্বামী মিলুকে নিয়ে পাগলা দেলপাড়া এলাকায় ভাড়া থাকে। খাদিজা কথায় কথায় রাগ করে। তার স্বামীর সাথে তেমন বনিবোনা হতো না। স্বামীর অবাধ্যে চলাফেরা করতো। গত ২০ জুলাই বেলা সাড়ে তিনটায় সংগোপনে নির্জনে বাসার সিলিং ফ্যানের সাথে ওড়না জড়িয়ে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করে। পরে আশেপাশের লোকজন দেখতে পেয়ে স্বামীকে খবর দেয় পরে পুলিশ আসে লাশ উদ্ধার করে ময়না তদনেআতর জন্যে মর্গে প্রেরন করে। এব্যাপারে নিহত খাদিজার মা মরিয়ুম বেগম বাদী হয়ে ফতুল্লা মডেল থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা দায়ের করে।
