বিজয় বার্তা ২৪ ডট কম
ফতুল্লা মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মো. কামাল উদ্দিন বলেন, আমি তেল মেরে এবং অপরাধ ও অপরাধীর কাছে মাথা নত করে বাংলাদেশের কোথাও কোন থানায় চাকুরী করিনি। আমি যেখানেই চাকুরী করে আসছি এবং করি , সেই এলাকার মানুষের সেবা দেয়ার চেষ্টা করি। আমার দ্বারা কোন ভালো মানুষ নাজেহাল হবে আমি কখন চাইবোনা। আবার আমার কাছ থেকে অপরাধী তার সুবিধা ভোগ করবে এটা অসম্ভব কল্পনা ছাড়া আর কিছুই না। আমার চাকুরী জীবনে দারোগা থাকাকালনি সময় থেকে ওসি হবার পরেরও আমি বাংলাদেশের বড় বড় থানায় দাপটের সাথে দায়িত্ব নিয়ে জনগনের সেবা নিশ্চিত করে কাজ করে আসছি।তিনি আরো বলেন, আমার চাকুরী জীবনে বেশ কয়েকটি সরকার দেখেছি। অনেক অফিসার সরকার পরিবর্তন হলে চাকুরীর হাল চাল পরিবর্তন।আমার মধ্যে এমন অবস্থা ঘটেনি।আমি কোন রাজনৈতিক নেতাদের সাথে আজ্ঞাবহ না ।সুতরাং কোন সরকারের আমলেই আমি অতি উৎসাহিত নই।পুলিশি আইনকে মাথায় রেখে যে কাজে সরকারের ও জনগনের ক্ষতি সাধন হবে আমি, সেই কাজেই সরকারের পক্ষে প্রতিবাদ করে আসছি। পুলিশের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের ভালো কাজগুলো অনুসরন করে চলছি।আমি আমার ডির্পামেন্টসের নীতিরীতি মেনে চলি। আমি যে ভাবে উর্ধ্বতন র্কমকর্তার কান্ডের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হই তেমনি আমি আমার সহকর্মীদেরকে সেইভাবে চালানোর চেষ্টা করে আসছি।তিনি আরো বলেন, আমার বক্তব্যকে বিকৃতি করে কতিপয় কয়েকটি অনলাইন ও প্রিন্টমিডিয়ায় আমাকে নিয়ে মিথ্যা বানোয়াট তথ্যহীন সংবাদ হয়েছে ।আমি এই সংবাদের তীব্র নিন্দা জ্ঞাপন করছি।পৃথিবীর সকল রাষ্ট্রেই সাংবাদিক ভাইদের জাতির বিবেক মনে করেন। তাদের স্থান সবার উপরে।একজন সাংবাদিকের কলমের কালী শহীদের রক্তের চেয়েও পবিত্র।সুতরাং সেই কলমটি সঠিক জায়গায় প্রয়োগ করতে হবে।সমাজের আয়না হলো সংবাদপত্র কাজিই ভেবে চিন্তে লিখেতে হয় সংবাদটি। সুতরাং যারা উদ্দেশ্য প্রনিত ভাবে মানুষকে হেও প্রতিপন্ন করার জন্য লিখলে আল্লাহর কাছে তার জবাব দিতে হবে। যারা তদবীর করে সুবিধা না পায় তারাই মিথ্যা বানোয়াট গল্প সৃষ্টি করেন। তবে এর জবাব সৃষ্টি কর্তার কাছে অক্ষরে অক্ষরে দিতে হবে।
ফতুল্লাবাসীর মন্তব্য সাবেক ও‘সি জীবন কান্তি সরকারের মতো একজন ভালো দক্ষ কর্মঠ অফিসার ইনচার্জ হিসেবে কামাল উদ্দিনকে পেয়েছি । তার বিরুদ্ধে মিথ্যা অপপ্রচার চালাবে আমরা তা মেনে নিতে পারি না। তিনি তার কর্ম স্থল ফতুল্লা মডেল থানা হাল চিত্র পরিবেশ আগের তুলনায় যথেষ্ট সুন্দর ও চাকচিক্যময় করতে সক্ষম হয়েছে। থানার অডিটিরিয়ামে নামাজের ব্যবস্থা আছে। এবং প্রত্যেক তলায় সাউন্ড বক্স আছে । আজান দিলে বা ধর্মীয় বিষয় বয়ান করলে এই রোজার মাসে সবাই শুনতে পারেন থানায় যে যার কক্ষে বসে। তিনি তারাবিহ নামাজের জন্য আলাদা হাফেজ রেখেছেন তিনি নিজেও নামাজ পড়ায় এবং পড়েন।
