বিজয় বার্তা ২৪ ডট কম
মায়ানমারে মুসলিম রোহিঙ্গাদের ওপর বর্ববর অমানুষিক নির্যাতন ও গণহত্যা স্মরণকালের ইতিহাসকে হার মানিয়েছে। বিশ^মানবতাকে করেছে কলুষিত। নির্যাতিত রোহিঙ্গা শরণার্থী আমাদের দেশে আশ্রয় গ্রহণ করেছে। তাদের পাশে দাঁড়ানো আমাদের ঈমানী ও মানবিক দায়িত্ব। ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ মিয়ানমারে মুসলিম গণহত্যা বন্ধের দাবিতে সোচ্চার ভূমিকা পালন করে আসছে। ৫ সেপ্টেম্বর থেকে কেন্দ্রীয় ত্রাণ কমিটির তত্ত্বাবধানে ১০টি টিম রোহিঙ্গা আশ্রয় শিবিরে ত্রাণ বিতরণ, টিউবয়েল স্থাপন, বাথরুম নির্মাণ এবং ছাউনী নির্মাণের কাজ করে যাচ্ছেন। সমস্যার সমাধান না হওয়া পর্যন্ত ইসলামী আন্দোলনের পক্ষ থেকে সকল ধরণের ত্রাণ, সহযোগিতা, বাড়ীঘর নির্মাণ কাজ অব্যাহত রাখতে হবে।
আজ শুক্রবার সকাল ৯টায় ডি.আই.টিস্থ দোয়েল প্লাজায় ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ নারায়ণগঞ্জ মহানগরের সভাপতি মুফতি মাসুম বিল্লাহর সভাপতিত্বে ও সেক্রেটারি সুলতান মাহমুদের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত ১ম শুরার অধিবেশনে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ-এর কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার আশরাফুল আলম উপরোক্ত কথা বলেন। শুরা অধিবেশনে উপস্থিত ছিলেন, দীনি সংগঠন নারায়ণগঞ্জ জেলার সাধারণ সম্পাদক আলী হোসেন কাজল মাস্টার, ইসলামী শ্রমিক আন্দোলন নারায়ণগঞ্জ মহানগরের আহবায়ক আলহাজ¦ হাসান আলী, ইসলামী শাসনতন্ত্র ছাত্র আন্দোলন নারায়ণগঞ্জ জেলার সভাপতি মুহা. মামুনুর রশিদ, জাতীয় শিক্ষক ফোরাম নারায়ণগঞ্জ মহানগরের সদস্য সচিব মু. আব্দুল হান্নান এবং আইম্মা পরিষদ নারায়ণগঞ্জ মহানগরের আহবায়ক মাওলানা দ্বীন ইসলাম প্রমুখ।
তিনি আরও বলেন, মিয়ানমারের সামরিক জান্তা ও অং সান সুচির খুঁটির জোর কোথায় তা খুঁজে বের করতে হবে। সুচি রক্ত পিপাসু খুনি। তার বিচার হতে হবে। সুচি না থামলে আরাকান দখলের ঘোষণা দিয়ে আরাকানকে স্বাধীন করে রোহিঙ্গাদের ফেরৎ দিতে হবে। রোহিঙ্গাদের অনেক কিছু প্রয়োজন। তাই ত্রাণ নিয়ে যারাই আসবে তাদেরকে সুষ্ঠুভাবে ত্রাণ বিতরণে সহযোগিতা সরকারকে করতে হবে এবং যারা শরণার্থী হয়ে আমাদের কাছে আশ্রয় নিয়েছেন তাদের সকল ধরণের নিরাপত্তা বিধান করাও আমাদের এবং সরকারের দায়িত্ব-কর্তব্য। ত্রাণ বিতরণের দায়িত্ব সেনাবাহিনীর ওপর অর্পণ করাতে তিনি সরকারকে ধন্যবাদন জানান।
