বিজয় বার্তা ২৪ ডট কম
রাস্তার পাশে দাড়িয়ে থাকা ৫ টি গাড়ির গ্লাস ভাংচুর করার অভিযোগ পাওয়া গেছে সিদ্ধিরগঞ্জ থানার এস আই রফিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে। গার্মেন্টের শ্রমিক বহনকারী গাড়িগুলো রাস্তার পাশে দাঁড়ানো ছিল। এসময় গাড়ির গ্লাস ভাংচুর করার প্রতিবাদ করায় এসময় এসআই রফিকুল ইসলাম এক গাড়ির মালিককে গজারির লাঠি দিয়ে জোরে বাড়ি দিলে ঐ ব্যক্তির আঙ্গুল ফেটে রক্ত বের হয়। অহেতুক এসআই রফিকুল ইসলামের এহেন তান্ডবে হতবাক হয়ে পড়ে প্রত্যক্ষদর্শীরা।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, সোমবার সকাল ১০ টায় শিমরাইল মোড় থেকে সিদ্ধিরগঞ্জ থানার (এসআই) রফিকুল ইসলাম একটি গাড়ি যোগে সিদ্ধিরগঞ্জপুল আসছিল। এসময় হঠাৎ করে তিনি মেসার্স রাইয়ান সিএনজি ষ্টেশনের পাশে দাড়ানো ৪ টি গাড়ির গ্লাস ভেঙ্গে ফেলে।
এতে প্রত্যক্ষদর্শীরা প্রতিবাদ করলে তিনি প্রত্যক্ষদর্শীদের জানায়, ঢাকার আমাদের হেড কোয়ার্টার থেকে গাড়িগুলোর গ্লাস ভাংচুর করতে নির্দেশ এসেছে। তাই এগুলোর গ্লাস ভাংচুর করছি। এসময় তিনি স্থান ত্যাগ করে সিদ্ধিরগঞ্জপুলে গিয়ে আরেকটি গাড়ির গ্লাস ভাংচুর করে। অহেতকু গাড়ির গ্লাস ভাংচুর কেন করা হচ্ছে এসআই রফিকুল ইসলামকে ঐ গাড়ির মালিক প্রশ্ন করলে তিনি ক্ষিপ্ত হয়ে ঐ মালিককে লাঠি দিয়ে জোরে প্রহার করলে গাড়ির মালিকের আঙ্গুল ফেলে ঝর ঝর করে রক্ত বের হতে থাকে। ঘটনার আকস্মিকতায় হতবাক হয়ে পড়ে প্রত্যক্ষদর্শীরা। এসময় তারা ঘটনাসস্থলে জড়ো হলে এসআই রফিকুল ইসলাম অশ্লীল ভাষায় গালমন্দ করতে থাকে।
এস আই রফিকের এহেন কর্মকান্ডে অনেক প্রত্যক্ষদর্শীকে প্রশ্ন করতে শোনা গেছে, পুলিশ কি আসলেই জনগনের বন্ধু? প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, এসআই রফিকুল ইসলামের গাড়ি ভাংচুরের সময় তাকে অপ্রকৃতিস্থ ও উসখুশ অবস্থায় দেখা গেছে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, সময় এ রোডে কোন রকম যানজটও ছিল না। গাড়িগুলো রাস্তার একেবারে পাশেই চাপানো ছিল। অহেতুক এসআই রফিকুল ইসলাম গাড়িগুলোর উপর ক্ষীপ্ত হওয়ার ঘটনায় কোন কারণ খুঁজে পাচ্ছে না প্রত্যক্ষদর্শীরা।
এ বিষয়ে এসআই রফিকুল ইসলাম জানান, তিনি কোন গাড়ির গ্লাস ভাঙচুর করেননি। গাড়িগুলোর কারনে যানজট হচ্ছিল এজন্য তাদেরকে সরিয়ে দিয়েছি।
