বিজয় বার্তা ২৪ ডট কম
আমলাপাড়া গার্লস স্কুল এন্ড কলেজে অবৈধ কোচিং বাণিজ্য ও ছাত্রীদের অশোভন খারাপ আচারনের অভিযোগে এক শিক্ষককে সাময়িক বহিস্কার করেছেন কর্তৃপক্ষ।
এদিকে রবিবার দুপুর ১ টায় খবর পেয়ে নারায়গঞ্জ অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) মো. ছরোয়ার হোসেন স্কুলে আসেন। এসময় তিনি স্কুলের অভিভাবক ও ছাত্রীদের সাথে আলাপ করে কোচিং বানিজ্য ও খারাপ আচারনের বিষয়টি নিশ্চিত হন।
তিনি জানান, সরকারী কোন স্কুল এবং কলেজে কোচিং বাণিজ্য নিষিদ্ধ। এটি একটি এমপিও স্কুল। তারা কোন আইনের নিয়মে এই কোচিং বানিজ্য করছে। তার জন্য স্কুল কর্তৃপক্ষকে এই অবৈধ কোচিং বানিজ্যের কারন দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হবে। যদি ঘটনার সততা পাওয়া যায় স্কুল কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।
কোচিং বানিজ্যের বিষয়ে প্রধান শিক্ষক শীতল চন্দ দে জানান, আমরা ছাত্রীদের নিয়ে কোন কোচিং করি না। অভিভাবকদের আবেদনে দুর্বল ছাত্রীদের জন্য বিশেষ ক্লাশের ব্যবস্থা করেছি। প্রতি বিষয়ের জন্য ছাত্রীদের কাছ থেকে তিনশ টাকা করে প্রতি মাসে সর্বমোট পনেরশ টাকা দার্জ করেছি।
স্কুলের ইংরেজী শিক্ষক মো. আরিফ এর বিরুদ্ধে ছাত্রীদের সাথে খারাপ আচারনের বিষয়ে তিনি জানান, এই শিক্ষক এর আগেও দুই একবার ছাত্রীদের সাথে খারাপ আচরন করেছেন বলে অভিভাবক ও ছাত্রীরা আমাদের কাছে অভিযোগ করেছেন। শিক্ষক আরিফকে ডেকে এনে বিষয়টি জানতে চাইলে তিনি ছাত্রীদের সাথে এই রকম আচরন করবেন না বলে প্রতিশ্রুতি দেন। তারপরও তিনি আবারও ছাত্রীদের খারাপ আচারন করায় সাময়িক বহিস্কার করা হয়।
এ বিষয়ে অভিভাবক হোসনে আরা জানান, কোচিং না করলে আমাদের সন্তানদের পরীক্ষা অংশগ্রহন করতে দেওয়া হয় না। আমরা আর্থিকভাবে স্বচ্ছল নই। আমাদের সন্তানের কোচিং বাধ্যতামূলক করেছেন এবং কোচিং এর জন্য প্রতি মাসে পনেরশ টাকা করে দিতে হয়।
তিনি আরো জানান, যদি কোচিং না করাই তাহলে এই স্কুল থেকে বের করে দিবে বলে হুমকি প্রদান করেন স্কুল কর্তৃপক্ষ। এছাড়া ইংরেজী শিক্ষক আমাদের সন্তানদের সাথে খারাপ আচারন করেন। এ সকল বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য এডিসি কাছে দাবি জানান তারা।
