স্টাফ রিপোর্টার,বিজয় বার্তা ২৪
স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিমের বাসার সামনে অন্দোলনরত নার্সদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ হয়েছে। এতে কমপক্ষে ৫০ জন আহত হয়েছেন। পুলিশের লাঠির আঘাতে সালমা আক্তার (২৭) নামে তিন মাসের গর্ভবতী নার্সের সন্তানের মৃত্যু হয়। মুমূর্ষু অবস্থায় তাকে সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
বুধবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।
ধানমন্ডি থানার অফিসার ইনচার্জ নূরে আজম মিয়া ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে জানান, পরিস্থিতি এখন পুলিশের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ধানমন্ডি-৩২ নম্বরে স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিমের বাসভনের সামনে বিক্ষোভ করে বেকার নার্সরা। এ সময় পুলিশের সঙ্গে বেকার নার্সদের ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া হয়। এক পর্যায়ে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
বুধবার বিকাল সাড়ে ৫টার দিকে নার্সরা স্বাস্থ্যমন্ত্রীর বাসার সামনে যায়। এ সময় তাদের সঙ্গে পুলিশের ধাক্কাধাক্কি হয়। এরপর তার বাসার সামনে অবস্থান করতে থাকে নার্সরা। রাত সাড়ে ৮টার দিকে পুলিশ তাদের ওপর জলকামান নিক্ষেপ করে ও লাঠিচার্জ করে। নার্সরাও পুলিশকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল ছোড়ে।
বাংলাদেশ বেসিক গ্রাজুয়েট নার্সেস সোসাইটির সভাপতি রাজীব কুমার বিশ্বাস জানান, পুলিশের লাঠিচার্জে অনেকে আহত হয়। তার মধ্যে একজন গর্ভবতী রয়েছেন। তার অবস্থা গুরুত্বর বলে জানান রাজীব।
আন্দোলনকারী নার্স সীমু ফারহা বলেন, শুধু পুলিশ তাদের ওপর হামলা চালায়নি। পুলিশের সঙ্গে স্বাস্থ্যমন্ত্রীর লোকজনও তাদের ওপর হামলা চালায়।
তিনি বলেন, ব্যাচ, মেধা ও জ্যেষ্ঠতার ভিত্তিতে নিয়োগের দাবিতে দীর্ঘদিন আন্দোলন করে আসছেন তারা। স্বাস্থ্যমন্ত্রী তাদের দাবির বাস্তবায়নের প্রতিশ্রুতি দেন। কিন্তু পরে এ বিষয়ে কোনো অগ্রগতি হয়নি। প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করিয়ে দেওয়ার কথা বলেও দেননি। তাই তারা স্বাস্থ্যমন্ত্রীর বাসার সামনে অবস্থান কর্মসূচিতে যান।