বিজয় বার্তা ২৪ ডট কম
হুজুরের কথা শোনা ফরয, কথা না শুনলে গুনাহ হবে, জাহান্নামে যাবে এমন ফতোয়া দিয়ে আখিরাতের ভয় দেখিয়ে গত তিন বছরে বিভিন্ন বয়সী ১১ জন ছাত্রীকে ধর্ষণ করেছে মুফতি মোস্তাফিজুর৷ ধর্ষণের পর হুজুরের সাথে শারিরীক সম্পর্ক স্থাপন করা জায়েজ এমন ভুয়া হাদিস বলে এবং ভয়ভীতির মাধ্যমে ছাত্রীদের চুপ করাতো সে৷ কেউ মুখ খোলার চেষ্টা করলে তাদের নানা অপবাদে মাদ্রাসা থেকে বের করে দিতো বড় হুজুর৷ একাধিক ছাত্রীকে ধর্ষণ ও যৌন নিপীড়নের অভিযোগে ফতুল্লার ভূইগড় এলাকার দারুল হুদা মহিলা মাদ্রাসার বড় হুজুর (অধ্যক্ষ) মুফতি মোস্তাফিজুর রহমানকে (২৯) গ্রেফতারের পর র্যাবের জিজ্ঞাসাবাদে বেরিয়ে এসেছে চাঞ্চল্যকর কিছু তথ্য। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ শেষে রোববার দুপুরে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানায় ব়্যাব৷ সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন র্যাব-১১ কমান্ডিং অফিসার লেঃ কর্ণেল কাজী শামসের উদ্দিন, র্যাব -১১ স্পেশাল ক্রাইম প্রিভেনশন কোম্পানির কমান্ডার মেজর তালুকদার নাজমুছ সাকিব, র্যাব-১১ অতিঃ পুলিশ সুপার জসিমউদ্দিন পিপিএম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আলেপ উদ্দিন পিপিএম। এর আগে গত শনিবার দুপুরে ছাত্রীদের অভিযোগের প্রেক্ষিতে প্রতিষ্ঠানটিতে অভিযান চালায় র্যাব। পরে প্রতিষ্ঠানটির প্রতিষ্ঠাতা ও বড় হুজুর মোস্তাফিজুর রহমানকে গ্রেফতার করা হয়। এ ব্যাপারে ফতুল্লা মডেল থানায় ভুক্তভোগীর পরিবার বাদী হয়ে নারী ও শিশু নির্যাতন আইনে ধর্ষন মামলা দায়ের করেন।
