BijoyBarta24.com
নারায়ণগঞ্জ,
জুন ১৫, ২০২৬
  • হোম
  • জাতীয়
    • রাজনীতি
    • সমগ্র বাংলা
  • মহানগর
    • ফতুল্লা থানা
    • বন্দর থানা
    • সদর থানা
    • সিদ্ধিরগঞ্জ থানা
  • শহরের বাইরে
    • আড়াইহাজার থানা
    • রুপগঞ্জ থানা
    • সোনারগাঁ থানা
  • আন্তর্জাতিক
  • খেলাধূলা
  • বিনোদন
  • খোলাকলম
  • শিল্প ও সাহিত্য
  • তথ্য ও প্রযুক্তি
  • অন্যান্য
    • শিক্ষাঙ্গন
    • স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা
    • অর্থনীতি
    • ভিডিও নিউজ
No Result
সকল নিউজ
  • হোম
  • জাতীয়
    • রাজনীতি
    • সমগ্র বাংলা
  • মহানগর
    • ফতুল্লা থানা
    • বন্দর থানা
    • সদর থানা
    • সিদ্ধিরগঞ্জ থানা
  • শহরের বাইরে
    • আড়াইহাজার থানা
    • রুপগঞ্জ থানা
    • সোনারগাঁ থানা
  • আন্তর্জাতিক
  • খেলাধূলা
  • বিনোদন
  • খোলাকলম
  • শিল্প ও সাহিত্য
  • তথ্য ও প্রযুক্তি
  • অন্যান্য
    • শিক্ষাঙ্গন
    • স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা
    • অর্থনীতি
    • ভিডিও নিউজ
No Result
সকল নিউজ
BijoyBarta24.com
No Result
সকল নিউজ

১৬ ই জুন:প্রতিহিংসার রাজনীতির বীভৎস প্রতিচ্ছবি-ড. তৈমূর আলম খন্দকার

BIjoyBarta24 by BIjoyBarta24
জুন ১৪, ২০২৬
in আমাদের নারায়ণগঞ্জ, খোলাকলম, রাজনীতি
0
১৬ ই জুন:প্রতিহিংসার রাজনীতির বীভৎস প্রতিচ্ছবি-ড. তৈমূর আলম খন্দকার
49
শেয়ার
0
VIEWS
Share on FacebookShare on Twitter

 

