বিজয় বার্তা ২৪ ডট কম
বন্ধ হয়েও বন্ধ হয়নি নগরীর ৭২নং এসডি রোড কুমুদিনী বাগানের মাদকব্যবসা। একের পর এক সেন্ডিকেট করে যাচ্ছে মাদকব্যবসা এই এলাকাতে। সিআইডি মাসুমের সেন্ডিকেট পলাতক হলেও এখন মাদকব্যবসা করে যাচ্ছে আরেক সেন্ডিকেট। সেই সেন্ডিকেটকে সহযোগীতা করার অভিযোগ উঠছে ঐ এলাকার বিহারী সরদার আলী রেজার পুত্র আরজু, মৃত গণী মিয়ার পুত্র গাজী, জালাল মিয়ার পুত্র নাইম ও মৃত লাল্লু মিয়ার পুত্র ও কুমুদিনী বাগানের চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী নাছিমের ভাই কায়েস বিন কাউসার।
কুমুদিনী বাগানের চিহ্নিত মাদকব্যবসায়ী সিআইডি মাসুম গ্রেফতার হওয়ার পর জেলা গোয়েন্দা সংস্থার কাছে ও পুলিশের কাছে এই শ্লেটারদাতাকারীদের নাম উল্লেখ করে জবানবন্দী দিয়েছিলো। ঐ সময় সে জানিয়েছিলো , যে নির্দিষ্ট হারে মাসোয়ারা দিয়ে ও বিভিন্ন সময় মাদক সেবন করিয়ে তাদের হাত করিয়ে মাদকব্যবসা করত সিআইডি মাসুম।
এলাকাবাসীর কাছ থেকে শ্লেটারদাতাকারীদের ব্যাপারে জানা যায়, সিআইডি মাসুমের সেন্ডিকেট পালিয়ে থাকলেও মাদকব্যবসা বন্ধ হয়নি।কুমুদিনী বাগানের যুব কল্যাণ সংসদের সমাজ কল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক আরজু, সদস্য গাজী,নাইম,কায়েস বিন কাউছার সহ আরোও কয়েকজনের সহযোগীতায় মাদকব্যবসা করে যাচ্ছে আরেক সেন্ডিকেট। এই সেন্ডিকেট প্রধান হচ্ছে বিহারী সরদারের সন্তানেরা। মাদকব্যবসা বন্ধ হওয়াতে তারা মাদকব্যবসায়ী সিআইডি মাসুম ও সাফির পক্ষ নিয়ে তারা মাদকবিরোধী আন্দোলনকারীদের মারধর সহ মাদকবিরোধী ব্যানার ফ্যাস্টুন ছিড়ে ফেলে তারা এবং তারা দাফন কমিটিকে বিদ্যালয়ে রূপান্তরিত করে বিদ্যালয়ের ভিতর মিটিং ও মাদক সেবন করে থাকে। এছাড়াও যুব কল্যাণ সংসদের সমাজ কল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক আরজু ও মৃত লাল্লুর ছেলে কায়েস বিন কাউছার মাদকবিরোধী আন্দোলনকারীদের হুমকি ও মারধরের নেপথ্যে ছিলো বলে জানা যায়।
এলাকাবাসী থেকে আরোও জানা যায়, এদের অর্থ উপার্জনের একমাত্র উৎসই হচ্ছে মাদকব্যবসায়ীদের কাছ থেকে নেয়া মাসোয়ারা। এছাড়া তাদের অন্য কোনো কাজ-কর্ম নেই।এই মাসোয়ারার বদলে তারা মাদকব্যবসায়ীদের শ্লেটার দেয় এবং মাদকব্যবসায়ীদের কাছে থাকা মাদকদ্রব্য দিয়ে তারা মাদক সেবন করে থাকে। যার জন্য আবারো আগের রূপে ফিরতে শুরু করেছে কুমুদিনী বাগানের মাদকব্যবসা। মাদকব্যবসায়ীদের গ্রেফতারের বদলে যদি মাদকব্যবসায়ীদের শ্লেটারদাতাদের গ্রেফতার করা যেত তাহলে পুরোপুরি বন্ধ হত মাদকব্যবসা। কারণ এখানে মাদকব্যবসায়ীদের থেকে শ্লেটারদাতাদের প্রভাব খুব বেশি। এরাই মুলত মাদকব্যবসা করে যাচ্ছে ভালো মানুষের মুখোশে থেকে। তাই এই মাদকব্যবসায়ীদের হাত থেকে এলাকাকে রক্ষা করতে ফের প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করছি আমরা। যদি তারা একটু সুদৃষ্টি দেয় এবং এই শ্লেটারদাতাকারীদের ব্যাপারে যথাযথ ব্যবস্থা নেয় তাহলে আমাদের কুমুদিনী বাগান মাদকমুক্ত হবে।

