বিজয় বার্তা ২৪ ডট কম
বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে কেন্দ্রীয় কর্মসূচীর অংশ হিসেবে নারায়ণগঞ্জ জেলা ও মহানগর বিএনপির উদ্যোগে প্রতিবাদ সভা ও বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১১টায় সাবেক হরের প্রেস ক্লাব সংলগ্ন চাষাঢ়া বালুর মাঠ এলাকায় এই প্রতিবাদ সভা ও বিক্ষোভ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।
এসময় বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা জয়নাল আবেদিন ফারুক বলেছেন, বেগম খালেদা জিয়ার যদি একটি অসত্য মামলায় কারাগারে থাকতে পারে তাহলে হাজার হাজার কোটি টাকা লুটপাটের জন্য আপনাদের কি হতে পারে। ২ কোটির মিথ্যা মামলায় ৫ বছরের জেল হলে ১৪ হাজার কোটি টাকার জন্য কত বছরের জেল হবে। বাংলাদেশের মাটিতে গণতন্ত্রকে হত্যা করে আওয়ামীলীগ দেশের কালো অধ্যায় রচনা করেছে। জেলকে কারাগারকে ভয় করিনা, নেত্রীর মুক্তি জন্য আমাদের শান্তিপূর্ণ আন্দোলন চলবে।
তিনি আরো বলেন, প্রশাসনকে বলবো, আপনারা আমাদের শান্তিপূর্ণ কর্মসূচীতে সহযোগিতা করুন, আমাদেরকে উস্কানি দেবেন না। আমরা শান্তিপুর্ণভাবে আমাদের কর্মসূচী চালিয়ে যাবো। অযথা আমাদের নেতাকর্মীদের মামলা দিয়ে গ্রেফতার করে, আমাদের কর্মসূচীতে বাধা দিয়ে আপনারা জনগনের বিপক্ষে দাঁড়াবেন না।
বিএনপির চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা এড. তৈমূর আলম খন্দকার বলেন, দেশনেত্রী মুক্ত না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলছে চলবে। যে যার যার দায়িত্ব নিয়ে আন্দোলন সংগামকে সফল করতে হবে।
মহানগর বিএনপির সভাপতি ও সাবেক সাংসদ এড. আবুল কালাম বলেন, গত ৮ ফেব্রæয়ারী দেশে একটি নেক্কার জনক ঘটনার সৃষ্টি করা হয়েছে। আমাদের দেশনেত্রীকে মুক্ত করতে হলে সকলকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে রাজপথে থাকতে হবে। আগামীতে নারায়ণগঞ্জ জেলা ও মহানগর একই ইউনিটে আন্দোলন সংগ্রামে অংশগ্রহন করবে।
মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এটিএম কামাল বলেন, ঢাকার নাজিম উদ্দিন রোডে শুধু দেশনেত্রীকে নয় গণতন্ত্রকে বন্দি করে রাখা হয়েছে। দেশনেত্রী মুক্তি পেলেই গণতন্ত্র মুক্তি পাবে। আজ জাতি তার মুক্তির প্রহর গুনছে।
এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন দলের চেয়ারপারসনের আরেক উপদেষ্টা অ্যাডভোকেট তৈমুর আলম খন্দকার, জেলা বিএনপির সভাপতি কাজী মনিরুজ্জামান, মহানগর বিএনপির সভাপতি আবুল কালাম, সাধারণ সম্পাদক এটিএম কামাল, মহানগর বিএনপির সিনিয়র সহ সভাপতি অ্যাডভোকেট সাখাওয়াত হোসেন খান, জেলা বিএনপির সহ সভাপতি আজাদ বিশ্বাস, জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক জাহিদ হাসান রোজেল, মহানগর বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুস সবুর খান সেন্টু, আবু আল ইউসুফ খান টিপু, জেলা বিএনপির সহ সাংগঠনিক সম্পাদক রুহুল আমিন শিকদার, জেলা যুবদলের সভাপতি মোশারফ হোসেন, জেলা ছাত্রদলের যুগ্ম আহবায়ক মশিউর রহমান রনি প্রমুখ।

কর্মসূচি চলাকালীন সময় চারদিক থেকে পুলিশ নেতাকর্মীদের ঘিরে রাখে। দলের কোন নেতাকর্মীকে বাধা না দিলেও তাদেরকে সড়কে উঠতে দেয়নি পুলিশ।

