বিজয় বার্তা ২৪ ডট কম
একটি চাঁদাবাজি মামলায় ডিবির হাতে আটককৃত ১৭ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর আব্দুল করিম বাবু ওরফে ডিস বাবুকে আদালতে পাঠানো হয়। পরে আদালত তাকে বিকেলে জেলা কারাগারে প্রেরণ করেন।
বিষয়টি নিশ্চিত করে ডিবির ইন্সপেক্টর এনামুল হক জানান, বন্দর থানায় কাউছার নামে এক ডিস ব্যবসায়ীর দায়ের করা ১০ লাখ টাকার চাঁদা বাজি মামলায় ডিস বাবুকে আটক করা হয়েছে। আটককৃত ডিস বাবুকে নিয়ে মামলার বাকি আসামীদের আটক করতে অভিযান অব্যাহত থাকবে।
এদিকে জেলা পুলিশ সুপারের কার্যালয় থেকে এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, বন্দর থানার চাঁদাবাজি মামলায় আটককৃত আসামী দেলু ও ঝন্টুর ১৬৪ ধারায় বিজ্ঞ আদালতে আব্দুল করিম বাবুর জড়িত থাকার বিষয়টি জবানবন্দি দেয়। তাদের জবানবন্দির প্রেক্ষিতে বৃহষ্পতিবার বিকেলে শহরের পাইকপাড়া এলাকা থেকে কাউন্সিলর বাবুকে ডিবি পুলিশ আটক করে।
এর আগে মামলার বাদী মদনগঞ্জ উত্তর পাড়া এলাকার মৃত হেলাল উদ্দিনের ছেলে মো. কাউসার এজাহারে উল্লেখ করেন, আসামী আব্দুল করিম বাবু (ডিস বাবু) (৫০), দীর্ঘদিন নারায়ণগঞ্জ শহরে কেবল নেটওয়ার্কের ব্যবসা করে আসছে। বিবাদী জোরপূর্বক বন্দরে তাহার লোকজন দিয়া কেবল নেটওয়ার্কের ব্যবসা পরিচালনার চেষ্টা করি এবং বিভিন্ন জায়গায় কেবল নেটওয়ার্কের তার কেটে ফেলে। এছাড়া নিজেস্ব নেটওয়ার্ক লাইন সংযোগ দেওয়ার চেষ্টা করে। উক্ত ঘটনাকে কেন্দ্র করে বন্দর কেবল নেটওয়ার্কের সত্ত্বাধিকারী পারভেজ আলম ও মো. সাইফুল ইসলাম (শ্যামল) এর সাথে উক্ত বিবাদীর দীর্ঘদিন যাবত বিরোধ চলছে। নেটওয়ার্কের ব্যবসার জন্য এলাকার দখল ও আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করিয়া বন্দর কেবল নেটওয়ার্কের মালিকের নিকট ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে।
এরই জেরে গত ১৭ এপ্রিল বিকেল সাড়ে ৩টায় বন্দর থানাধীন ফরাজিকান্দা বাজারের রিতুর বাড়ির সামনের নেটওয়ার্কের মেরামত কাজ করা কালে আসামী বাবুর প্ররোচনায়, সহযোগীতায় ও নির্দেশে আহসান উল্লাহর ছেলে মো. সজিব (৩৫), আমিন উদ্দিনের ছেলে মো. রিতু (৩২), সামছুল আলমের ছেলে মো. রনি (৩৪), নাজিম উদ্দিনের ছেলে মো. জুম্মাল (৩৪), খোকনের ছেলে মো. নিজুম, আহসান উল্লাহ ছেলে মো. রানাসহ আরো অজ্ঞাত নামা ৪/৫ জন বিবাদী লাঠি-সোঠা ও দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়া বেআইনী জনতাবন্ধে পথরোধ করিয়া এলোপাথারী ভাবে মারপিট করে এবং নগদ ১০ হাজার ৫‘শ টাকা ও দেড় লাখ টাকা মূল্যের একটি ফাইভার মেশিন এবং বিভিন্ন যন্ত্রপাতি ও একটি মই মূলা ৪টাকা নিয়া যায়।
এছাড়াও কাউন্সিলর আব্দুল করিম বাবুর বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে।

