বিজয় বার্তা ২৪ ডট কম
ফতুল্লার এতিহ্যবাহি সংগঠন বন্ধুমহল ক্লাবের হিসাব দাবী করলেন ফতুল্লার বিশিষ্টজনেরা। সোমবার দুপুরে ফতুল্লা সরকারী প্রাইমারী স্কুলের “মিড ডে মিল” অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে ফতুল্লা থানা কমিউনিটি পুলিশিং সমন্বয় কমিটির সভাপতি মীর মোজাম্মেল আলী ও চৌধুরীবাড়ীর প্রবীন ব্যাক্তি হাবিবুর রহমান চৌধুরী এ দাবী জানান।
উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন নারায়নগঞ্জ সদর উপজেলার নির্বাহী অফিসার আফরোজা আকতার চৌধুরী। ফতুল্লা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও প্রাইমারী স্কুলের সভাপতি খন্দকার লুৎফর রহমান স্বপনের সভাপতিত্বে আরো বক্তব্য রাখেন জেলা প্রাইমারী শিক্ষা অফিসার সৈয়দা মাহফুজা বেগম, উপজেলা শিক্ষা অফিসার মনিরুল হক,সহকারী উপজেলা শিক্ষা অফিসার আকরাম হোসেন,ফতুল্লা থানা যুবলীগের সভাপতি মীর সোহেল,ফতুল্লা প্রেসক্লাবের সভাপতি সৈয়দ ওবায়েদউল্লাহ,শাহ ফতেউল্লাহ মাদ্রাসার সভাপতি হামিদুর রহমান চৌধুরী,সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক ফতুল্লা শাখার ব্যাবস্থাপক ফতুল্লা বন্ধু মহল ক্লাবের সহসভাপতি খন্দকার হুমায়ুন কবীর,ফতুল্লা বাজার জামে মসজিদের যুগ্ম সম্পাদক সৈয়দ মিজানুর রহমান,থানা ছাত্রলীগের সভাপতি আবু মোঃ শরীফুল হক,ফতুল্লা রিপোর্টার্স ক্লাবের সভাপতি রনজিৎ মোদক, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী মোঃ আজাদ,সমাজসেবক কাজী আব্দুল করিম, হান্নান চৌধূরীসহ এলাকার গন্যমান্য ব্যাক্তিবর্গ ও শিক্ষার্থীদের অভিভাবকবৃন্দ।
প্রধান অতিথি উপজেলা নির্বাহী অফিসার বক্তব্যে বলেন, সমাজে যারা বিত্তবান, যারা সমাজসেবী, তারা স্থানীয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সাহায্যের হাত বাড়ালে দেশের শিক্ষার মান আরো উন্নতি হবে। যারা শিক্ষার্থীর মিড মিল এর ব্যবস্থা করছেন তারা ও তার পরিবার শিক্ষার্থীদের দোয়া পাবেন। এই মহৎ কাজে মানুষের সেবা করে সমাজে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার সহজ উপায়।
তিনি এই প্রতিষ্ঠানের জন্য সরকারী কাজে সকল প্রকার সহযোগিতার আশ্বাস দিয়ে বলেন,এই প্রতিষ্ঠানের পড়াশুনার মান খুবই ভালো। এখানের পরিচালনা কমিটি ও এলাকার গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গের উদ্যোগও অনেক ভালো। এভাবে মিড মিল যেন নিয়মিত করা যায়, তাহলে শিক্ষার্থীর মন আরো প্রফুল্ল থাকবে। শিক্ষার্থীরা ক্লাস ফাঁকি দিবে না। উপস্থিতি বেড়ে যাবে।
অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে হাবিবুর রহমান চৌধুরী ও মীর মোজাম্মেল আলী বলেন,এলাকার ঐতিহ্যবাহি সংগঠন বন্ধুমহল ক্লাবের কোন খেলাধূলা কিংবা সাংস্কৃতিক কর্মসূচী না থাকায় কর্মকান্ডে স্থবিরতা নেমে এসেছে। এ ক্লাবের হিসাব-নিকাশেরও কোন জবাবদিহিতা নেই।
সার্বিক তত্ত্বাবধানে ছিলেন ম্যানেজিং কমিটির সদস্য নিয়াজ মোহম্মদ চৌধুরী, মীর ফয়সাল আলী, সালাউদ্দিন কাদের মুক্তি, প্রধান শিক্ষিকা সালমা ইসলাম। অনুষ্ঠান রসালো উপস্থাপনায় ছিলেন সহকারী শিক্ষক গাজী আ. মোতালেব, চতুর্থ শ্রেনীর কর্মচারী মোক্তার হোসেন।