বিজয় বার্তা ২৪ ডট কম

১৬ই জুন ২০০১ ইং অপরাহেৃ জীবনের একটি অআখ্যাংকিত সংবাদ আমাকে শুনতে হয়। শেখ হাসিনা নেতৃতাধীন আওয়ামীলীগ সরকার তখন ক্ষমতার শেষপ্রান্তে। আওয়ামী লীগ মনোনীত নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের এম.পি শামীম ওসমান ও তার বড় ভাই জাতীয় পার্টী মনোনীত নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনের এম.পি ছিলেন। তখন আমি ছিলাম বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) নারায়ণগঞ্জ মহানগর শাখার আহবায়ক। আমার নেতৃত্বে নারায়ণগঞ্জে সরকার বিরোধী আন্দোলনের কর্মসূচী পালিত হওয়ার কারণে প্রতিনিয়তই আমার বাড়ী ও চেম্বারে হামলা হতো, এমনকি আমার চেম্বার জালিয়ে দেয়া হয়েছিল এবং অনেক মামলা হওয়ার কারণেই রাজনৈতিক কর্মসূচী ছাড়া নারায়ণগঞ্জে নিজ বাসভবনে রাত্রি যাপন ছিল আমার জন্য ঝুকিপূর্ণ। নারায়ণগঞ্জ জেলখানা ময়মনসিংহ জেলাখানায়, ডিটেনশন, মিছিলে গুলিবিদ্ধ হওয়া সব কিছুই ১৯৯৬-২০০১ সালে আওয়ামী লীগ আমলে আমার উপর হামলা মামলার কোন নির্যাতনই বাদ যায় নাই। ব্যারিস্টার নাজমুল হুদার মতিঝিলের আমিনকোর্টস্থ চ্যানচারী চেম্বারে আমাকে তিনি স্থান দিয়েছেন এবং তিনিই সুপ্রীম কোর্ট বার এসোসিয়েশনের সভাপতি থাকাবস্থায় বারের মূল ভবনে তার রুমের পাশেই ২০৫ নম্বর রুমে আইন পেশার জন্য আমাকে একটি আসন বরাদ্দ করেন। ঐ রুমে বর্তমান সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী, সাবেক বিচারপতি (অব:) বজলুর রহমান তালুকদার এবং আমি বসতাম। আইন পেশা ও রাজনীতির জন্য ২০৫ নম্বর রুমটাই ছিল নারায়ণগঞ্জের সকলের নিকট সুপরিচিত। আমি যখন গ্রেফতার টার্গেটের চরমে তখন অনেক রাত ২০৫নং রুমেই কাটিয়েছি। উক্ত ২০৫ নম্বর রুম ছাড়াও গ্রেফতার ও সরকারী দলের হামলা এড়িয়ে চলার জন্য কোন কোন সময় রাত্রে রমনা পার্কে বা দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার ২৯নং মিন্টু রোডস্থ বিরোধী দলীয় নেতার সরকারী বাসভবনে মিটিং করতাম। ১৬ই জুন ২০০১ কোর্ট শেষে বিকেল বেলা ২০৫নং রুমে বসে মামলার ড্রাফটিং করছি এমন সময় শামীম ওসমানের নিয়ন্ত্রনাধীন চাষাঢ়া আওয়ামী লীগ অফিসে বোমা বিস্ফোরনে ৪ জন মানুষ নিহত হয়েছে বলে প্রথমে টেলিফোনে সংবাদ পেলাম, পর্যায়ক্রমে মৃত্যুর সংখ্যা আরো বৃদ্ধি পাওয়ার খবর আসতে থাকে। নিহতের পরিবারের পাশে দাড়ানোর জন্য নারায়ণগঞ্জ রওনা দেয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছি এমন সময় টেলিফোনে খবর পেলাম যে, আমার বাড়ীতে হামলা হয়েছে এবং বোমা বিস্ফোরন ও গুলি করে টিনের বসত ঘর ঝাঝড়া করে দিয়েছে, বাড়ীতে আগুন লাগিয়ে দেয়ার প্রস্তুতির সংবাদ শুনে শুধুমাত্র সম্পত্তির দলিল নিয়ে এক কাপড়ে আমার বৃদ্ধ পিতামাতা বাড়ী ছেড়ে অন্যত্র চলে গেছেন। আমি তখনো ২০৫ নম্বর রুমেই বসা। চাষাঢ়া আওয়ামী লীগ অফিসে বোমা হামলার জন্য আমার বাড়ীতে কেন হামলা হবে চিন্তা ভাবনায় যখন সময় যাচ্ছিল, এমন সময় সন্ধ্যা ৭:৩০ ঘটিকার দিকে রূপগঞ্জের মুড়াপাড়া ইউনিয়নের মফিজ মেম্বারের পুত্র ছাত্রদল নেতা শফিক আমার রুমে এসে জানায়, মিডিয়াতে খবর আসছে যে, “তৈমূর আলম খন্দকারের নেতৃত্বে নারায়ণগঞ্জ চাষাঢ়া আওয়ামী লীগ অফিসে বোমা হামলায় ২২ জন নিহত এবং শামীম ওসমান সহ অর্ধশতাধিক আহত হয়েছে। মুল আসামী তৈমূর আলম খন্দকার এখনো ধরা ছোয়ার বাহিরে।”  এ সংবাদ শুনার পর মনে হলো আমার শরীরের রক্ত হীম শীতল হয়ে আসছে, নারায়ণগঞ্জ যাওয়ার পরিবর্তে আত্নগোপনে যাওয়ার জন্য টেলিফোনে অনেকেই আমাকে বার বার তাগিদ দিতে থাকলো। এ মর্মে নারায়ণগঞ্জ থেকেও প্রচুর ফোন পেলাম। সরকারী দল কর্তৃক বাড়ী/চেম্বারসহ আমার উপর বার বার হামলা হওয়ার কারণে প্রথমে স্বপরিবারে বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের গেষ্ট হাউসে পরবর্তীতে মগবাজারে আমার শ্বশুর বাড়ীতেই থাকতাম। নিরাপদে নারায়ণগঞ্জ থাকতে পারতাম না বলেই আমার দুই কন্যাকে তখন সাবেক স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী আঃ মতিন চৌধুরীর সহযোগীতায় ভিখারুননিসা নুন স্কুলে ভর্তি করাই। এ মর্মে স্কুলের প্রিন্সিপাল অধ্যক্ষ হামিদ আলী যথেষ্ট সহযোগীতা করেছেন। ছাত্রদল নেতা শফিক আমাকে হোন্ডা যোগে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিএনপি সর্মথিত সাদা দলের বলিষ্ঠ নেতা অধ্যাপক আমিনূর রহমান মজুমদারের (শাজাহান) বাসায় দিয়ে আসলো, সেখানে কয়েকদিন আত্নগোপনে থাকলাম, তখনই পরে জানতে পারলাম আমাকে প্রধান আসামী করে নারায়ণগঞ্জ থানায় ৯(৬)২০০১ ধারা ৩০২ এবং ১০(৬)২০০১ ধারায় প্রথমটি হত্যা ও দ্বিতীয়টি বিস্ফোরক দ্রব্য আইনে মামলা হয়েছে, যাহাতে নিম্নবর্ণিত আরো ২৭ জনকে এজাহার ভুক্ত আসামী করা হয়। উক্ত মামলায় যাদের আসামী করা হয় তাদের নাম নিম্নে উল্লেখ করা হলো।
১। তৈমূর আলম খন্দকার, ২। আলা উদ্দিন আল আজাদ, ৩। জাহাঙ্গীর আলম কমিশনার, ৪। কামাল হোসেন, ৫। মনিরুল ইসলাম রবি, ৬। মন্তু, ৭। কামাল উদ্দিন মৃধা, ৮। বদি উজ্জামান (বদু), ৯। ইকবাল আহাম্মদ (শ্যামল), ১০। মমিনউল্লা ডেভিট, ১১। তপন, ১২। জুয়েল, ১৩। আনিসুল ইসলাম (সনি), ১৪। নুরুল ইসলাম, ১৫। অকিল উদ্দিন ভূইয়া, ১৬। রফিক কমিশনার, ১৭। শামছুল আলম লিটন, ১৮। শাহ আলম, ১৯। মিজান, ২০। শাহাদৎ (সাদু), ২১। মামুন, ২২। রোজেল, ২৩। রিয়াদ চৌধুরী, ২৪। তোষার আহাম্মদ মিঠু, ২৫। শওকত হাসেম সকু, ২৬। গাজী দুলাল, ২৭। সুরুজ মুহুরী প্রমূখ। (সূরুজ আমার মুহুরী ও বিশ্বস্ত রাজনৈতিক সহকর্মী ছিল)।

