বিজয় বার্তা ২৪ ডট কম
আমাদের আশা আকাংখার শেষ আশ্রয়স্থল,
১৬ কোটি মানুষের নেত্রী,আমাদের ”মা”
দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া,
মা আপনার সদয় বিবেচনার জন্য নিন্মোক্ত বিষয় গুলো সংবাদপত্রের মাধ্যমে তুলে ধরলাম।ভুল বেয়াদপী ক্ষমা করবেন।
রাজপথের নেতাকর্মী,মামলা খাওয়া,জেল খাটা,২০০৭ থেকে ২০১৬ পর্যন্ত রাজপথে থেকে রাজনীতি করতে গিয়ে হামলা মামলায় জজ্জরিত হয়ে পরিবার থেকে শুরু করে ব্যাবসা বানিজ্য ধংস হয়ে যাওয়া নেতাকর্মীদের বাদ দিয়ে পা চাটা ২০০-৩০০ অনুগত অরাজনৈতিক আজ্ঞাবহদের নিয়ে তথাকথিত কর্মী সভা করে দলের কি লাভ হচ্ছে তা ভেবে দেখা দরকার।আর এসব তথাকথিত কর্মী সভায় হাতাহাতি ও হট্রগোলের মধ্যে কেন্দ্রীয় নেতাদের ৫-১০ মিনিটের বক্তব্যে কারা কতটুকু উজ্জীবিত হচ্ছে?বা দলেরই বা কতটুকু উপকার হচ্ছে তা ভেবে দেখা দরকার বলে একজন তৃণমূল কর্মী হিসাবে দলীয় হাইকমান্ডের কাছে জানতে চাই। যদি কর্মী সভাই হবে তবে সদ্য সাবেক সভাপতিকে ও অন্যান্য নেতৃবৃন্দকে কেন দাওয়াত করা হবে না। এটা কোন দেশের সাংগঠনিক রীতি??বর্তমান সভাপতি কি কখনো সাবেক হবেন না???
কি উদ্দেশে ও কেন পরিকপ্লিত ভাবে রাজপথের তৃণমূল নেতাকর্মীদের বাদ দিয়ে বানর নাচের আয়োজন করা হচ্ছে তা কি দলের হাইকমান্ড ভেবে দেখেছেন?
নিজেদের সুবিধার জন্য শহরের রাজনৈতিক মাঠ ছেড়ে গ্রামে গিয়ে কর্মী সভা করে কি প্রমান করতে চান তথাকথিত বিশাল নেতারা?সাহস থাকলে শহরের কোথাও মহানগরের কর্মী সভা দেন।দেখি কত বড় আপনাদেও বুকের পাটা???কালাম সাহেব আন্দোলন সংগ্রামে থাকবেন না,শুধু সময় মত পদ নিবেন এটা কি দলের জন্য ভাল লক্ষন??
আমরা শহীদ জিয়ার আদর্শে অনুপ্রানিত হয়ে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া ও তারুণ্যেও অহংকার তারেক রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদকে সামনে নিয়ে গনতন্ত্র রক্ষার যে আন্দোলনে ঝাপিয়ে পরেছিলাম তা ভুলুন্ঠিত করার জন্যই সরকারী দলের এজেন্ডা বাস্তবায়নের জন্য নারায়নগন্জ্ঞ সহ সারা দেশে রাজপথের সক্রিয় নেতাকর্মীদের বাদ দিয়ে কমিটি গঠন করে কর্মী সভার নামে বানর নাচের আয়োজন করে দল দ্বিধা বিভক্ত করার যে চেষ্ঠা করা হচ্ছে তার থেকে দলকে ও দলের নেতাকর্মীদের বাচাতে আমাদের মা দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া ও আমাদের অভিবাবক আগামী দিনের রাষ্ট্রনায়ক তারেক রহমানের দৃষ্টি আর্কষন করি।
গত ১০ বছর যারা মাঠে নামে নাই তারা কেন আজ দলের নেতৃত্ব দিবে?এসব কমিটি গঠনের মাধ্যমে নেতাকর্মীদের বুঝিয়ে দেয়া হচ্ছে বিএনপিতে কর্মের কোন মূল্য নাই।টাকা থাকলেই পদ পদবী পাওয়া যায়।আজ যদি হামলা মামলায় জজ্জরিত নেতাকর্মীরা অবমূল্যায়নের শিকার হয় তবে আগামী দিনে কি কেউ রাজপথে থেকে আন্দোলন সংগ্রামে ভূমিকা রাখতে সাহস পাবে???
আমার মত একজন ক্ষুদ্র কর্মীর ভাবনায় মনে হয় আমাদের মা দেশনেত্রীকে ভুল তথ্য দিয়ে ও আমাদের নেতা তারেক রহমান বিদেশে থাকার সুযোগে আওয়ামী লীগের সাথের আতাত করে কেন্দ্রীয় নেতা নামধারী কিছু দোকানদার বিএনপিকে সাংগঠনিক ভাবে দলকে ভেতর থেকে দূর্বল করে সরকারী ও কমিটি বিক্রির মাধ্যমে দলীয় সুবিধা ভোগে ব্যাস্ত।
সুুবিধাবাদীদের যদি পদ পদবী দিলে দলের মংগল হয়, তবে তাতে আমাদের আপত্তি নাই।কিন্তু নির্বাচিত কমিটিকে না জানিয়ে সুবিধাবাদীদের পদে আনা কতটুকু মংগলজনক তা ভেবে দেখা উচিত আমাদের মায়ের।আমরা যে ডজন ডজন মামলার আসামী আমাদের ভবিষ্যত কি তাও মা’কে ভেবে দেখার জন্য বিনিীত অনুরোধ জানাই।রাজনৈতিক মামলায় জেল খাটতে গিয়ে আজ জাহাংগীর কমিশনার মৃত্যু যাত্রী।আমাদের ব্যাবসা বানিজ্য লাটে উঠেছে শুধুমাত্র মামলা জালে পালিয়ে ও জেলে থেকে।সন্তানদের লেখাপড়া নষ্ট হয়েছে আমাদের দীর্ঘ অনুপস্থিতির কারনে।আমাদের ফেলে আসা দিন গুলোর কি হবে??
আমরা পদ পদবীর জন্য ব্যাস্ত নই।যে টুকু আছে তাও ছেড়ে দিতে আমরা প্রস্তুত।তবুও আমরা আমাদের মাকে এদেশের প্রধানমন্ত্রী হিসাবে দেখতে চাই।আমাদের নেতাকে দেশে ফিরিয়ে আনতে চাই।আমরা চাই রাজপথের নেতাকর্মীর মূল্যায়ন চাই।একমাত্র সাংগঠনিক ন্যায় বিচার ও জবাবদিহিতাই পারে বিএনপিকে রাষ্ট্র ক্ষমতায় ফিরিয়ে আনতে।
আমাদের পদ পদবী না থাকলেও আমরা রাজপথে থাকবো,আমাদের দল লাগবে না।আমরা যে ধানের শীষের ভোটার এ সার্টিফিকেট নিয়েই আমরা মাঠে থাকবো বাকশাল বিরোধী আন্দোলনে, ইনশাল্লাহ।
নিবেদক,
আপনার আর্দশিক সন্তান
মাকছুদুল আলম কন্দকার খোরশেদ
আহবায়ক—–মহানগর যুবদল
০৮/০৫/২০১৭

