বিজয় বার্তা ২৪ ডট কম
জেলা প্রশাসক জসিম উদ্দিন বলেছেন প্রতিটি স্কুলে শিক্ষার্থীদের নৈতিকতা শিক্ষা দিতে হবে। তিনি বলেন,শিক্ষার্থীদের শুধুমাত্র পুথিগত বিদ্যার মধ্যে সীমাবদ্ধ রেখে জিপিএ -৫ পেলে চলবে না। তাদেরকে সত্যিকারের মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে হবে। এজন্য প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষকদের দায়িত্ব নিতে হবে।তিনি বলেন বর্তমান সময়ে দেশে ডেঙ্গু রোগের প্রকোপ দেখা দিয়েছে। এডিস মশা নিধন করতে হবে। এজন্য আমাদের সচেতনতা বাড়াতে হবে।তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, আমাদের নিজের ঘর,বাড়ি ও আঙ্গিনা নিজেদের পরিস্কার রাখতে হবে। নিজের বাড়ি পরিস্কার করার পর পাশের বাড়িতে যেতে হবে।সে সাথে আমাদের স্কুলের আঙ্গিনা থেকে শুরু করে শ্রেনী কক্ষ সহ বাথরুম পরিস্কার রাখতে হবে। এ গুলো নিজেদের কাজ। নিজেকে করতে হবে।তিনি বলেন, প্রত্যেক বৃহস্পতিবার কøাশ শেষে শ্রেনী কক্ষ নিজেদেরকেই পরিস্কার পরিচ্ছন্ন করতে হবে। সেজন্য আমাদের সকলকে সচেতন করে তুলতে হবে। তিনি শিক্ষকদের উদ্দেশ্যে বলেন,মুক্তিযুদ্ধ আমাদের অহংকার।জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব আমাদেরকে একটি আদর্শ দিয়ে গেছে। তাই মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় আমাদের শিক্ষার্থীদের গড়ে তুলতে হবে। তিনি বলেন, শিক্ষকরা হচ্ছে মানুষ গড়ার কারিগর।এজন্য শিক্ষকদের সাথে শিক্ষার্থীদের সুসম্পর্ক গড়ে তুলতে হবে।মাদক ও সন্ত্রাসকে না বলতে হবে।শিক্ষার্থীদের মধ্যে মাদক ও সন্ত্রাস বিরোধী চেতনা সৃষ্টি করতে হবে।তিনি সোমবার সকালে বিদ্যানিকেতন হাই স্কুলে ডেঙ্গু প্রতিরোধে ছাত্র ছাত্রীদের সচেতনা সৃষ্টির জন্য আয়োজিত উদ্বুদ্ধকরন কর্মসুচির উদ্বোধন করার সময় এ কথা বলেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা শরিফুল ইসলাম, বিদ্যানিকেতন ট্রাষ্টের সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান ও নারায়নগঞ্জ জেলা সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি আবদুস সালাম, সদস্য মোয়াজ্জেম হোসেন সোহেল, প্রধান শিক্ষক উত্তম কুমার সাহা। এর আগে জেলা প্রশাসক বিদ্যানিকেতনের পাঠাগার, স্মার্টবোর্ড শ্রেনী কক্ষ,শেখ রাসেল ডিজিটাল ল্যাব ও বিভিন্ন শ্রেনীতে পাঠ কার্যক্রম পরিদর্শন করেন এবং শিক্ষকদের সাথে মতবিনিময় করেন।। এসময় তিনি পাঠাগারে মুক্তিযুদ্ধের বইয়ের আলাদা কর্নার দেখে সন্তোষ প্রকাশ করেন।পরে জলো প্রশাসক শিক্ষক,পরিচালনা পরিষদ এবং শিক্ষার্থীদের সাথে নিয়ে পরিস্কার পরিচ্ছন্ন কাজ করেন।
