বিজয় বার্তা ২৪ ডট কম
নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের সাংসদ আলহাজ্ব একেএম শামীম ওসমান বলেছেন, অনেকেই বলেন সিটি কর্পোরেশনের নাকি অনেক উন্নয়ন হয়েছে। উন্নয়নতো হয়েছে বটে রাস্তা-ঘাটগুলো উপযোগী হয়েছে। আরো উন্নয়ন হয়েছে অমার ভাই কি যেন নাম আবু সুফিয়ানের। আমি ভেবেই পাইনা সে কি করে একটা চরিত্রহীণকে নিয়ে এক রিকশায় চলাফেরা করে। মেয়র আইভীকে আমি ছোট বোন মনে করি বলেই বলছি। কারণ,ওই ব্যাটা সুফিয়ানতো একটা লম্পট। মদ খেয়ে নারী নিয়ে ফুর্তি করতে গিয়ে মুন্সিগঞ্জে ধরা পড়েছিল আবার আইভীই তাকে ছাড়িয়ে আনে।
শনিবার বিকেলে ৫টায় জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪১তম শাহাদাৎবার্ষিকী উপলক্ষ্যে এবং ২১ শে আগষ্ট গ্রেনেড হামলায় নিহতদের স্মরণে মাহমুদনগরস্থ ঈদগাহ ময়দানে মফিজুল ইসলাম স্মৃতি সংসদ আয়োজিত দোয়ার মাহফিল পূর্বক অনুষ্ঠানে প্রধাণ অতিথি’র বক্তৃতাকালে তিনি এসব কথা বলেন।
শামীম ওসমান আরো বলেন, অপেক্ষা করুন সবকিছুই জানতে পারবেন কতবড় দুণীতি হয়েছে তার মুখোশ আমি খুলে দিব। থেকে ৪শ’ কোটি টাকা চুরির হিসেব আমার কাছে আছে। সময় এলে সব তুলে ধরব। সকালে আওয়ামীলীগ বিকালে বিএনপি সন্ধায় জামায়াত করবেন তা চলবেনা। আমার নেত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার অনেক ধৈর্য্য। এতো ধৈর্য্যশীল মানুষ আমি দেখিনি। বাবা-মাসহ গোটা পরিবারের ২২জন সদস্যকে হত্যার পর কে-ইবা ঠিক থাকতে পারে। তবুও দেশরত্ন শেখ হাসিনাতো পাগল হয়ে যাননি। তিনি তার বাবার স্বপ্নকে নিজের মনে করে ভাবতে শুরু করছেন বলেই আজকে যুদ্ধাপরাধীদের বিচার হয়েছে। দেশ ক্রমান্বয়ে উন্নতির শিখরে পৌঁছতে শুরু করছে। অপরদিকে দেশে শান্তির ধর্মকে অশান্তির ধর্ম বানানোর চেষ্টা করছেন আর তাইতো পেট্রোল বোমা হামলার এবার জঙ্গী হামলা শুরু করছেন। ৭১রে বঙ্গবন্ধুর ৩টি অপরাধ করেছিলেন যার একটি হচ্ছে দেশ স্বাধীন,দ্বিতীয়ত বাংলার গরীব মেহনিত মানুষকে ভালবাসা এবং তৃতীয়ত বাংলাদেশকে নিয়ে সোনার বাংলা গড়া স্বপ্ন দেখেছিলেন। ৩টি অপরাধই বঙ্গবন্ধুর জীবনে কাল হয়ে দাড়ায়। সবচেয়ে বড় কথা হচ্ছে বাবার মৃত্যুর পর একটা লোককেই দেখেছি আমাদের পরিবারের সবার জন্য ভাবতেন সেটা হচ্ছে মফিজ চাচা। মফিজ চাচার কারণেই বাবার অভাব বোধ হয়নি।
মফিজুল ইসলাম স্মৃতি সংসদের সভাপতি ও আওয়ামীলীগ নেতা সোহেল করিম রিপনের সভাপতিত্বে দোয়া অনুষ্ঠানে প্রধাণ আলোচক হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা করেন নারায়ণগঞ্জ মহানগর আওয়ামীলীগের সভাপতি আলহাজ্ব আনোয়ার হোসেন। প্রবীণ আওয়ামীলীগ নেতা বাবুল ইসলামের সহযোগিতায় ২০ নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগ নেতা ডাঃ শফিউল্লাহ মিয়া ও শাহজাহান মিয়ার সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে ছিলেন বন্দর থানা আওয়ামীলীগের সভাপতি বীরমুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব এম এ রশীদ,নারায়ণগঞ্জ মহানগর আওয়ামীলীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি আলহাজ্ব নূরুল ইসলাম চৌধুরী,যুগ্ম সম্পাদক জিএম আরমান,সাংগঠনিক সম্পাদক জিএম আরাফাত,যুব ও ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ূন কবির মৃধা,তথ্য ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক বীরমুক্তিযোদ্ধা মোঃ আইয়ূব আলী,অন্যতম সদস্য