বিজয় বার্তা ২৪ ডট কম
সিদ্ধিরগঞ্জের মাদক স¤্রাট লঞ্চ সোহেলের মাদক বিক্রয়ের তথ্য দেওয়ায় এলাকাবাসীকে হুমকি দিচ্ছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। তবে এলাকাবাসী তার অজানা অনেক কাহিনি ইতোমধ্যে প্রকাশ করলেও সম্প্রতি সংবাদ প্রকাশের পর মাদক ব্যবসার অর্থদাতা ও সেল্টার দাতার নাম প্রকাশসহ লঞ্চ সোহেলের অজানা অনেক কাহিনি প্রকাশ করেছে। তবে প্রশাসনের কর্তা ব্যক্তিরা মাদক ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে জিহাদ ঘোষনা করলেও কিছু অসাধু কর্মকতার জন্য মাদক ও অপরাধ নির্মূল করতে পারছেনা বলে এমনটাই দাবি করছে সচেতন মানুষ।
জানা গেছে, বরিশাল জেলার আবুল মিয়ার ছেলে লঞ্চ সোহেল ছোট বেলা থেকেই এক সময়ের মাদক ব্যবসায়ী রোকসানার সহযোগী ছিলো। চতুর লঞ্চ সোহেলের সাথে মাদক ব্যবসায়ীদের দ্রুত সখ্যতা হয়। পরে রোকসানাকে পল্টি দিয়ে নিজেই মাদক ব্যবসা শুরু করেন। এর আগে ঠান্ডা মাথার লঞ্চ সোহেল তার মাদক বহনকারী গাড়ির ড্রাইভার জুয়েলকে সুকৌশলে নির্মমভাবে হত্যা করে। পুলিশ লাশ উদ্ধার করতে গেলে মাথা ও শরীর বিভিন্ন অংশ আলাদা পায়। এ মামলার চার্জশিটভুক্ত আসামী লঞ্চ সোহেল। তাছাড়া ৪নং ওয়ার্ডে মোহাম্মদীয়া হোটেলের পিছনের রেলওয়ের সরকারী দখল করে বহুতল ভবন করার জন্য আশপাশের লোকদের ভয়ভীতি দেখিয়ে উঠিয়ে দিচ্ছে মাদক স¤্রাট লঞ্চ সোহেল।
এলাকাবাসী আরো জানান, সোহলে তার একটি নিজস্ব বাহিনী দিয়ে ছিনতাই, চুরি, ডাকাতি করিয়ে থাকে। প্রশাসনের অনেকই লঞ্চ সোহেলের বিষয়টি জেনেও না জানার ভাব করে থাকে তাকে গ্রেপ্তার করছেনা।
লঞ্জ সোহেলের বর্তমান সেল্টার দাতা হচ্ছে সাবেক নারী কাউন্সিলর ও সাত খুনের মামলার ফাঁসির আসামী নুর হোসেনর সাবেক স্ত্রী জান্নাতুল ফেরদৌস নিলা ও নারায়নগঞ্জ ৪ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য আলহাজ্ব গিয়াস উদ্দিনের ভাই ও বর্তমান ৫ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর গোলাম মোহাম্মদ সাদরিলের চাচা তেলচোর নজরুল ইসলাম। এ ভয়ংঙ্কর নজরুলের সেল্টারে থেকে সিদ্ধিরগঞ্জে অপরাধ জগত নিয়ন্ত্রণ করছে।
এদিকে এলাকাবাসী মাদক স¤্রাট লঞ্চ সোহেল ও তার সেল্টারদাতাদের গ্রেপ্তার করার জন্য র্যাব ও পুলিশ সুপারের হস্তক্ষপ কামনা করছে।
