বিজয় বার্তা ২৪ ডট কম
মুক্তিযোদ্ধের অন্যতম সংগঠক একেএম শামসোজ্জাহা ও ভাষা সৈনিক নাগিনা জোহার সুযোগ্য নাতি একে এম আজমেরী ওসমানের ও ওসমান পরিবারের তীল তীল করে গড়া সুনাম নষ্ট করতে সন্ত্রাসী ফুডল্যান্ডের হাবিবই যথেষ্ট। আজমেরী ওসমানের নাম ভাঙ্গিয়ে দিন দুপুরে চলছে হাবিবের চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসী কার্যকলাপ। চারবারের নির্বাচিত সাংসদ ও জননেতা প্রয়াত একে এম নাসিমের ওসমানের একমাত্র পুত্র আজমেরী ওসমান। তার বাবা বঙ্গবন্ধুর হত্যার বিচারের দাবিতে বাসর ঘরে তার মা পারভিন ওসমানকে রেখে সংগ্রামে ঝাপিয়ে পরেছিলেন। নাসিম ওসমান সব সময় নারায়ণগঞ্জের উন্নয়নের কথা ভাবতেন। গরিব দুঃখী মানুষের পাশে থেকে তিনি রাজনীতি করতেন। তার রাজনৈতিক জীবনে অনেক আত্মত্যাগ রয়েছে। নারায়ণগঞ্জের সাধারণ মানুষ নাসিম ওসমানের কাছে সমস্যা নিয়ে আসলে খালি হাতে ফিরতেন না। তারই সুযোগ্য ছেলে আজমেরী ওসমান। যিনি নারায়ণগঞ্জবাসীর শেষ আশ্রয়স্থল। যাকে তার বাবার মতই মানুষ ভালবাসে। আজমেরী ওসমানের কাছে তার বাবার অনুসারীদের ও সাধারণ মানুষদের কাছে আসতে দেন না এই সন্ত্রাসী হাবিবরা। এরা আজমেরী ওসমানের নাম ভাঙ্গিয়ে নানা সন্ত্রাসী কর্মকান্ড চালায়। আজমেরী ওসমানের নামে মানুষের মাঝে ভয়ের সৃষ্টি করে রাখে তারা। পাইকপাড়া এলাকার মৃত নুরুল্লা মিয়ার ছেলে সন্ত্রাসী হাবিব একের পর এক সন্ত্রাসী কর্মকান্ড করেই চলেছে। এ যেন সন্ত্রাসী কর্মকান্ডের মহা উৎসবে মেতে উঠেছে হাবিব। ২নং রেল গেইটের পর থেকে ফুডল্যান্ডের হাবিবকে চাঁদা না দিয়ে কোন ব্যবসা করা যাবে না বলে এই হাবিব প্রায়ই জোর গলায় বলে থাকে বলে জানায় কয়েকজন নাগরিক। তার কথা মত চাঁদা না আসলে মানুষকে মারধর করে সে। এমন হাজারো সন্ত্রাসী কার্যকলাপের ঘটনার মধ্যে সম্প্রতি দুটি ঘটনা সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে। যা শহরের ফলপট্টিস্থ রহমান ট্রেডার্স নামে একটি প্রতিষ্ঠানে ১০/১২ জন সন্ত্রাসী দল নিয়ে তিন লাখ ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটায় হাবিব। এসময় হাবিব প্রতিষ্ঠানে থাকা তিনজন কর্মকর্তাকে মারধর করে। পরে ঘটনায় আহত জিয়াউদ্দিন বাদী হয়ে সদর মডেল থানায় হাবিবসহ ১০/১২ জনের নামে একটি মামলা দায়ের করেন। এদিকে পুলিশ এ ঘটনায় এখনো ছিনতাইয়ের মূলহোতা হাবিবকে গ্রেফতার করতে পারেনি। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা আজগর আলী জানান, আসামীদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে। অচিরেই তাদের গ্রেফতার করা হবে। মামলার বাদী জিয়াউদ্দিন জানান, মামলা করার পর থেকে হাবিব বিষয়টি রফা দফা করার জন্য টেলিফোনে প্রস্তাব দিচ্ছে। ক্যাশ লুট করার সময় হাবিব বলেছিল আমরা আজমেরী ওসমানের লোক। তিনি আরো জানান, টেলিফোনে মীমাংশা করতেও আমাদের হুমকি দিচ্ছে। এদিকে একমাস আগে নিতাইগঞ্জ অটো স্টান্ড দখল করতে চাঁদা দাবি করে হামলা চালায় ফুডল্যান্ডের মালিক এই সন্ত্রাসী হাবিব। এতে কয়েকজন অটো চালক তার মারধরের শিকার হয়। এই ঘটনায় ১৮ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর কবির হোসেনের সাথে সন্ত্রাসী হাবিবের দ্ধন্দের সৃষ্টি হয়। বিষয়টি কাউন্সিলর কবির মীমাংশা করতে আসলে তাকে প্রাননাশের হুমকি দেয় হাবিব। পরে ১৭ নং কাউন্সিলর আব্দুল করিম বাবুর সহযোগীতায় সন্ত্রাসী হাবিব নিতাইগঞ্জে অটো স্টান্ড দখলের বিষয়টি কাউন্সিলর কবির কাছে মাফ চেয়ে সমাঝোতা করেন। কাউন্সিলর বাবুর সাথে সন্ত্রাসী হাবিবের রয়েছে গভীর সখ্যতা। অনুষ্ঠিতব্য নাসিক নির্বাচনে হাবিব কাউন্সিলর প্রার্থী হওয়ার ঘোষনা দিলেও কাউন্সিলর বাবু তার সাথে গভীর সখ্যতা তৈরি করে হাবিবকে নির্বাচনকে করতে দেইনি। তারপর থেকে হাবিবের সব অপকর্মের সহযোগীতায় এগিয়ে আসে আব্দুল করিম বাবু। এছাড়াও হাবিব আজমেরী ওনমানের নাম ভাঙ্গিয়ে এখনো সন্ত্রাসী কর্মকান্ড চালাচ্ছে হাবিব।
নাসিম ওসমানের অনুসারীদের সাথে আলাপকালে জানা যায়, আমাদের জননেতা প্রয়াত নাসিম ওসমান আজ আমাদের মাঝে নেই। তিনি ছিলেন জনদরদী। তিনি আমাদের দুঃখ কষ্ট বুঝতেন। তারই সুযোগ্য ছেলে আলহাজ¦ নাসিম ওসমান। যিনি আমাদের শেষ আশ্রয়স্থল। তার নাম ভাঙ্গিয়ে এমন সন্ত্রাসী কর্মকান্ড আমরা মেনে নিতে পারি না। আমাদের নেতা নাসিম ওসমান ও ওসমানের পরিবারের সুনাম একদিনে তৈরি হয়নি। অনেক আত্মত্যাগের বিনিময়ে তাদের সুনাম সৃষ্টি হয়েছে। আজমেরী ওসমানকে আমরা তার বাবার মত আমাদের দুঃখে কষ্টে পাশে চাই।
