বিজয় বার্তা ২৪ ডট কম
নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসক রাব্বী মিয়া বলেছেন, যারা ঈমানের অর্থ জানে না তারাই বিভ্রান্তি সৃষ্টি করে। আমরা যারা কোরআন শরীফ পড়ি তারা অবশ্যই তার অর্থ জানতে হবে। ঈমান অর্থ জ্ঞান। ঈমানের সাথে আত্ম সমোচলনা করতে হবে। তাই বিভিন্ন ধর্মের শিক্ষক ও আলেম গন দায়িত্ব হলো সঠিক শিক্ষা প্রদান করা।
সাম্প্রদায়িক সস্পীতি বজায় রাখার লক্ষ্যে বিভিন্ন ধর্মের ধর্মীয় নেতাদের অংশ গ্রহণে বুধবার সকাল ১১ টায় জেলা প্রশাসক এর সম্মেলন কক্ষে জেলা প্রশাসন ও ইসলামী ফাউন্ডেশন এর আয়োজনে মত বিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
নারায়ণগঞ্জ জেলা অতিরিক্ত মেজিস্ট্রট মো. সরোয়ার হোসেন এর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, জেলা প্রশাসক রাব্বী মিয়া, আরো উপস্থিত ছিলেন, জেলা সিভিল সার্জন ড. আশুতোষ দাশ, স্থানীয় সরকার বিভাগের উপ পরিচালক মো. আলী আকবর, জেলা সহকারী পুলিশ সুপার লিমন রায়, সদর উপজেলার নির্বাহী অফিসার তাসমিন জামিন বিনতে শেখ, বন্দর উপজেলার নির্বাহী অফিসার মৌসুমী হাবিব, রুপগঞ্জ উপজেলার নির্বাহী অফিসার ফারজানা ইসলাম, আড়াইহাজার উপজেলার নির্বাহী অফিসার কামাল হোসেন, ইসলামী ফাউন্ডেশন এর পরিচালক মোস্তাফিজুর রহমান, জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা তারাবো পৌরসভার মেয়র হাসিনা গাজী, নারায়ণগঞ্জ ক্লাবের সাবেক সভাপতি খবির আহমেদ, সদর উপজেলার চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদ বিশ^াস, বন্দর উপজেলার চেয়ারম্যান আতাউর রহমান মুকুল, ফতুল্লা আওয়ামীলীগ সভাপতি ও কাশিপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এম সাইফ উল্লাহ বাদল, সাধারণ সম্পাদক ও বক্তাবলী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শওকত আলী, জেলা পূজা উদ্যাপন পরিষদের সভাপতি শঙ্কর কুমার সাহা, সাধারণ সম্পাদক সুজন সাহা, মহানগর পূজা উদ্যাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক শিখন সরকার শিপন, জেলা হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদের সভাপতি গোপিনাথ সাহা, ফকির তলা মসজিদের খতিব মাওলানা সিরাজুল ইসলাম, প্রশিক্ষণ ঈমান সমিতির সভাপতি মুফতি মুহাম্মদ শাহাবুদ্দিন, জেলা খ্রিষ্টান এসোসিয়েশনের সভাপতি পিন্টু পলিকেপ পিউরিফিকেশন, বৌদ্ধধর্মের নেতা বেদান্ত্য চন্দ্র বংশ ভিক্ষোপ প্রমুখ।
তিনি আরও বলেন, নবী করিম হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) বিদায় হজে বলেছেন, তোমরা ধর্ম নিয়ে হানাহানি করো না, প্রত্যেকে যার যার ধর্ম পালন কর এবং তাদেরকে হেফাজত কর। যারা সংখ্যালঘু আছে তাদেরকে সংখ্যাঘরিষ্টদের সাহায্য করতে হবে। আমরা যদি বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের হেফাজত করি তাহলে বিশ্বের অন্যান্য দেশে যারা মুসলিম সংখ্যালঘু আছে তাদেরও বিভিন্ন ধর্মের সংখ্যাঘষ্টিরা সাহায্য করবে। আমরা সাম্প্রতিক সম্প্রতি বজায় রেখে হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান মুসলিম ভাই ভাই হয়ে ঐক্যবদ্ধ ভাবে বাংলাদেশে বসবাস করি। ধর্ম বর্ণ নির্বিশেষে সবাইকে জঙ্গীবাদ ও সংখ্যালঘুদের উপর হামলা ও হত্যা কান্ডের বিরুদ্ধে সবাইকে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে।