এ পৈশাচিক বোমা হামলায় যারা নিহত হয়েছেন তাদের নাম নিম্নে উল্লেখ করা হলো ঃ-
(১) সাইদুল হাসান (বাপ্পী), (২) নজরুল ইসলাম, (৩) দেলোয়ার হোসেন ভাসানী, (৪) রাজিয়া মেম্বার, (৫) আক্তার হোসেন, (৬) মশিউর রহমান (মশু), (৭) নজরুল ইসলাম (বাচ্চু), (৮) শুক্কুর আলী, (৯) হানিফ, (১০) স্বপন রায়, (১১) স্বপন দাস, (১২) পলি বেগম, (১৩) কাজী এনায়েত উল্লাহ (স্বপন), (১৪) আলিম, (১৫) সবুজ মোল্লা, (১৬) হালিমা বেগম, (১৭) মুক্তার হোসেনসহ ২২জন ঘটনাস্থলেই নিহত। জেলা পরিষদের ভূতপূর্ব চেয়ারম্যান বাবু চন্দন শীর দু’পা হারিয়েছেন। এছাড়াও অঙ্গহানি হয়েছে অনেক নিরপরাধ নিরীহ আওয়ামীলীগ দলীয় কর্মী ও সাক্ষাৎ প্রার্থীদের যা একটি সভ্য সমাজে কোন ভাবেই  কাংখিত নহে।

