বিজয় বার্তা ২৪ ডট কম
মুক্তিযুদ্ধ পূর্বক স্বাধীনতার সকল আন্দোলন এবং মুক্তিযদ্ধ চলাকালীন সময়ে মুক্তিযদ্ধ স্বপক্ষের শক্তি এবং স্বাধীনতার বিরোধীদের সঠিক ইতিহাস বর্তমান ও পরবর্তী প্রজন্মের নিকট তুলে ধরার লক্ষ্যে ১১ দফা দাবিতে জেলা প্রশাসক জসিম উদ্দিনের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বরাবর স্মারণলিপি দিয়েছে ‘মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চ’ নারায়ণগঞ্জ জেলা ও মহানগর কমিটির নেতৃবৃন্দরা।
মঙ্গলবার সকালে জেলা প্রশাসকের কার্যলয়ে মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চ নারায়ণগঞ্জ জেলা শাখার সভাপতি সৈয়দ রনি আলম ও মহানগর শাখার সভাপতি সৈকত বাপ্পির স্বাক্ষরিত ১১ দফা দাবী উল্লেখিত স্মারক লিপি প্রদান কালে উপস্থিত ছিলেন, ‘মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চ’ নারায়ণগঞ্জ জেলা শাখা কমিটির সভাপতি সৈয়দ রনি আলম, মহানগর শাখার সভাপতি সৈকত বাপ্পি, জেলার সাধারণ সম্পাদক আল মামুন কাউসার, সহ-সভাপতি ফরিদ হোসেন ফাহিম, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ইয়াছিন জামান সৌরভ, সাংগঠনিক সম্পাদক জুবায়ের হোসেন নাঈম, মহানগর কমিটির সাধারণ সম্পাদক আরিফ হোসেন ঢালী, সহ-সভাপতি মোঃ কামরুল ইসলাম, যুগ্ম সম্পাদক মোঃ শামীম, সাংগঠনিক সম্পাদক শেখ সুমন, মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চ নারায়ণগঞ্জ জেলা শাখার সায়েক শহিদ রেজা, পারভেজ আহাম্মেদ রওনক, সায়মন খান জয়সহ মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চ নারায়ণগঞ্জ জেলা ও মহানগর শাখার অন্যান্য নেতৃবৃন্দরা। ১১ দফা দাবীগুলো হল- মুক্তিযোদ্ধা কোটা বহাল করতে হবে এবং কমিশন গঠন করে কোটার পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়ন করতে হবে। মুক্তিযোদ্ধাদের সাংবিধানিক স্বীকৃতি প্রদান ও মুক্তিযোদ্ধা পরিবার সুরক্ষা আইন প্রণনয়ন করতে হবে। ১ লা ডিসেম্বর কে জাতীয়ভাবে মুক্তিযোদ্ধা দিবস হিসেবে স্বীকৃতি ও সরকারী ছুটি ঘোষণা করতে হবে। দূর্নীতিবাজ, মাদক ব্যবসায়ী, শেয়ার বাজার লুটকারী, ঋণখেলাপীরা রাষ্ট্রের শত্রু। এদেরকে চিহ্নিত করে আইনের আওতায় এনে বিচার করতে হবে। যুদ্ধাপরাধী ও তাদের বংশধরদের উপজেলা ভিত্তিক তালিকা দ্রুত প্রণনয়ন করতে হবে। যুদ্ধাপরাধী ও তাদের বংশধররা যারা সরকারী চাকুরীতে বহাল আছে তাদের বরখাস্ত করতে হবে। যুদ্ধাপরাধী, স্বাধীনতা বিরোধী ও তাদের বংশধরদের সকল স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তি ও পরিচালিত প্রতিষ্ঠান সমূহ রাষ্ট্রের অনুকূলে বাজেয়াপ্ত করতে হবে। বিভিন্ন সময় গণমাধ্যমে ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস বিকৃতিকারী এবং বঙ্গবন্ধু, মুক্তিযুদ্ধ, মুক্তিযোদ্ধা ও প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে কটাক্ষকারীদের বিরুদ্ধে পাশ্চাত্যের হলোকাস্ট এ্যাক্ট বা জোনোসাইড ডিনাইয়াল ল এর আদলে আইন করে রাষ্ট্রদ্রোহী হিসেবে বিচার করতে হবে। কোটা সংস্কার আন্দোলনে উষ্কানীদাতা ও গুজব সৃষ্টিকারীদের চিহ্নিত করে বিচার করতে হবে। কোটা সংস্কার আন্দোলনের নামে বিদেশী অনুদানে রাষ্ট্র বিরোধী ষড়যন্ত্রকারীদের চিহ্নিত করে দৃস্টান্তমূলক শাস্তি দিতে হবে। তদন্ত কমিটির রিপোর্ট দ্রুত প্রকাশ করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের বাসভবনে হামলাকারীদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় এনে দ্রুত বিচার করতে হবে। বিভিন্ন ফেইসবুক গ্রুপ ও পেইজ যেমন- কোটা সংস্কার চাই, বাঁশের কেল্লা, বিসিএস আওয়ার গোল’স, অপরাজেয় বাংলা, স্বপ্নের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সহ বিভিন্ন গ্রুপ ও পেইজে বঙ্গবন্ধু, মুক্তিযুদ্ধ, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও মুক্তিযোদ্ধাদের নিয়ে কটুক্তিকারী এবং এসব গ্রুপ ও পেইজের এডমিন ও মডারেটরদের চিহ্নিত করে বিচার করতে হবে।

