বিজয় বার্তা ২৪ ডট কম
আত্মঅহমিকা দম্ভ ও দাম্ভিকতায় নিছক ঘটনাকে কেন্দ্র করে তল্লা ছোট মসজিদ এলাকায় জনে জনে আজ সম্পর্কের টানাপোড়ান। আত্নীয়তার সম্পর্ককে পুজি করে একটি কুচক্রী মহল ঘোলাজলে মাছ শিকারের চেষ্টায় লিপ্ত, এ যেন মিথ্যে মরিচিকার পিছনে ছুটা ।
ঘটনাসূত্রে জানাযায়, গত ১৮ নভেম্বর নগর খানপুর এলাকায় মন্জু সর্দারের বাড়ীতে এক অনাড়ম্বর ভোজ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। দুপুরের খাবারে শত মেহমানের উপস্হিতি। হাজীগন্জ ১১নং ওয়ার্ড ও আশপাশের গন্যমান্য ব্যক্তিদের পদভারে মূখরিত, এ যেন এক মিলনমেলা। অনুষ্ঠানের বিশেষ আকর্ষন ছিলো মডেল ডি গ্রুপের ব্যাবস্হাপনা পরিচালক মাসুদুজ্জামান মাসুদ। বিশ্বস্তসূত্রে জানা যায়, অনুষ্ঠানটি ছিলো আগামীদিনের এক নববার্তার পূর্বঘোষনা। অনুষ্ঠানে আগত অনেকেরই বুঝতে অসুবিধা হয়নি আগামী কাউন্সিলার নির্বাচনে মন্জু সর্দারের অংশগ্রহনের পূর্ববার্তা বহন করছে এই অনুষ্ঠানটি। যদিও সেখানে কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষনা ছিলোনা।
অনুষ্ঠানে আগত একজনের ভাষ্যমতে, অনুষ্ঠানের শেষ পর্যায়ে আগত মেহমান চলে যাচ্ছে এমনি সময় তল্লা ছোট মসজিদ এলাকায় ঘটে যায় একটি সুপরিকল্পিত মারামারি ও সংঘাতের ঘটনা। এলাকাবাসি জানায়, সামান্য ঘটনাকে সংঘাতের পর্যায়ে পৌছাতে পর্দার অন্তরালে থেকে গুটি চালা হয়। আপন ভাতিজার কূটচালের কাছে হেরে যায় চাচা।
এ যেনো বিলাসী সপ্ন ও লালসার নগ্ন আক্রোশ, যা এলাকাবাসি সেদিন স্বচক্ষে প্রত্যক্ষ করলো। ঘটনারদিন তল্লা ছোট মসজিদ এলাকার মনির হোসেন সর্দারের ভাগীনা রিপন তার বোনকে নিউক্লিয়াস স্কুলে আনতে যাচ্ছিলো, এমনি সময় তল্লা ছোট মসজিদ এলাকায় উক্ত এলাকার মোফাজ্জলের ছেলে মুন্নার সাথে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে বাকবিতন্ডার ঘটনা ঘটে। মনির হোসেন সর্দারের ভাগিনা সাথে সাথে বিষয়টা সমাধানের জন্য ওয়ার্ড কমিশনারের পুত্র বাবুকে অবগত করে বলে প্রত্যক্ষদর্শী জানায়। জানামতে, রীপন কমিশনার পুত্র বাবুর একান্ত আপন ও আস্হাভাজন সংগী। মোফাজ্জলের আরেক ছেলে মিশু কমিশনার পুত্র বাবুর সাথে তখন একটেবিলে মন্জু সর্দারের প্রিতিভোজে খাবার খাচ্ছিলো। বাবু মারফত মিশু সংবাদটি শুনতেই ক্ষুব্ধ আক্রমনাত্মক হয়ে নগর থেকে ধারালো চাকু সহ তল্লা ছোট মসজিদে ছুটে আসে। এতে স্বাভাবিক পরিস্হিতি আকস্মিকভাবে সংঘাতময় হয়ে উঠে। তথ্যমতে, কমিশনার পুত্র বাবু ইচ্ছাকৃতভাবে নিজেকে আড়াল রেখে পরিস্হিতি সংঘাত ও মামলার পর্যায়ে নিয়ে যায় বলে এলাকাবাসি অভিমত ও বিস্ময় প্রকাশ করে। উদ্দেশ্য, মন্জু সর্দারকে আগামী নির্বাচনের পথে পারিবারিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করা ও রীপনের পরিবার তথা মনির হোসেন সর্দারের সাথে হোসেন সর্দার পরিবারের দূরত্ব তৈরী করে আলীনূর সর্দারের ছেলে মাসুদুজ্জামানের বৈরিতা তৈরি করা। সেই সূযোগ কাজে লাগিয়ে ঝন্টু কমিশনার পুত্র বাবুর নির্বাচনি মিশন পূর্ন করা।
