বিজয় বার্তা ২৪ ডট কম
সদস্য হওয়ার সময় দুই বছরের স্বশ্রম সাজাপ্রাপ্ত হওয়ায় বিষয়টি গোপন করায় বন্দর প্রেসক্লাব থেকে কাজিম উদ্দিন আহম্মেদকে স্থায়ী বহিস্কার করা হয়েছে।
২ মে (শনিবার) বিকালে বন্দর প্রেসক্লাব মিলনায়তনে কার্যনির্বাহী পরিষদের সভায় উপস্থিত ১২ জন সদস্য সর্বসম্মতিতে এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।
উল্লেখ, ২ বছরের স্বশ্রম সাজাপ্রাপ্ত কাজিমউদ্দিন নিজের মামলার বিষয়টি ২০১১ সাল থেকে গোপন রেখে আসছিলেন।
২০০৭ সালে বন্দর থানার মামলা নং ২৬ (২) ০৭ মূলে গ্রেফতার হয়ে দীর্ঘদিন জেলহাজতে ছিলেন। সেই সময় তাকে বন্দর প্রেসক্লাব থেকে বহিস্কার করা হয়। জামিন নিয়ে বিদেশ চলে যায়। দেশে এসে ২০১১ সালে বন্দর প্রেসক্লাবে সদস্য হওয়ার জন্য পুনরায় আবেদন করেন এবং প্রেসক্লাব কর্তৃপক্ষকে আপনি মামলার দ্বায় হতে খালাশ পেয়েছেন মর্মে অবহিত করেন। ২০১৩ সালে উল্লখিত মামলায় বন্দর থানার গ্রেফতারি পরোয়ানা আসে এবং ০৪/৪/২০২১ ইং তারিখে একটি গ্রেফতারি পরোয়ানা বন্দর থানায় তামিলের জন্য এসেছে। সর্বশেষ ১৯-৪-২০২১ ইং তারিখে কারণ দর্শানোর নোটিশের জবাবে উল্লেখ করেন মহামান্য হাইকোর্ট গত ৩১-১-২০১৮ ইং তারিখে খালাশ দিয়াছেন কিন্তু এর স্বপক্ষে কোন কাগজ বা আদালতের সার্টিফাইড কপি প্রদান করেননি। বন্দর প্রেসক্লাব কতৃপক্ষকে ২০১১ সালে ও ২০১৩ সালে এইরুপ ঘটনায় নিজেকে খালাশ প্রাপ্ত বলে আসছেন।
বন্দর প্রেসক্লাবের মোট সদস্যদের দুই-তৃতীয়াংশ সদস্য স্বাক্ষরকৃত অনাস্থা প্রস্তাবের আবেদন ১৭-৪-২০২১ ইং তারিখে কার্যনিবাহী পরিষদের জরুরী সভায় সর্বসম্মতিতে কাজিমকে সাধারণ সম্পাদক পদ থেকে বহিস্কার করা হয়েছে।
কাজিম সাজাপ্রাপ্ত ব্যক্তি ও ২০১১ সাল থেকে সাজার কথা গোপন করায় বন্দর প্রেসক্লাবের গঠনতন্ত্র অনুযায়ী অনুচ্ছেদ ১১ (ক) ধারার বিধান মতে সদস্য পদ দেয়ার সুযোগ নেই, কাজেই তাকে বন্দর প্রেসক্লাবের স্থায়ী সদস্য পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।

