বিজয় বার্তা ২৪ ডট কম
নারায়ণগঞ্জে মসজিদের ইমামের বিরুদ্ধে আট বছর বয়সী এক মাদরাসা ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। ধর্ষণের পর ওই মাদরাসা ছাত্রীকে শহরের ১০০ শয্যা বিশিষ্ট নারায়ণগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হলেও সেখানে তাকে হত্যা চেষ্টা চালানো হয়।
ওই ঘটনায় মাদরাসা ছাত্রীর পিতা র্যাব কার্যালয়ে অভিযোগ দেয়। এতে র্যাব-১১ এর অভিযানে অভিযুক্ত ইমামসহ আরো পাঁচ অনুসারীকে আটক করা হয়।
৭ আগস্ট বুধবার নারায়ণগঞ্জের আদমজীতে র্যাব-১১ এর কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানানো হয়।
র্যাব-১১ এর অতিরিক্ত এসপি আলেপউদ্দিন জানান, ৬ আগস্ট রাত সাড়ে ১০টায় বোরকা পরিহিত অবস্থায় এক ব্যক্তি র্যাব-১১ অফিসে এসে একটি অভিযোগ দেয়।
এতে বলা হয়, তার মেয়ে বর্তমানে ভিক্টোরিয়া জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রয়েছে এবং মসজিদের ইমাম তাকে ধর্ষণ করেছেন। ধর্ষণের পর ইমামের অনুসারীরা তার মেয়ে ও বাবাকে মেরে ফেলার জন্য বার বার হাসপাতালে গিয়ে খুঁজতে থাকেন।
বিষয়টি জানার পর তাৎক্ষণিক র্যাব-১১ এর একটি ওই হাসপাতালে ছুটে যায়। ভিকটিম ও তার পরিবারের সঙ্গে কথা বলে ঘটনার সত্যতা পাওয়ায় হাসপাতালে নিরাপত্তা চৌকি বসানো হয়।
দুইদিনের প্রচেষ্টায় ৭ আগস্ট সকাল ৬টার দিকে নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থানাধীন উত্তর চাষাঢ়া চাঁদমারী এলাকা হতে ধর্ষক মো. ফজলুর রহমান ওরফে রফিকুল ইসলামকে আটক করা হয়।
আটককে জিজ্ঞাসাবাদ ও প্রাথমিক অনুসন্ধানে জানা যায়, আট বছর বয়সী শিশুটি রাতে বিভিন্ন প্রকার দুঃস্বপ্ন দেখে কান্নাকাটি করতো। বিভিন্ন প্রকার চিকিৎসা করে ভালো না হওয়ায় ভিকটিমের বাবা জানতে পারেন যে, অভিযুক্ত মো. ফজলুর রহমান রফিকুল ইসলাম দীর্ঘদিন ধরে ঝাড়ফুঁক ও পানিপড়া দেন।