এহসানুল হাসান নিপু,বন্দর থানা আওয়ামীলীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব আবেদ হোসেন,যুব ও ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক সহিদুল হাসান মৃধা,শহর যুবলীগের সভাপতি শাহ নিজাম,জেলা যুবলীগের পাঠাগার বিষয়ক সম্পাদক মামুন আহমেদ ইমন,মহানগর স্বেচ্ছাসেবকলীগের সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ জুয়েল হোসেন,নারায়ণগঞ্জ জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি সাফায়েত আলম সানি,মিজানুর রহমান সজিব,মহানগর ছাত্রলীগের আহবায়ক হাবিবুর রহমান রিয়াদ ও যুগ্ম আহবায়ক হাসনাত রহমান বিন্দু।
এ সময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন মরহুম মফিজুল ইসলামের মাহফুজুল ইসলাম রানা,মাহিদুল ইসলাম রাজন,নারায়ণগঞ্জ মহানগর শ্রমিকলীগের সহ-সভাপতি আলহাজ্ব জসিমউদ্দিন আহাম্মদ,বন্দর পৌর আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক এবিএম আমিরুল ইসলাম,যুগ্ম সম্পাদক তথা নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের ২২ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর প্রার্থী কাজী শহীদ আহাম্মদ,বন্দর থানা যুবলীগের সভাপতি এ্যাডভোকেট হাবিব আল মুজাহিদ পলু,সাংগঠনিক সম্পাদক এস আই জুয়েল,রেজাউল করিম রাজা,বন্দর পৌর যুবলীগের সভাপতি হাজী মোঃ সামাদ,সাধারণ সম্পাদক কাজী জহিরুল ইসলাম,মদনপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব এম এ সালাম,নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের ২৩ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর সাইফুদ্দিন আহাম্মদ দুলাল প্রধাণ,থানা আওয়ামীলীগের সাবেক কৃষি বিষয়ক সম্পাদক মোঃ শাহজাহান মোল্লা,সোনাাকান্দা ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাবেক ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক হাজী আলমগীর হোসেন (এমএসসি),প্রবীণ আওয়ামীলীগ নেতা আলহাজ্ব আবদুল হক মাতবর,হাজী মোঃ আমজাদ হোসেন,কলাগাছিয়া ইউনিয়ন জাতীয় পার্টির সভাপতি মোঃ বাচ্চু মিয়া,মোহাাম্মদ শাহ আলম,শফিকুল ইসলাম ঢালী(শফি মেম্বার),এম এ সালাম,বন্দর থানা শ্রমিকলীগের সাধারণ সম্পাদক রফিয়ান আহমেদ,১৯নং ওয়ার্ড শ্রমিকলীগের সভাপতি বীরমুক্তিযোদ্ধা মোতাব্বের হোসেন,সাধারণ সম্পাদক বীরমুক্তিযোদ্ধা মোঃ নূর হোসেন,১৯নং ওয়ার্ড মহিলা আওয়ামীলীগের সভাপতি তথা নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের ১৯,২০ ও ২১নং সংরক্ষিত ওয়ার্ডের নারী কাউন্সিলর প্রার্থী কামরুন নাহার রনকা,শেখ রাসেল স্মৃতি সংসদ জেলা শাখার আহবায়ক আলী আকরাম তারেক,কেন্দ্রীয় চলচ্চিত্রলীগ নেতা দেলোয়ার হোসেন মদিল,মহানগর যুবলীগ নেতা জসিম খন্দকার,মহসিন জালাল মনি,২১নং ওয়ার্ড যুবলীগ নেতা সামসুল হাসান,২৩নং ওয়ার্ড যুবলীগ নেতা ফারুক প্রধাণ,মহানগর স্বেচ্ছাসেবকলীগ নেতা রাজিবুল হাসান(ডানো),মতিউর রহমান রোজেল,জয় প্রধাণ,আরিফুর রহমান,উজ্জল চন্দ্র দে,জিয়াউদ্দিন সিকদার লাভলু,ইমরানুর রশীদ,মোঃ আল আমিন,বন্দর থানা মহিলা আওয়ামীলীগে সাংগঠনিক সম্পাদক নুরুন্নাহার সন্ধা,বন্দর পৌর ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ফারুক হোসেন জনি,২০ নং ওয়ার্ড ছাত্রলীগের সভাপতি হাসিবুল হক জিসান,২১নং ওয়ার্ড ছাত্রলীগের সভাপতি সাইফুর রহমান মিশুক,২২নং ওয়ার্ড ছাত্রলীগের সভাপতি রাসেল প্রধাণ প্রমুখ।