যাদের আসামী করা হয় তারা সকলেই বিএনপি’র দলীয় পোষ্ট পজিশন ছিল যারা তৎসময়ে রাজপথে আন্দোলন সংগ্রাম করতো। বিএনপি ইতোপূর্বে ক্ষমতায় ছিল। রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা, প্রভাব ও জনপ্রিয়তা থেকেই বিএনপি’র উৎপত্তি। নারায়ণগঞ্জ জেলার পাঁচজনই বিএনপি’র মনোনয়নে এম.পি হয়েছিলেন। কিন্তু বিএনপি’র দু’সময়ে তাদের রাজপথে দেখা যায় নাই এবং তারা বা তাদের পরিবারের কাউকে বা তাদের ঘনিষ্ঠদের অত্র মামলায় আসামী করা হয় নাই। জেলা ও মহানগরের শীর্ষ নেতৃবৃন্দের নিষক্রিয়তার কারণে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া আমাকে ডেকে নিয়ে ১৯৯৭ ইং সনে নারায়ণগঞ্জ মহানগর বিএনপি আহবায়কের দায়িত্ব প্রদান করেন। এ মর্মে শিল্পপতি মোহাম্মদ আলীর সক্রিয় ভূমিকা ছিল। ইতোমধ্যে পত্রিকা ও মিডিয়াতে, এমনকি বিবিসি থেকে প্রচার হচ্ছিল যে, “প্রধান আসামী তৈমূর আলম খন্দকার এখনো ধরা ছোয়ার বাহিরে।” এমন পরিস্থিতিতে সকল আসামী যে দিকে সূযোগ পেয়েছে আত্নগোপনে চলে গিয়েছে। আত্নীয় স্বজনও আশ্রয় দিতে অনীহা প্রকাশ করতো। আমার জোষ্ঠ্যকন্য মার-ই-য়াম (বর্তমানে ব্যারিস্টার) এবং ছোট কন্যা নুসরাত (বর্তমানে লন্ডনে ব্যাংক ম্যানেজার) তখন ভিকারুননেছা স্কুলে পড়তো। আত্নগোপনে থাকাবস্থায় পরিবারের সাথে একদিন ফোনে কথা বলার সময় মার-ই-য়াম আমাকে বলে যে, “বাবা, স্কুলে আমাদের সকলেই সমালোচনা করে, রাজনীতির জন্য তুমি কি বোমা মেরে মানুষ হত্যা করতে পারো? তোমার এসব কর্মকান্ডের জন্য আমাদের তো কেহ বিবাহ করতে চাইবে না।” মার-ই-য়ামের এ প্রশ্নের আমি জবাব দিতে পারলাম না। ঘটনাটি এতোটাই পৈশাচিক ছিল যে, তৎকালীণ সরকারী দলের প্রচারের কারণে মানুষের নিকট মূখ দেখানোর মত অবস্থা ছিল না। আত্নগোপনে থেকেই বি.এন.পি চেয়ারপার্সন ও তৎকালিন বিরোধী দলীয় নেত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে ফোনে বিস্তারিত অবস্থা অবগত করলাম। বিএনপি স্থায়ী কমিটি সদস্য ড. মোশারফ হোসেন সাহেবকে ফোনে বললাম, দেশনেত্রী যেহেতু বিদেশে যাচ্ছেন সেহেতু বিমানবন্দরে তার সাথে দেখা করে বিএনপি দলীয় ১১৬ জন সংসদ সদস্যদের বিবৃতি দিয়ে আমাদের বাড়ী ঘরে সরকারী ক্যাডারদের অনবরত হামলা বন্ধ করুন এবং  তিনি সে মতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিলেন। বিএনপি স্থায়ী কমিটি’র সদস্য আঃ মতিন চৌধুরী কয়েকজন সংসদ সদস্য নিয়ে তৎকালিন রাষ্ট্রপতির সাথে স্বাক্ষাৎ করে পরিস্থিতি ব্যাখ্যা করেন। ইতোমধ্যে আওয়ামী লীগ সরকারের সময় শেষ হওয়ার সংবিধান মোতাবেক বিচারপতি লতিফুর রহমানের নেতৃত্বে ১৫/০৭/২০০১ তারিখে তত্তাবধায়ক সরকার ক্ষমতা গ্রহণ করে। রাজনৈতিক উদ্দেশ্য হাসিলের জন্য ষড়যন্ত্রমূলকভাবে আমাদের অত্র মামলায় জড়িত করা হয়েছে বলে পত্রিকাগুলি তথ্যমূলক সংবাদ পরিবেশন করতে থাকে। এর পরই কথিত আসামীরা আমার সাথে যোগাযোগ শুরু করে, কিন্তু কেহ আদালতে আত্নসর্ম্পন করতে রাজি হয় নাই। তখন আমি সিদ্ধান্ত নিলাম যে, আমি একাই আদালতে আত্নসর্ম্পন করবো। ব্যারিস্টার মওদুদ আহাম্মদ স্যারকে আত্নসর্ম্পনের কথা জানিয়ে ফোনে কথা বল্লাম। তিনি বললেন তুমি তো ক্রিমিনাল কেইস ভালো বুঝো, তুমিই জামিনের পিটিশন ড্রাফট করো। আমার স্ত্রী খন্দকার মাহাবুবউদ্দিন আহাম্মদের চেম্বারে দৌড়াদৌড়ি করে আগাম জামিনের পিটিশন প্রস্তুত করলেন। তার জুনিয়র বর্তমানে এ্যাটর্নী জেনারেল ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল এ মর্মে সহযোগীতা করে। আগাম জামিনের জন্য হাই কোর্টে আত্নসর্ম্পনের কথা জানিয়ে ব্যারিস্টার নাজমুল হুদা স্যারকে ফোন করলে তিনি আমাকে তার ধানমন্ডীস্থ নিজ বাড়ীতে আশ্রয় দেন এবং পরে আমি একাই হাই কোর্টে ২২/০৭/২০০১ ইং তারিখে আত্নসর্ম্পন করি।

জনাব বিচারপতি আমিরুল কবীর চৌধুরী ও বিচারপতি মোঃ আবদুর রাজ্জাক সমন্বয়ে গঠিত হাই কোর্ট ডিভিশন ব্যাঞ্চে বিজ্ঞ সিনিয়র আইনজীবী খোন্দকার মাহাবুবউদ্দিন আহাম্মদ, ব্যারিস্টার মওদুদ আহাম্মদ, ব্যারিস্টার নাজমুল হুদা (বিএনপি সমর্থিত কোর্ট রুম ভর্তি আইনজীবী উপস্থিত ছিলেন) শুনানী করেন। রাষ্ট্রের পক্ষে জামিনের বিরোধীতা করে জোরালো বক্তব্য রাখেন তৎকালিন এ্যাডিশনাল এ্যাটর্নী জেনারেল (পরবর্তীতে এ্যাটর্নী জেনারেল) মাহবুবে আলম। মামলায় এজাহারে বাদী লিখেছিল যে, “আমরা দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি যশোরের উদীচি শিল্পী গোষ্টির সম্মেলনে বোমা বিষ্ফোরন, পল্টনের বোমা বিষ্ফোরন, রমনা বটমূলে বোমা বিষ্ফোরন, গোপালগঞ্জে (কোটালীপাড়া) বোমা স্থাপন ও বানিয়াচরের বোমা বিস্ফোরন এবং আমাদের দলীয় কার্যালয়ে বোমা বিস্ফোরন কোন আলাদা ঘটনা নয়।” জামিনের জন্য আমাদের আইনজীবী নেতৃবৃন্দ বিভিন্ন মিডিয়ার পেপার কাটিং আদালতে উপস্থাপন করলে উল্লেখিত বিভিন্ন স্থানে বোমা বিস্ফোরনে আমার নাম বা কোন সংশ্লিষ্টতা আছে বা ছিল কি না বিচারপতিদ্বয় এমর্মে ব্যাখ্যা চাইলে এ্যাড: মাহবুবে আলম একদিনের সময় প্রার্থনা করলে আদালত সময় মঞ্জুর করে আমাকে একদিনের জন্য আগাম জামিন প্রদান করার সংবাদ প্রকাশিত হওয়ার পরই শামীম ওসমান সমাবেশ করে নারায়ণগঞ্জে হরতাল ডাকেন। পরের দিন এ্যাড: মাহবুবে আলম এজাহারে উল্লেখিত বিভিন্ন বোমা বিস্ফোরন মামলায় আমার কোন সংশ্লিষ্টতা দেখাতে না পারায় এবং শামীম ওসমানের ডাকা হরতালের খবর মিডিয়াতে ব্যাপক ভাবে প্রকাশিত হওয়ায় ২৩/০৬/২০০১ ইং তারিখে হাই কোর্ট আমাকে ৬ মাসের জন্য আগাম জামিন প্রদান করেন। মামলায় বাদী এ্যাডঃ খোকনশাহ (আওয়ামী লীগের নারায়ণগঞ্জ শহর সেক্রেটারী) ইতোপূর্বে বাদী হয়ে নারায়ণগঞ্জ থানায় ১৯(১)১৯৯৮ মামলাসহ আওয়ামী লীগ কর্তৃক আমার বিরুদ্ধে দায়েরকৃত অনেকগুলি মামলার বিষয়টিও আগাম জামিনের প্রশ্নে আদালত বিবেচনায় নেন।

