বিজয় বার্তা ২৪ ডট কম
নারায়ণগঞ্জের বন্দরে ডিস ব্যবসায়ীর মৃত্যু নিয়ে ধুম্রজাল সৃস্টি হয়েছে। সোমবার রাতে হোন্ডা দুর্ঘটনায় মৃত্যুর কারণ হিসেবে এলাকায় প্রচার পেলেও নিহতের পরিবারের দাবি তাকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে। চাঞ্চল্যকর এ ঘটনার বর্হি:প্রকাশ ঘটে গকুলদাসেরবাগ এলাকায়। নিহতের নাম নূর হোসেন ওরফে ডিস নূরু। ডিস নূরুল পরিবারেরর পক্ষ থেকে জানানো হয়, গকুলদাসেরবাগ এলাকার মিছির আলীর ছেলে নূর হোসেন দীর্ঘ দিন ধরে এলাকায় স্যাটেলাইটের ডিস ব্যবসা চালিয়ে আসছে। সম্প্রতি নূর হোসেনের সঙ্গে পাশ্ববর্তী চাপাতলী এলাকার অপরাপর ডিস ব্যবসায়ী শেখ সাদীর বিরোধ হয়। এরই মধ্যে নূর হোসেনকে ফুসলিয়ে শেখ সাদীর বন্ধু কুঁড়িপাড়া এলাকার তুহিন নূর হোসেনের কাছ থেকে কিছু সংযোগ নিয়ে ব্যবসা করে। এত করে উভয়ের মধ্যে বন্ধুত্ব গড়ে ওঠে। সোমবার সন্ধায় তুহিন ডিস ণূর হোসেনকে মদনপুর আন্দিরপাড়ের শাইরা গার্ডেনে ঘুরতে নিয়ে যায়। সেখান থেকে ঘোরাঘুরি শেষে ডিনার করে মোটর সাইকেলযোগে বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা হয়। মোটর সাইকেলটি শাইরা গার্ডেনের শাখা রোড অতিক্রম করে এশিয়ান হাইওয়ে সড়কে ওঠামাত্র পিছন থেকে আড়াইহাজার থেকে আসা ঢাকাগামী (ভোলা ঢ- ৪১-০০০১ নম্বরের)একটি ট্যাংকলড়ী আচমকা চাপা দেয়। এ সময় উপস্থিত লোকজন ট্যাংকলড়ীটি আটক করলেও চালক-হেলপার চম্পট দেয়। অন্যদিকে নূর হোসেন ও তুহিনকে স্থানীয় আল বারাকাহ হাসপাতালে নিয়ে গেলে সেখানে তাদের অবস্থা বেগতিক বুঝে ঢাকা মেডিকেল হাসপাতালে নেয়ার পথে নূর হোসেন মারা যায়। পরে তুহিনকে সেখান থেকে পঙ্গু হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসার পর আইসিইউতে নিয়ে যায়। এদিকে নূর হোসেনের মৃত্যুর পর তার পরিবারের লোকজনের মাঝে ক্ষোভের সঞ্চার করে। তার লাশ এলাকায় আসার পর এলাকাবাসী নূর হোসেনকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে বলে বিক্ষোভসহ মদনগঞ্জ-টু মদনপুর সড়ক অবরোধ করে। এ সময় প্রায় ঘন্টাখানেক যান চলাচাল বন্ধ থকে। পরে পুলিশী হস্তক্ষেপে তা নিয়ন্ত্রণে আসে। রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত থানায় কোন মামলা দায়ের হয়নি।

