বিজয় বার্তা ২৪ ডট কম
বর্তমান সময়ের সবচেয়ে আলোচিত ইস্যু চাঁদাবাজির অভিযোগে ডিবির হাতে ১৭ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর আব্দুল করিম বাবুর গ্রেফতার। গ্রেফতারের পর থেকেই শুরু হয়েছে কাউন্সিলর বাবুর বিরুদ্ধে একের পর এক অভিযোগের সূত্রপাত। এসব অভিযোগগুলো কতটুকু সত্য তা যাচাই করার অনুরোধ জানিয়েছেন বাবুর বড় ভাই সেলিম হোসেন।
সম্প্রতি নাজমুল হাসান বারেক ও শরিফুল ইসলাম কুসুম নামে দুই জন ব্যক্তি কাউন্সিলর বাবুর বিরুদ্ধে দুটি অভিযোগ দায়ের করেছেন। উক্ত দুই ব্যক্তিই মাদকাসক্ত। মাদক সেবনের পাশাপাশি মাদক ব্যবসা করেন বলে অভিযোগ পাওয়া যায়। আদালত পাড়ায় সাংবাদিকদের এ বিষয়ে জানান কাউন্সিলর বাবুর বড় ভাই সেলিম হোসেন।
১৭ নং ওয়ার্ডের নিতাইগঞ্জ ঋষিপাড়া এলাকার হাকিম আব্দুল আজিজের ছেলে নাজমুল হাসান বারেক একজন চিহ্নিত মাদকসেবনকারী। রাতে হলেই তার বাসায় বসে মাদকের আসর। মাদক ব্যবসায়ী আর মাদক সেবনকারীদের এক অভয় অরন্য নাজমুল হাসান বারেকের বাড়ি। র্ঋষিপাড়ায় অবস্থিত পাচ তলা বিশিষ্ট বাড়িতে কেউই ভয়ে থাকতে চায় না। ভাড়াটিয়া আসলে তারাও ভয়ে চলে যায়। সারাদিন তো আছেই মাদক ব্যবসায়ীদের আনাগোনা। রাত হলে বেরে যায় আরো বেশী। আর দিনের বেশীর ভাগ সময়ই নেশায় অচেতন থাকেন নাজমুল হাসান বারেক। নেশাগ্রস্থ্যের কারনে অনেক সময় মানুষের সাথে কথাও বলতে পারেন না বারেক।
এদিক আরেক অভিযোগকারী ফতুল্লার উত্তর মাসদাইর কেতাব নগর এলাকার নজরুল ইসলামের ছেলে শরিফুল ইসলাম কুসুম। যিনি এক সময় কাউন্সিলর বাবুর ডিস ব্যবসার একজন সামান্য কর্মচারী ছিলেন। মাদক সেবন আর মাদক ব্যবসায়ের সাথে জড়িত থাকার কারনে চাকরী থেকে বরখাস্ত করেন আব্দুল করিম বাবু। কুসুমের মাদক ব্যবসায়ের বিষয়টি পুলিশ লাইনস এলাকায় খোজ নিলে সততা পাওয়া যাবে বলে জানায় সেলিম হোসেন। এই কুসুমও দিনের বেশীর ভাগ সময় মাদক সেবন করে নেশাগ্রস্থ থাকেন।
নেশাগ্রস্থ এই দুজনের অভিযোগ কতটুকু সত্য প্রশাসনকে যাচাই করে ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ জানিয়ে উপরোক্ত কথাগুলো বলেন সেলিম হোসেন। তিনি আরো বলেন, কুসুম আমার ভাই বাবুর একজন কর্মচারী ছিলেন। তাকে মাদক ব্যবসায় করার কারনে চাকরী থেকে বরখাস্ত করেছিলেন বাবু। সেই জন্যই ইর্ষান্বিত হয়ে আমার ভাইয়ের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেছেন।
