বিজয় বার্তা ২৪ ডট কম
নাসিক নির্বাচনে ১ নং ওয়ার্ডে ৮ জন কাউন্সিলর প্রার্থী প্রতিদ্ধন্ধিতা করছেন। প্রার্থীরা হলেন, আলহাজ্ব আনোয়ার ইসলাম ঠেলাগাড়ি প্রতিক, ওমর ফারুক ঝুরি প্রতিক, ইউনুস মিয়া লাটিম প্রতিক (ওমর ফারুকের বাবা), সিরাজুল ইসলাম ঘুরি প্রতিক , রওশন আলী ব্যাডমিন্টন প্রতিক, আব্দুর রহিম মিষ্টি কোমরা প্রতিক, জাহিদুল ইসলাম জাহিদ ট্রাক্টর প্রতিক, কামাল হোসেন টিফিনকারি প্রতিক নিয়ে নির্বাচন করছেন। এদের মধ্যে ভোটারদের চাহিদায় শিক্ষানুরাগী, সৎ যোগ্য প্রাথী হিসেবে আলহাজ¦ আনোয়ার ইসলাম এগিয়ে রয়েছেন। মসজিদ, মাদ্রসাসহ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে তার রয়েছে অতুলনীয় অবদান। যিনি দিনরাত মানুষের সেবায় নিজেকে নিয়োজিত রাখেন। কাউন্সিলর প্রার্থী হওয়ার আগে থেকেই তিনি ১ নং ওয়ার্ডের বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কর্মকান্ডে নিজ অর্থায়নে নিজেকে বিলিয়ে দিয়েছেন। অপরদিকে অন্যান্য প্রার্থীরা মামলার আসামী, ভূমিদস্যুতা, সন্ত্রাসী বাহিনীর তান্ডব সহ বিভিন্ন বির্তকিত কর্মকান্ডের জন্য পিছিয়ে রয়েছে। ওমর ফারুক নামে ঝুরি প্রতিকের এই প্রার্থীর অতীতে রয়েছে নানা অপরাধমূলক কর্মকান্ডের ইতিহাস। বর্তমানে তিনি তার সন্ত্রাসী বাহিনী নিয়ে ভোটার কাছে ভোট চাইতে যাচ্ছেন। যা ভোটারদের মাঝে আতংক বিরাজ করছেন। এছাড়া তিনি শত শত জনগনের সামনে ঘোষনা দিয়েছেন প্রশাসন তাকে ব্যালেটে সীল মারতে সাহায্য করবে। আরেক প্রার্থী তারই বাবা ইউনুস মিয়া লাটিম প্রতিক নিয়ে নির্বাচন করছেন। ছেলের অপকর্ম ডাকতে নিজেই নেমেছেন নির্বাচনী মাঠে। জানা গেছে, নির্বাচনে প্রতি কেন্দ্রে বাবা ছেলের পুলিং এজেন্ট একজন নিয়ে কাজ করছেন তারা। এদিকে ঘুড়ি প্রতিকধারী সিরাজুল ইসলামের সম্পর্কে সমস্ত ওয়ার্ড জুরে রয়েছে চরিত্রহীনতা অভিযোগ। বছর পাচেক আগে এক প্রবাসীর স্ত্রীর সাথে তিনি অনৈতিক সম্পর্ক গড়ে তুলেন। একদিন ওই প্রবাসীর স্ত্রীর সাথে অনৈতিক কর্মকান্ডে জরিত অবস্থায় হাতে নাতে এলাকাবাসী ধরে ফেলে সিরাজুল ইসলামকে মারধর করে। এলাকার মুরুব্বীরা এক লাখ জরিমানা করে ও ওই প্রবাসীর স্ত্রীর সাথে সিরাজের বিয়ে করিয়ে দেন। পরে এই ঘটনার শোকে তার প্রথম স্ত্রী কঠিন রোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যবরন করেন। এদিকে মিষ্টি কোমরা প্রতিকের আব্দুর রহিম বিগত সময় কাউন্সিলর থাকাকালীন ১ নং ওয়ার্ডে তেমন কোন উন্নয়ন করতে পারেননি। তাছাড়া এলাকার মানুষের বিপদের সুযোগ নিয়ে বিচারের নামে হাতিয়ে নিতেন লাখ টাকা। বিচারের নামে উভয়ের পক্ষের টাকা নিয়ে অন্যায়মূলক রায় দিতেন তিনি। আর যিনি বিচারের জন্য টাকা বেশী দিতে পারতেন তাকেই সে বিচারে জিতিয়ে দিতেন। এবার নাসিক নির্বাচনে সৎ যোগ্য প্রার্থীকে জয়যুক্ত করবেন বলে জানান ১ নং ওয়ার্ড এলাকার সাধারণ ভোটাররা।
