বিজয় বার্তা ২৪ ডট কম
আসন্ন পবিত্র ঈদ-উল-আযহা উপলক্ষ্যে বন্দরের কোরবানি পশুর হাটগুলো ক্রমেই জমতে শুরু করছে। গত ৬ সেপ্টেম্বর মঙ্গলবার হতে এসব হাটের ইজারার দিন ধার্য্য করা হলেও হলেও হাটগুলোতে ক্রেতা-বিক্রেতার আনা-গোনা বাড়তে শুরু করছে ৮ সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার হতে। রূপালী’র মাঠ ও ঐতিহাসিক সোনাকান্দা নারায়ণগঞ্জ শহরের উল্লেখযোগ্য কয়েকটি হাটের ইজারা না হওয়ায় দূর-দূরান্তের বেপারীদের মাঝে দ্বিধা-দ্বন্দ্ব দেখা দিয়েছে। এ কারণে অনেক বেপারী গরু আনা নিয়ে সংশয়ে ভুগছে। অনেকেই আবার সহসাই নদীপথে আসার সময় হাটের পরিবেশ বুঝে নিজেদের পছন্দের হাটে ভিড়ছে। তুলনামূলকভাবে গতবারের চেয়ে এ বছর গরুর তেমন আমদানীর খবর পাওয়া যায়নি। বৃহস্পতিবার বেলা ১২টায় বন্দরের সোনকান্দা হাটে পরিদর্শণে গেলে সেখানে ছোট-বড় অসংখ্য গরু দেখা গেছে। সকাল থেকে ক্রেতার সমাগম যদিও খুব একটা ছিলনা তবে বিকেলের পর থেকে তা বাড়তে থাকে। হাটে কিছুক্ষণ ঘুরতেই দেখা মিলে নিহাল বেপারীর বিশাল একটি গরুর পাল। সুদূর সিরাজগঞ্জ থেকে এসেছেন তিনি এক পালে ৯টি গরুই তার। গরুগুলির দিকে তাকালেই মনটা ভরে যায়। কোনটার চাইতে কোনটার যেন কমতি নেই। যেমন মাংসপেশী তেমনি চোষ আর দেহগড়ন। আগ্রহ দেখিয়ে সামনে যেতেই প্রথম গরুটা দেখেই ভাল লাগলো। আলাপচারিতায় তিনি জানান,লাল রংয়ের ওই গরুটির দাম হাঁকা হয়েছে সাড়ে ৩লাখ। দাম উঠেছিল আড়াইলাখ টাকা। লাভের মধ্যে না হওয়ায় নেহাল বেপারী গরুটি বিক্রি করেননি। তার মতে,যা হাঁকা হয়েছিল তার চাইতে কিছু কম হলে বিবেচনা করা যেতে পারে। নেহাল বেপারীর সঙ্গে আলাপকালে তিনি জানান,গরু বিক্রি করা তার আদি ব্যবসা না হলেও ১০বছর ধরে তিনি এ ব্যবসায় অনেকটা আয় করেছেন। এই গরু ব্যবসার মধ্য দিয়েই তিনি অনেকটা সাবলম্বী হয়েছে। তার ২ ছেলে ১ মেয়ে। বড় ছেলে লিটন মেরিন থেকে ডিপ্লোমা শেষ করে এবার বুয়েটে পড়ছেন। ছোট ছেলে মিলন ইন্টারমিডিয়েট শেষ করেছে এবং মেয়ে শিরিন এসএসসি পাশ করে কলেজে ভর্তি হয়েছে।

