বিজয় বার্তা ২৪ ডট কম
নারায়ণগঞ্জের বন্দরে পুলিশ ও জনপ্রতিনিধির সহযোগিতায় সম্পন্ন হলো ৭ম শ্রেণীতে পড়–য়া এক স্কুলছাত্রীর বিয়ে। আশ্চর্যজনক এ ঘটনার বর্হিঃপ্রকাশ ঘটে শুক্রবার বিকেলে থানার চিনারদী এলাকায়। পুলিশ ও জনপ্রতিনিধিদের সহযোগিতায় বাল্যবিয়ের এ ঘটনাটি সর্বত্রই আলোচনা-সমালোচনার ঝড় তোলে। তথ্য সূত্রে জানা যায়,বন্দর থানাধীন বন্দর ইউনিয়নের চিনারদী গ্রামের নূর আলম মিয়ার কিশোরী কন্যা স্থানীয় মীরকুন্ডি উচ্চ বিদ্যালয়ের ৭ম শ্রেণীতে পড়–য়া ছাত্রী (১৩)কে তার পরিবারের সদস্যরা পার্শ্ববর্তী মুসাপুর ইউনিয়নের আবদুর রহমানের ছেলে মাসুদুর রহমানের সঙ্গে ১৭ নভেম্বর বিয়ের দিন ধার্য্য করে। বিষয়টি স্থানীয় ওয়ার্ড মেম্বার মিজানুর রহমানের নেপথ্য মদদে চুড়ান্ত করা হয়। মেম্বার মিজানুর রহমান নিজ দায়িত্বে ১৩ বছরের কিশোরীর বয়সের সার্টিফিকেট ১৮ বছর লিপিবদ্ধ করে। খবর পেয়ে বিয়ের দিন বন্দর থানার সহকারি দারোগা ইলিয়াস হোসেন সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে বিয়ে বাড়িতে উপস্থিত হয়ে বাধা দিলেও মাত্র ২০ হাজার টাকা উৎকোচের বিনিময়ে বিয়ের অনুষ্ঠান চালু রাখার অনুমুতি প্রদান করে। বন্দর উপজেলা নির্বাহী অফিসার পিন্টু বেপারীর সঙ্গে মুঠোফোনে আলাপকালে তিি জানান,বাল্যবিবাহের বিষয়টি আমি জানি তবে তারা নাকি ২দিন আগেই বিয়ের কাজ সেরে ফেলেছে এবং কণের ১৮ বছরের বয়সী সনদ দাখিল করেছে বলে সে জানায়। তবে তা বিদ্যালয়ে গিয়ে জানা যায় ভিন্ন কথা সেখানকার জনৈক শিক্ষক জানান তার বয়স সর্বোচ্চ ১৬ বছর হবে। এ ব্যাপারে বন্দর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হাজী এহসানউদ্দিন আহমেদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন,আমি বিষয়টি জানিনা তবে এইরকম ঘটনা হলে তদন্তপূর্বক এর ব্যবস্থা নেয়া হবে।
