বিজয় বার্তা ২৪ ডট কম
নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের সাংসদ শামীম ওসমান শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে বলেছেন, আজকের তোমরা আগামী দিনের ভবিষ্যৎ। তোমাদের কাধেই থাকবে শেখ হাসিনার ডিজিটাল বাংলাদেশ। আগামী দিনে তোমরাই বিশ্বের বুকে বাংলাদেশের নেতৃত্ব দিবে। তাই তোমাদের কাছে আমার দাবি লেখাপড়ার প্রতি যত্নশীল হবা এবং তোমাদের বিদ্যালয়ের নাম আরো বেশী উজ্জল করতে ভুমিকা রাখবা।
সোমবার বিকালে ইসদাইরস্থ বেগম রোকেয়া খন্দকার উচ্চ বিদ্যালয়ে বার্ষিক ক্রীড়া ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা সুলতানা বেগমের পক্ষ থেকে স্কুলটিকে আধুনিকায়ন, ক্লাসরুম বাড়ানো সহ বিদ্যালয়ের পরিবেশ উন্নত করার যে দাবী করেন তার প্রেক্ষিতে সাংসদ শামীম ওসমান বলেন, আমি মিথ্যা কথা বলি না। এই বিদ্যালয়ের পরিবেশ ঠিক করতে যা যা লাগে আমি তাই করবো। আগামী কয়েক মাসের মধ্যেই এই কাজ হবে। শামীম ওসমান বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটি ও শিক্ষক-শিক্ষিকাদের প্রতি অনুরোধ রেখে বলেন, আপনারা শুধু আমাকে কাগজপত্র ও তথ্য দিয়ে সহায়তা করবেন।
তিনি আরো বলেন, নিজের মোবাইল নাম্বার দিয়ে বেগম রোকেয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীদের বলেন, যে কোন ধরনের সমস্যা হলে তোমরা সাথে সাথে আমাকে একটা টেক্সট করবা কে কোন দল করে তা দেখার বিষয় না সাথে সাথে আমি ব্যবস্থা নিবো। কোন মাদক ব্যবাসীয়, চাদাঁবাজ, ইভটিজার বা সমাজে অশান্তি সৃষ্টি করে এমন কাউকে কোন ছাড় দেয়া হবে না।
শামীম ওসমান ইভটিজিং হয় কিনা এমন বিষয়ে ছাত্রীদেরকে প্রশ্ন করলে ছাত্রীরা বলেন, হ্যা। আমাদেরকে প্রায় সময়ই ইভটিজিংয়ের স্বীকার হতে হয়। এলাকার ও এলাকার বাইরের বখাটেরা প্রায়ই আমাদের বিরক্ত করে। এসময় তিনি ফতুল্লা থানার দায়িত্বপ্রাপ্ত ওসি মঞ্জুর কাদেরকে উদ্দেশ্য করে বলেন, ওসি সাহেব স্কুলের সামনে সাদা পোশাকে পুলিশ সদস্য দেন, কারা আমার মেয়েদের ইভটিজিং করে তাদের আইনের আওতায় আনেন।
শামীম ওসমান আরো বলেন, এই স্কুলের প্রতিষ্ঠাতা আমার শ্রদ্ধেয় বড় ভাই এডঃ তৈমুর আলম খন্দকার। আর এই স্কুলটি ওনার মা বেগম রোকেয়া খন্দকারের নামে করা হয়েছে। ওনার মা মানে আমারও মা। আমি সর্বপ্রথম সেই বেগম রোকেয়া খন্দকারকে শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করছি। স্কুলের রাস্তায় বৃষ্টির দিনে পানি জমে এবং শিক্ষার্থীদের অনেক সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়। আমার ছোট বোন এই ওয়ার্ডের মহিলা কাউন্সিলর বিন্নি আমাকে কয়েকবার এই কথা জানিয়েছে। ইনশাআল্লাহ খুব শীঘ্রই এই সমস্যার সমাধান করবো।
উক্ত বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি হাবিবুর রহমান হাবিবের সভাপতিত্বে ও বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সুলতানা বেগমের সঞ্চালনায় এসময় উপস্থিত ছিলেন, জেলা শিক্ষা অফিসার শরিফুল হক, উপজেলা শিক্ষা অফিসার, জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি এহসানুল হাসান নিপু, ফতুল্লা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক, স্কুলের সকল শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও অভিভাবকবৃন্দ ও এলাকার গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।
