বিজয় বার্তা ২৪ ডট কম
নারায়ণগঞ্জের দুর্ধর্ষ ডাকাত সর্দার দেলোয়ার হোসেন ওরফে মাস্টার দেলু বাহিনীর সাথে ডিবি পুলিশের ফের বন্ধুক যুদ্ধের ঘটনা ঘটেছে।
শনিবার রাত সাড়ে ১১টায় ফতুল্লা উপজেলার তল্লা পাঠাগারের সামনে এ ঘটনা ঘটে। এসময় উভয় পক্ষের গুলাগুলি বিনিময়কালে এক পর্যায়ে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় দেলুর সহযোগী আনিসকে(৩৫) গ্রেফতার করে ডিবি পুলিশ।
গ্রেফতারকৃত আনিসের কাছ থেকে ৭-৬৫ বোরের একটি বিদেশী পিস্তল ও ৩ রাউন্ড গুলি, ১২ টি জিপার ব্যাগে থাকা ১২শ পিছ ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। তবে মাস্টার দেলু ঘটনাস্থল থেকে কৌশলে পালিয়ে যায়।
গ্রেফতারকৃত আনিস ফতুল্লা উপজেলার তুল্লা এলাকার মোশাররফ মিয়ার ছেলে।
রবিবার সকাল ১১টায় ডিবি কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে নারায়ণগঞ্জ ডিবির ওসি মাহমুদুল ইসলাম জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শনিবার রাত সাড়ে ১১টায় তল্লা পাঠাগারের সামনে নারায়ণগঞ্জ ডিবির এসআই মফিজুল ইসলাম, এসআই সেলিম মোল্লা, আসাদুজ্জামান, মফিজুল ইসলাম, মনিরুজ্জামান ও নজরুল ইসলাম’র সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে ডিবির একটি টিম এই অভিযান চালায়। রেল লাইন পাঠাগার এলাকায় হামিদ সর্দারের বাড়ির দক্ষিন পাশে একটি পরিত্যাক্ত চৌচালা ঘরে দেলু বাহিনীর গোপন বৈঠকের খবর পেয়ে ডিবির টিম সেখানে উপস্থিত হয়। তখন ডিবি সদস্যদের উপস্থিতি টের পেয়ে সেখানে থাকা দেলু ও তার সহযোগিরা মিলে ডিবি পুলিশকে উদেশ্যে করে গুলি ছুড়তে থাকে। ডিবি সদস্যরাও পাল্টা গুলি ছুড়লে দুই পক্ষের মধ্যে বেশ কয়েক রাউন্ড গুলি বিনিময় হয়। এসময় দেলু বাহিনীর দেলু সহ তার সহযোগিরা পালিয়ে যেতে সক্ষম হলেও ঘটনাস্থল থেকে দেলুর সহযোগি একই এলাকার মোশারফ হোসেনের ছেলে আনিস(৩৫)নামের এক ডাকাত গুলিবিদ্ধ হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পরে। সেখান থেকে আনিসকে গ্রেফতার করে নারায়ণগঞ্জ তিন শত শয্যা হাসপাতালে নেয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে ঢাকা পঙ্গু হাসপাতালে প্রেরণ করেন।
উল্লেখ্য, গত ১ অক্টোবর ভোরে প্রথম দফায় শহরের খানপুর সরদার পাড়া এলাকাতে ডিবির সঙ্গে দেলু বাহিনীর বন্দুকযুদ্ধের ঘটনা ঘটে। সেদিনও দেলু পালিয়ে যায়। এরপর দেলুসহ তার বাহিনীর বিরুদ্ধে মামলা হলেও সে থাকে অধরা। নারায়ণগঞ্জে আলোচিত ডাকাত সর্দারদের একজন হলো দেলু। অস্ত্র চালানো ও ডাকাতি কাজে পারদর্শী হওয়ায় সে মাস্টার দেলু হিসেবে পরিচিত। তার বিরুদ্ধে দুই ডজন মামলা রয়েছে বিভিন্ন থানায়।