আমার আগাম জামিন হওয়ার পর আমি নিজেই ০৭/৮/২০০১ ইং তারিখে অন্যান্য এজাহার নামীয় নেতা কর্মীদের জামিন করাই। পরে মোকদ্দমার প্রথম তদন্তকারী কর্মকর্তা সি.আই.ডি অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আমিনুল ইসলামের সাথে আমি ও বীর মুক্তিযোদ্ধা কামাল হোসেন দেখা করি। তিনি মামলার ঘটনা সম্পর্কে একটি কথাও জিজ্ঞাসা করে নাই। মামলার ঘটনা সম্পর্কে পুলিশ আমাদের সম্পর্কে কোন প্রকার তদন্তের উদ্দ্যেগ নেয় নাই, বরং তদন্তকারী কর্মকর্তা বলেছিলেন যে, রাজনৈতিক সিদ্ধান্তের উপর নির্ভর করবে এ মামলার পরবর্তী পদক্ষেপ। ফলে আগাম জামিন না নিয়েও অনেকেই নারায়ণগঞ্জ প্রকাশ্যে ঘুরা ফিরা করেছে। কারণ দেশী বিদেশী মিডিয়ার ছায়া তদন্তে এ কথা বেরিয়ে আসতে ছিল যে, এজাহারে বর্ণিত বোমা বিস্ফোরনে নারায়ণগঞ্জ বিএনপি’র জড়িত থাকার বিষয়টি উদ্দেশ্য প্রনোদিত ও প্রতিহিংসামূলক।

