বিজয় বার্তা ২৪ ডট কম
মদনপুর ইউনিয়ন ছাত্রলীগ নেতা শেখ আলমগীর হোসেনকে বেঈমান প্রতারক আখ্যা দিলেন নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের ২৭ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর তথা ধামগড় ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি সিরাজুল ইসলাম সিরাজ। সাংবাদিকদের দেয়া এক বক্তব্যে সিরাজুল ইসলাম জানান, শেখ আলমগীর একজন টাউট প্রকৃতির লোক। আসন্ন নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে সে ২৭ নং ওয়ার্ডে আমার বিপক্ষে প্রার্থীতা ঘোষণা দিয়েছে। আমার ইমেজ ও ব্যাক্তিত্বে চরিতার্থ করতেই সে আমার বিরুদ্ধে ভূয়া মন্তব্য করে। সিরাজুল ইসলাম আরো বলেন, দীর্ঘ ৪৫ বছর ধরে আওয়ামী রাজনীতি সঙ্গে জড়িত। বঙ্গবন্ধুর আদর্শ ধারণ করে এখনো এই রাজনীতিতেই আছি। আমি তো আর পাগল নই আমার আওয়ামীলীগ সরকারের বিরুদ্ধে মন্তব্য করবো। আলমগীর স্বাধীনতার বিপক্ষের দোসর হয়ে কাজ করছে। যে কারণে আমার বিরুদ্ধে এমন অপপ্রচারে নেমেছে। যেই আওয়ামীলীগের জন্য জীবনের সবটুকু অর্জণ ত্যাগ করেছি যেই আওয়ামীলীগের জন্য ২০০১ সালে বিএনপির সন্ত্রাসীদের দ্বারা হামলা মামলার শিকার হয়েছি। বাড়ি-ঘর লুট-পাট হয়েছে। অথচ সেই আওয়ামীলীগের সরকারকে নিয়ে মন্তব্য করার প্রশ্নই ওঠেনা। বঙ্গবন্ধু আমার আদর্শ জননেত্রী শেখ হাসিনা আমার নেত্রী। জীবন দিব তবু আওয়ামীলীগের বিরুদ্ধে কোন ষড়যন্ত্র বরদাশত করবোনা। বন্দর থানা আওয়ামীলীগের সভাপতি বীরমুক্তিযোদ্ধা আলহাজ¦ এম এ রশীদ,ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক আলহাজ¦ আবেদ হোসেন আমার নেতা। তারা আমার বিরুদ্ধে যে বিবৃত্তি দিয়েছেন তাতে আমার কোন অভিযোগ নেই তবে তাদের প্রতি আমার অনুরোধ, সুষ্ঠ ও সঠিক তদন্তের মাধ্যমে এর সত্যতা বের করা হোক এবং আমি সরকারের বিরুদ্ধে কোন মন্তব্য করেছি এমন ঘটনার সত্যতা পেলে দল আমাকে যে শান্তি প্রদান করবে তাতে আমার কোন আপত্তি থাকবেনা। কিন্তু যদি সত্যতা না পায় তাহলে সরকারের বিরুদ্ধে অপপ্রচার করেছি এমন কুৎসা রটনাকারীর বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানাচ্ছি। সর্বোপরি আরো উল্লেখ করতে চাই,বিগত সংসদ নির্বাচনে এই শেখ আলমগীর জননেত্রী শেখ হাসিনার দেয়া প্রার্থী বীরমুক্তিযোদ্ধা আলহাজ¦ সেলিম ওসমানের বিপক্ষে এস এম আকরামের হয়ে কাজ করেছিল। শেখ আলমগীর নব্য মীরজাফর তার বিরুদ্ধে খোঁজ নিলে আরো জামাত-বিএনপি’র সঙ্গে আঁতাতের তথ্যও মিলবে। বিশ^াস না হলে সরেজমিনে তদন্ত করলেই এর সত্যতা বেরিয়ে আসবে।

