বিজয় বার্তা ২৪ ডট কম
ফতুল্লায় পূর্ব শত্রুতার জের ধরে সানোয়ার বেগমের বাড়িতে হামলা চালিয়েছে সাগর ও তার স্ত্রী রাশেদা। এমময় সানোয়ারা বেগমের মেয়ে চম্পাকে কুপিয়ে জখম করে রাশেদা। গত শুক্রবার রাত ১০ টায় ফতুল্লার দাপা ইদ্রাকপুর রেল স্টেশন উকিল বাড়ির মোর এলাকায় এই ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় আহত চম্পা মুমূর্ষ অবস্থায় চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
হামলা ও কুপিয়ে জখমের ঘটনায় সানোয়ারা বেগম বাদি হয়ে ফতুল্লা মডেল থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।
অভিযোগ উল্লখ্য করা হয় যে, সাগর খান ও উক্ত এলাকার চান মিয়ার মেয়ে সানোয়ারা বেগম পাশাপাশি বাড়িতে বসবাস করেন। ১৩ ডিসেম্বর পূর্ব শত্রুতার জের ধরে সাগর খান ও তার স্ত্রী রাশেদা বেগম, সিরাজুলের স্ত্রী মনোয়ারা বেগম সহ আরো কয়েকজন মলে দেশীয় অস্ত্র সস্ত্র নিয়ে সানোয়ারা বেগমের বাড়িতে হামলা চালায়। বাড়িতে ঢুকে তারা সবাইকে গালিগালাজ ও মারধর করতে থাকে। এমন সময় সানোয়ারা বেগমের মেয়ে সুরাইয়া আক্তার চম্পা বাঁধা দিলে রাশেদা বেগম তাকে হত্যার উদ্দ্যেশে মাথায় কুপ মারতে গেলে চম্পা বাম হাত দিয়ে ঠেকালে তার হাতে কুপ লাগে। রাশেদা ও সাগর সহ সহযোগীতার মিলে চম্পাকে কিল ঘুষি ও এলোপাতারিভাবে মারধর করতে থাকে। এমন সময় সানোয়ারা তার মেয়েকে বাঁচাতে গেলে তাকেও সাগর খান ও তার সাথে থাকা লোকজন এলোপাতারি মারধর করতে । সানোয়ারা ও তার মেয়ের ডাক চিৎকারে আশেপাশের লোকজন এগিয়ে আসলে সাগর ও তার লোকজন যাওয়ার সময় প্রান নাশের হুমকি প্রদান করে যায়। পরে আশেপাশের লোকজনের সহযোগীতায় চম্পা ও সানোয়ারকে ভিক্টোরিয়া হাসপাতালে এনে চিকিৎসা দেওয়া হয়। চম্পার হাতে নয়টি সেলাই করা হয়। সে এখন মূমূর্ষ অবস্থায় চিকিৎসাধীণ রয়েছে।
এ ব্যাপারে সানোয়ারা বেগমের পরিবার ফতুল্লা মডেল থানা পুলিশ ও জেলা পুলিশের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
এদিকে হামলাকারীদের অভিযোগ থেকে বাঁচাতে ফতুল্লার তাতীদলের এক নেতাকে দৌড়ঝাপ দিচ্ছে বলে জানা গেছে। সে বিভিন্ন জায়গায় তদবির করছে বলে জানায় ভুক্তভোগীরা।
এ বিষয়ে ঘটনাস্থলে তদন্ত যাওয়া ফতুল্লা মডেল থানা এসআই মিজান জানান, এ ব্যাপারে ওসি স্যার উভয় পক্ষকে ডাকছেন। বিষয়টি মীমাংসা না হলে মামলা নেওয়া হবে।

