বিজয় বার্তা ২৪ ডট কম
দৈনিক ভোরের কথার সম্পাদক আরিফুজ্জামান আরিফকে এস আই বাশার শারীরিক ভাবে লাঞ্চিত করায় নারায়ণগঞ্জের কর্মরত সাংবাদিকরা সড়ক অবরোধ করে চাষাঢ়া বিজয় স্তম্ভ চত্বরে অবস্থান নেয়।
বুধবার রাত সাড়ে নয়টায় নারায়ণগঞ্জের চাষাঢ়া খাজা মার্কেটের সামনে এ ঘটনা ঘটে। বিষয়টি তাৎক্ষনিক সাংবাদিক মহলে ছড়িয়ে পড়লে এসআই বাশারের বিচার দাবীতে কর্মরত সাংবাদিকরা রাস্তায় নেমে আসে।
সরেজমিনে ঘটনার বিবরণে জানা যায়, দৈনিক ভোরের কথার ষ্টাফ রিপোর্টার হেমায়েত উদ্দিন আহম্মেদ তৌহিদ ও সাংবাদিক এসএম বাবুলকে সাথে নিয়ে সম্পাদক আরিফ চা খেতে নিচে নামেন। এসময় সদর থানার এসআই বাশার ফুটপাত থেকে চাঁদা তুলছিলেন, ফুটপাত দোকানীরা তার চাঁদা দিতে অস্বীকার করায় তাদেরকে দোকান উঠিয়ে নিতে বলেন তিনি।এসময় ভোরের কথার সম্পাদক আরিফ এস আই বাশারকে হাসি মুখে বলেন, ভাই হকাররা গরীব মানুষ ওদের পেটে লাথি দিয়েন না এই কথা বলতেই এসআই বাশার সম্পাদক আরিফকে হঠ্যাৎ কোন কিছু বলার সুযোগ না দিয়ে গাড়ি থেকে নেমে এসে তার গায়ে হাত তুলেন। সম্পাদক আরিফ তখন বলেছিলেন, আমি একজন সম্পাদক আর আপনি আমাকে ভালোভাবেই চিনেন। তখন বাশার বলেছিলো, তাতে কি হয়েছে। এসময় ষ্টাফ রিপোর্টার হেমায়েত উদ্দিন আহম্মেদ তৌহিদ তার একটি ছবি তুললে তাকেও মারতে উদ্দত হয়। পরবর্তীতে ঘটনাটি সাংবাদিক মহলে ছড়িয়ে পড়লে রাত সাড়ে দশ টায় নারায়ণগঞ্জের কর্মরত সাংবাদিকরা বিজয় স্তম্ভ চত্বরে অবস্থান নেয়, যার ফলে আশপাশে সড়কগুলিতে যানজটের সৃষ্টি হয়। এরফলে বঙ্গবন্ধু সড়ক প্রায় পৌনে এক ঘন্টা অবরুদ্ধ থাকে।
পরবর্তীতে খবর পেয়ে সদর থানার ওসি আসাদুজ্জানমান ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন। ঘটনার বিবরণ জানতে পেরে তিনি উপস্থিত সাংবাদিকদের জানান, বিষয়টি উপর মহলে জানানোর পর প্রাথমিকভাবে তাকে ক্লোজড করা হয়েছে। আগামীকালের মধ্যে এসআই বাশারের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে। এই আশ্বাসের পরিপ্রেক্ষিতে নারায়ণগঞ্জের কর্মরত সাংবাদিকরা তাদের অবস্থান থেকে সড়ে আসে। এরপরই জেলার স্থানীয় বিভিন্ন পত্রিকার সম্পাদক এবং সিনিয়র সাংবাদিক আব্দুস সালাম, নারায়ণগঞ্জ নিউজ পেপার অনার্স এসোসিয়েশনের যুগ্ম সম্পাদক রাজু আহম্মেদ, বন্দর প্রেস ক্লাবের সভাপতি কমল খান, দৈনিক সমকালের জেলা প্রতিনিধি এমএ খান মিঠু, নারায়ণগঞ্জ সাংবাদিক সংগ্রাম পরিষদের নেতৃবৃন্দ, সিটি প্রেস ক্লাবের নেতৃবৃন্দ, অনলাইন নিউজ পোর্টাল নিউজ নারায়ণগঞ্জ এর ষ্টাফ রিপোর্টার মামুন এবং অন্যান্য গণমাধ্যমের সাংবাদিকরা সিদ্ধান্ত নেন, যদি আগামীকাল বেলা ১২ টার মধ্যে এসআই বাশারের বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা নেয়া না হয় তাহলে দুপুর ১ টায় জেলা পুলিশ সুপারের কার্যালয় ঘেরাও কর্মসূচীর ঘোষনা দেয়।