নারায়ণগঞ্জ-৫ (অর্থাৎ নারায়ণগঞ্জ বন্দর থানা সমন্বয়ে গঠিত) আসনে ২০০১ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আমাকেই নমিনেশন দেয়া হবে বলে মিডিয়াতে প্রচার হচ্ছিল। একটি পৈচাশিক মামলায় প্রধান আসামী হওয়ায় আমার জীবনটা যেন লন্ডভন্ড হয়ে গিয়েছিল। এ কারণে পারিবারিক বির্পযয় নেমে আসে, এম.পি পদে নমিনেশন চাওয়ার প্রস্তুতি নিতে পারি নাই। আমার নিরাপত্তা নিয়ে পরিবার অত্যন্ত চিন্তিত হয়ে পড়ে, বাবা গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন। স্বপরিবারে বাবাকে নিয়ে ভারতে চলে যাই, কোলকাতায় বসেই শুনতে পারলাম যে, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া নির্বাচনী সভা করার জন্য নারায়ণগঞ্জে আসবেন। যেহেতু নারায়ণগঞ্জ শহরে সভা হবে সেহেতু মহানগর বিএনপি’র আমি আহবায়ক সেহেতু গঠনতন্ত্রের বিধান মতে নির্বাচনী সভায় আমার সভাপতিত্ব করার কথা এবং এ মর্মে নারায়ণগঞ্জ থেকে বহু টেলিফোন পেলাম। বিশেষ ভাবে আমার ভাগিনা রাশিদূর রহমান রশো (প্রায় অর্ধশত রাজনৈতিক মামলা মাথায় নিয়ে ৩০/১১/২০২৩ ইং তারিখে মৃত্যুবরণ করে) আমাকে টেলিফোনে বার বার এমর্মে ফোন করতে থাকে। পরিবারবর্গকে কোলকাতায় রেখেই পায়ে হেটে, রিক্সা, ট্রেনে বেনাপোল বর্ডার হয়ে যশোর থেকে বাস যোগে (দুই দিন ৩ রাত্র) নারায়ণগঞ্জ চলে আসলাম। আমি এম.পি নমিনেশন নিতে পারি নাই, নেতাকর্মীদের শত অনুরোধ থাকা স্বত্বেও আঃ মতিন চৌধুরী ম্যাডামের জনসভায়  আমাকে সভাপতিত্ব করতে দেন নাই, তিনি নিজেই সভাপতিত্ব করেন। তবে আমি দায়িত্বে অবহেলা করি নাই, দলের পক্ষে নির্বাচনী কর্মকান্ড চালিয়ে যাই। পরবর্তীতে আল্লাহ পাকের মেহেরবানীতে যোগাযোগ মন্ত্রী ব্যরিস্টার নাজমুল হুদার সুপারিশে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া আমাকে বিআরটিসি’র চেয়ারম্যান নিয়োগ প্রদান করেন;  যা সফলতার সাথে ৫ বছরে লোকসানী প্রতিষ্ঠানকে লাভজনক প্রতিষ্ঠানে পরিনত করেছি, ইনশাহ-আল্লাহ।
জাতীয় নির্বাচনে বিএনপি ক্ষমতায় চলে আসে। হাই কোর্টের একজন বিচারপতি জুডিশিয়াল ইকুয়ারী করে রিপোর্টে বলেন, ঘটনাটি তৃতীয় পক্ষ দ্বারা সংগঠিত হয়েছে। বিএনপি’র কয়েকজন অতি উৎসাহী ব্যক্তি প্রতিহিংসামূলক শামীম ওসমান/নাছিম ওসমান গংদের বোমা হামলায় অভিযুক্ত করে একটি মামলা করে। একই ঘটনায় দুইটি মামলা চলতে পারে না বলে হাই কোর্ট দ্বিতীয় মামলা খারিজ করে দিয়ে পুন: তদন্তের আদেশ দেন। মোকদ্দমার পরবর্তী তদন্তকারী সিআইডি কর্মকর্তা মোজাম্মেল হক ১৪/০১/২০১১ ইং তারিখে এক বিবৃতিতে বলেন “২০০৬ সালে ২৬ ফেব্রুয়ারি ভারতের রাজধানী দিল্লীর রেল ষ্টেশন থেকে হরকাতুল জিহাদের (হুজি) দুই জঙ্গি সহোদর আনিসুল মোরসালিন ও মহিবুল মুক্তাকিনকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারের পর তারা দিল্লি পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে চাষাঢ়া আওয়ামী লীগ অফিসে বোমা হামলার কথা স্বীকার করে” তিনি আরো বলেন যে, “বোমা হামলার ঘটনায় নারায়ণগঞ্জের স্থানীয় বিএনপি কিংবা এর সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের সম্পৃক্ততার প্রমাণ পাওয়া যায়নি।”  শামীম ওসমান ছবি দেখে ঐ দুই ভাইকে সনাক্ত করে বলেন যে- ব্রিফকেস নিয়ে তারাই আওয়ামীলীগ অফিসে ঢুকেছিল।

