বিজয় বার্তা ২৪ ডট কম
স্কুলছাত্রী বেঁচে থাকলেও তিন আসামি কেন ধর্ষণের পর হত্যা করে মরদেহ নদীতে ভাসিয়ে দেয়ার জবানবন্দি দিয়েছে তার ব্যাখ্যা চেয়েছে আদালত।
নারায়ণগঞ্জ সদর মডেল থানার ওসি আসাদুজ্জামান ও মামলার তদন্ত কর্মকর্তা আব্দুল হাইকে আদালতে তলব করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার দুপুরে নারায়ণগঞ্জ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট তৃতীয় আদালত এ আদেশ দেন।
আগামী দুই কার্যদিবসের মধ্যে সশরীরে উপস্থিত হয়ে এ ব্যাখ্যা দেয়ার নির্দেশ দেন আদালত। পাশাপাশি আগামী সোমবার এই মামলায় গ্রেফতার চার আসামির একত্রে জামিন ও রিমান্ড শুনানি হবে বলে আদেশ দেন সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট কাওসার আলমের আদালত।
আদালত বলেন, ভুক্তভোগী যেহেতু বেঁচে আছেন সুতরাং হত্যার বিষয়টি মিথ্যা। তাছাড়া ধর্ষণের বিষয়টিও নিশ্চিত নয়। আসামিরা কেন হত্যা ও ধর্ষণের জবানবন্দি দিয়েছে তার ব্যাখ্যা দিতে আগামী দুই কার্য দিবসের মধ্যে ওসি ও তদন্ত কর্মকর্তাকে নির্দেশ দেয়া হলো।
নগরীর দেওভোগ পাক্কা রোড এলাকার পঞ্চম শ্রেণির এক ছাত্রী গত ৪ জুলাই নিখোঁজ হয়। বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজির পর ১৭ জুলাই সদর মডেল থানায় একটি জিডি ও এক মাস পর ৬ আগস্ট একই থানায় অপহরণ মামলা করেন তার বাবা। ২৩ আগস্ট দুপুরে বন্দরের নবীগঞ্জ রেললাইন এলাকায় সুস্থ ও স্বাভাবিক অবস্থায় পাওয়া যায় নিখোঁজ ওই ছাত্রীকে। এ ঘটনায় চারদিকে তোলপাড় সৃষ্টি হয়।