এলাকাবাসি জানায়, ঝন্টু কমিশনারের খায়েশ আগামীতে তার ছেলে কাউন্সিলার প্রার্থী হোক। সেকথা জনসম্মুখে ঘোষনাও দিয়েছেন বলে জানা যায়। সমস্ত এলাকাজুড়ে মাসুদুজ্জামান মাসুদের ব্যাপক জনপ্রিয়তাই যেন আজ তার চাচাদের ঈর্ষার কারন হয়ে দাড়িয়েছে। অনুসন্ধানে জানা যায়,মাসুদুজ্জামান মাসুদ গোটা ১১ নং ওয়ার্ড ও আশপাশে তার বিস্বস্হ্য লোক মারফত সামাজিক বিভিন্ন সেবামূলক কর্মকান্ড পরিচালনা করে থাকেন। তারা হলেন, নগর এলাকার মুকুল,বাবু,নিমাই,। খানপুর সর্দার পাড়া জসিম,ঈসা,নিজাম,।পোলষ্টারের কামরুজ্জামান ও আসাদ,।তল্লা ছোট মসজিদের মনির সরদার,দিপু,কামাল,শাহাদাৎ। কিল্লার পুলে ফারুক ও নাসিম। এম সার্কেস এ স্বপন খন্দকার,লীমন, বদরুল ওয়াটার ওয়াকার্সে রুমেল ও মিঠু। সার্বিক কাজ পর্যবেক্ষন করেন সারোয়ার মুজাহিদ মুকুল ও মনির হোসেন সর্দার।কিন্তু মাসুদুজ্জামানের এই ব্যাপক সামাজিক কাজের সুফল তার চাচারা ভোগ করলেও তারা কখনো মাসুদুজ্জামানের ভূমিকা স্বীকার না করে বরং তার নাম প্রচার বিমুখ করে রাখেন। এমনকি ঝন্টু কমিশনার তার পুত্র বাবুকে মাসুদের ভূমিকায় দেখতে চান এমনি কথাআমাদের জানান তল্লা এলাকার এক প্রবীন মুক্তিযোদ্ধা।
অনুসন্ধানে আরো জানা যায় কমিশনার পুএ ও তার চাচাদের সহযোগিতায় ঘটনারদিন মামলায় ৬ জনকে আসামী করে মামলা করার পরিকল্পনা করেন যার বাদী মুন্না কিন্তু পরর্বতী হোসেন সর্দার পরিবারের ঘরোয়া বৈঠকে সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করে শমসের সর্দারের চাচাতো ভাই মানিক মোহরির সহযোগিতায় আইনজীবি রানার মাধ্যমে নতুন ভাবে মিথ্যা ভীক্তিহীন সাজানো ঘটনা দিয়ে ৯জনকে আসামী করে এ মামলাটি করে থাকেন যার মধ্যে মনির সর্দার কে অন্তরভূক্ত করা হয় সুপরিকল্পিত ভাবে।
সমাজ সেবক ধর্মপ্রান মনির হোসেন সর্দারকে মামলায় আসামি করায় তল্লা সহ আশ পাসের এলাকায় সর্দার পরিবারের এ কর্মকান্ডে নিন্দা ও সমালোচনার ঝড় বইছে।মনির সর্দারের ব্যাপারে খোজ নিয়ে জানা যায় সে হোসেন সর্দার পরিবারের একনিষ্ঠ আস্হা ভাজন লোক।শমসের সর্দারের সাথে তার আন্তরিক সম্পর্ক এলাকার সবার জানা। ১৯৮৬/৮৭ সালে তল্লা পূর্ব ও পশ্চিম এলাকার মধ্যকার এক ঝামেলায় মনির হোসেন সর্দার শমসের সর্দারের অন্তরঙ্গ কাছের লোক ছিলেন।পরিবারের একজন নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক তিনি বলেন মনির হোসেন সর্দার সবসময়ই তাদের পরিবারের কাছের লোক,বিশেষ করে মাসুদ সাহেবের লোক কিন্তু তাকে মামলা দেয়া হাস্যকর ও বোকামি। কি কারনে এ মামলা প্রয়োজন হলো তা আমার বোধগম্য নয়। মনির হোসেন সর্দারের পরিরারতো তাদেরই পরিবার।
আরো জানা যায় মামলার জের ধরে গত ২০নভেম্বর রাত আনুমানিক ১০ঘটিকার সময় ঝন্টু কমিশনার মনির সর্দারের ভাগিনা রনি,রিপন কে খোজার অজুহাতে দু জন মাদকসেবিকে পুলিশের উপস্হিতিতে আটক করে। আটককৃত মাদকসেবি দুজনকে আবার নিজেই সুপারিস করে ছেড়ে দেন। তার এ আচরনে এলাকাবাসি অনেকেই হতবাক কেননা যেখানে বর্তমানে প্রশাসন মাদক বিরোধী অভিযানে মাদকসেবী ও মাদকবিক্রেতাকে আটক করছে সেখানে একজন কাউন্সিলার হয়ে কিভাবে এ কাজ করলো তা এলাকাবসীর বোধগম্য নয়।
তল্লা হোসেন সর্দারের পারিবারিক এই দন্ধ ও কুটকৌশলে আজ এই পরিবারের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন হওয়ার পথে। মামলার ঘটনাকে কেন্দ্রকরে তল্লা সহ আশপাশের এলাকাজুড়ে নিন্দা ও গুন্জন। এমনি সংঘাতময় পরিস্হতিতে এলাকাবাসি নতুন সংঘাতের আশংকায় সংকিত। এই পারিবারিক দন্ধের আশু সমাধান চায় এলাকাবাসি ও সুধিমহল।