১৯৭৪ ইং সনের ১৬ই জুন তৎকালিন বাকশাল সরকার ৪টি জাতীয় পত্রিকা রেখে বাকী সব পত্রিকা বন্ধ করে দেওয়ায় সাংবাদিক সমাজ প্রতিবৎসর ১৬ই জুন দিবসটিকে কালো দিবস হিসাবে উৎযাপন করে আসছে। কিন্তু নারায়নগঞ্জের কালো রাত্রি হলো ২০০১ ইং সনের ১৬ই জুন। প্রতিহিংসার রাজনীতি কত প্রকার ও কি কি হতে পারে তা ভুক্তভোগী ছাড়া অন্য কেহ উপলব্দি করতে পারে না। প্রতিহিংসাকে কার্যকর করার জন্য পূর্ব জামানার বিভিন্ন কৌশলের সাথে স্বরণ কালে সম্পৃক্ত হয়েছে রাজনীতিতে প্রতিপক্ষকে দমানোর জন্য “আইন” ও “আইন প্রয়োগকারী সংস্থার” অপব্যবহার। কারণ আইনকে অপপ্রয়োগ করে বা ইচ্ছা মত আইন প্রনয়ণ করে রাষ্ট্রীয় সার্ভেন্টদের মাধ্যমে রাষ্ট্র নিজেই ফ্রানকেনটাইল ষ্টাইলে নাগরিকদের নিপীড়ন করে মনোবাসনা পূর্ণ হয় তাদের যাদের হাতে থাকে রাষ্ট্রীয় দন্ডমূলের দাদাগীরি। ভারতের সুপ্রীম কোর্ট এ-ধরনের আচরনকে ঝঃধঃব ঞবৎৎড়ৎরংস (রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাসবাদ) বলে আখ্যায়িত করেছে। (সুত্র: ডিএলআর ৫৬(২০০৪) ৩২৪) রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার বহু অপপ্রয়োগের কথা পৃথিবীব্যাপী অনেক অনেক ঘটনা রয়েছে যা কিছু অংশ প্রকাশিত, বাকী অধিকাংশই রয়েছে অপ্রকাশিত, কোথাও প্রভাবশালীদের চাপে, কোথাও ভিন্ন ভিন্ন কারণে, তবে অধিকাংশই ক্ষেত্রেই নিপীড়িতদের দূর্বলতা ও মিডিয়ার পক্ষ পাতিত্বমূলক আচরণের কারণে রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাসের অনেক ঘটনাই হয় চাপা পড়ে থাকে, নতুবা প্রচারিত হয় ভিন্নভাবে। ইতিহাসের কোথাও ভিলেন হয়ে পড়ে নায়ক, নায়ক হয়ে পড়ে ভিলেন এবং পৃথিবীর অনেক ঘটনাই আছে যা নায়ক বা ভিলেন কেহ দায়ী নয়, বরং সংগঠিত হয়ে থাকে তৃতীয় পক্ষ দ্বারা। কথা প্রসঙ্গে নিজের কথাই বলতে চাই। ২০০১ সালে ১৬ জুন নারায়নগঞ্জ শহরে চাষাঢ়ায় তৎকালিন ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগ অফিসে পৈচাশিক বোমা হামলায় ২২ জন নিরীহ সাক্ষাৎকার প্রার্থী (পুরুষ/মহিলা) মানুষ নিহত হয়, যাদের মধ্যে নজরুল ইসলাম বাচ্চু নামে সম্ভবনাময় কন্ঠ শিল্পী নিহত হয়ে ছিল, শামীম ওসমান (তৎকালিন ও বর্তমান এম.পি) সহ অনেকেই আহত হয়েছেন, নারায়ণগঞ্জ জেলা পরিষদের ভূতপূর্ব চেয়ারম্যান চন্দনশীল নামে এক সম্ভবনাময় উদিয়মান রাজনৈতিক যুব ব্যক্তিত্ব চিরতরে ২টি পা হারিয়েছেন এবং আরো অনেকেই পঙ্গু হয়েছে, এমন পৈচাশিক ঘটনার নিন্দা জানানোর কোন সূযোগ পাই নাই, কারো দু:ক্ষের সাথে তখন নিজের অশ্রু ঝড়াতে পারি নাই। মামলা হওয়ার পর নিজের উপর দ্বিক্কার জন্মে এ জন্য যে, ঘটনার সাথে যাদের সম্পৃক্ততা নাই তাদের’কে ২২ জন লোক হত্যার মামলায় জড়িয়ে দেয়ার নামই কি রাজনীতি? অপবাদ ও মানসিক যন্ত্রনা মাথায় নিয়ে আমাকে কাটাতে হয়েছে ১৩টি বৎসর। আমাদের বিরুদ্ধে ঘটনার সম্পৃক্ততা না পেয়ে উক্ত মামলাগুলিতে পুলিশ ফাইনাল রির্পোট দেয়, সুপ্রীম কোর্টের একজন বিচারপতি জুডিশিয়াল ইনকুয়ারী করে আমাদের নির্দোষ মন্তব্য করে ঘটনাটি তৃতীয় পক্ষ দ্বারা সংগঠিত হয়েছে বলে মন্তব্য করে প্রতিবেদন দেন। ২০০৮ ইং সালের ডিসেম্বর মাসে বাদী পক্ষের আবেদনে মামলাটি আবার পুন: চালু হয়। দীর্ঘ ১৩ বৎসর মামলাটি অমানুষিক যন্ত্রনা মাথায় নিয়ে চলাবস্থায় ০২/০৫/২০১৩ ইং তারিখে জানতে পারি যে, উক্ত পৈচাশিক ঘটনার সাথে আমাদের কোন সম্পৃক্ততা না থাকায় সি.আই.ডি উর্দ্ধতন কর্মকর্তাদের নির্দেশে মোকদ্দমা থেকে আমাদের অব্যাহতি দেয়ার প্রার্থনা করে। এ ঘটনায় যারা মৃত্যু বরণ বা আহত হয়েছে তারা রাষ্ট্রের পক্ষ থেকে কোন ক্ষতিপূরণ পেয়েছে কি না জানি না, তবে এ ক্ষতি পূরণ হওয়ার মত নয়। কারণ যারা নিহত বা আহত হয়েছে তারা ছিল সম্পূর্ণ নির্দোষ। পরবর্তীতে  এ মামলার অন্যতম অভিযুক্ত বুদ্ধিজীবি আবুল কালাম আজাদ, জাহাঙ্গীর কমিশনার, রফিক কমিশনার, মুক্তিযোদ্ধা কামাল হোসেন দুনিয়া থেকে চলে গেছে, ক্রস ফায়ারে নিহত হয়েছে মমিন উল্ল্যাহ ডেভিড। পৃথিবী থেকে আমরা চলে যাবো, কিন্তু আমাদের ভবিষ্যত বংশধরদের জন্য কি রেখে যাচ্ছি; এ ধরনের ঘটনায় কোন চির-শক্রুর মৃত্যু চাই না এবং মিথ্যা ভাবে কোন চির শক্রুকেও যেন রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণে আসামী না করা হয়। পৃথিবী হয়তো একদিন করোনা মুক্ত হবে, কিন্তু প্রতিহিংসা বা বর্ণ ও ধর্মীয় বৈষম্যোর ভাইরাস থেকে বাংলাদেশের রাজনৈতিক অংগন মুক্ত হবে কি না জানি না, তবে দৃশ্যপট বলে প্রতিহিংসার ভাইরাস করোনা ভাইরাস থেকে আরো জঘন্য ও নির্মম। মানুষ হত্যা এবং হত্যা মামলায় জেনে শুনে নির্দোষ ব্যক্তিকে জড়িয়ে আসামী করার পৈচাশিক সংস্কৃতি থেকে বাংলাদেশ মুক্তি পাক এটা দৃঢ়ভাবে কামনা করি।

প্রতিহিংসার কারণে রাজপথে বিএনপি’র মিছিলে আওয়ামীলীগের গুলি শরীরে এখনো বহন করছি, একই ঘটনায় নিহত হয়েছিল সহকর্মী ইব্রাহিম। রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণে আমাকে, আমার পরিবার ও সহকর্মীদের রাষ্ট্রীয় প্রশাসন অকারনে মিথ্যা মামলায় জর্জরিত করেছে, বাড়ী ঘরে হামলা করেছে, নারায়নগঞ্জের আমার চেম্বার পুড়িয়ে দিয়েছে, পুলিশ দ্বারা রাজপথে বার বার শারিরিকভাবে নির্যাতিত ও নিগৃত হয়েছি। রাষ্ট্রীয় সার্ভেন্ট যারা আমাদের গায়েবী মামলা দিয়েছে, বৈষম্য মূলক আচরণ করেছে, মিথ্যা মামলায় জেল খাটাইয়াছে তাদের সকলকেই আল্লাহ মাফ করে দিন, আমি যদি কারো প্রতি প্রতিহিংসামূলক আচরন করে থাকি, তাদের নিকট আমিও জোর হাতে মাফ চাই।

তবে একটা কথা বলতে চাই যে, ঘটনা ঘটায় একজন বা একদল অথচ প্রতিহিংসার কারণে মামলায় জড়ানো হয় অন্যজনকে, এ সংস্কৃতি থেকে মানবজাতি বা আমাদের সমাজ কি সরে আসবে না? মিথ্যা আসামী দেয়ার কারণে মূল আসামী রক্ষা পেয়ে যায়। দিল্লীর রেল ষ্টেশন বোমামেরে উড়িয়ে দেয়ার সময় ফরিদপুর নিবাসী সহোদর আনিসুল মোরসালিন ও মহিবুল মুত্তাকিন যদি নারায়নগঞ্জে ১৬ই জুনের (২০০১ ইং) বোমা বিস্ফোরনের ঘটনার কথা স্বীকার না করতো তবে হয়তো এতো দিনে দেশের আইন ও আদালত আমাদের গলায় দড়ি লাগিয়ে দিতো। পরম করুনাময় আল্লাহপাক বলেছেন যে, “তোমাদের ইচ্ছা কোন বিষয় গোপন রাখা, কিন্তু আমার অভিপ্রায় তা প্রকাশ করা।” পরমকরুনাময় আল্লাহ সত্যকে প্রকাশ করে আমাদের উপর মেহেরবানী করেছেন, তাই আল্লাহপাকের দরবারে লক্ষো কোটি শুকরিয়া।

লেখক-জ্যেষ্ট আইনজীবী ও কলামিস্ট

 

পরে

নারায়ণগঞ্জে সরকারি হাসপাতালে অজ্ঞাত রোগীদের চিকিৎসার জন্য বিশেষ ইউনিট দাবী

আগে

Hyperino Casino – Schnelle Slot‑Gewinne & Instant Play

আগে

Hyperino Casino – Schnelle Slot‑Gewinne & Instant Play

Leave a Reply Cancel reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




খবর

  • মহানগনর
  • ফতুল্লা থানা
  • আন্তর্জাতিক
  • আমাদের নারায়ণগঞ্জ
  • খেলাধূলা
  • খোলাকলম
  • জাতীয়
  • তথ্য ও প্রযুক্তি
  • পদপ্রার্থী
  • ফতুল্লা থানা
  • বন্দর থানা
  • বিজয় বার্তা ২৪ পরিবার
  • বিজয় বার্তা ২৪ স্পেশাল

প্রকাশক ও সম্পাদক

গৌতম সাহা
মোবাইলঃ-০১৯২২৭৫৮৮৮৯, ০১৭১২২৬৫৯৯৭।
ইমেইলঃ-bijoybarta24@gmail.com

  • Bijoybarta24.com | স্বাধীনতার কথা বলে
  • Homepage
  • Homepage
  • যোগাযোগ

© 2020 BijoyBarta24 Design By HostGine.

No Result
সকল নিউজ
  • হোম
  • জাতীয়
    • রাজনীতি
    • সমগ্র বাংলা
  • মহানগর
    • ফতুল্লা থানা
    • বন্দর থানা
    • সদর থানা
    • সিদ্ধিরগঞ্জ থানা
  • শহরের বাইরে
    • আড়াইহাজার থানা
    • রুপগঞ্জ থানা
    • সোনারগাঁ থানা
  • আন্তর্জাতিক
  • খেলাধূলা
  • বিনোদন
  • খোলাকলম
  • শিল্প ও সাহিত্য
  • তথ্য ও প্রযুক্তি
  • অন্যান্য
    • শিক্ষাঙ্গন
    • স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা
    • অর্থনীতি
    • ভিডিও নিউজ

© 2020 BijoyBarta24 Design By HostGine.