বিজয় বার্তা ২৪ ডট কম
নারায়ণগঞ্জের বন্দর উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয় ঘেরাও বন্দর গার্লস স্কুল এন্ড কলেজের টেষ্ট পরীক্ষার্থীরা। সোমবার ৭ম দিনের প্রতিবাদ হিসেবে ওই কর্মসূচী পালণ করে। রোববার সকাল থেকেই শিক্ষার্থীরা বন্দর উপজেলা পরিষদ চত্ত্বরে অবস্থান করে। এ সময় তারা উপজেলা নির্বাহী অফিসারের নিকট তাদের অভিযোগ উপস্থাপন করলে নির্বাহী কর্মকর্তা পিন্টু বেপারী শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদেরকে জানান,জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের মিটিং শেষ করে তাদের সঙ্গে কথা বলতে পারবেন। পরবর্তীতে ঘটনাস্থলে নারায়ণগঞ্জ জেলা জাতীয় পার্টির আহবায়ক আলহাজ্ব আবুল জাহেরকে পেয়ে শিক্ষার্থীরা তাকে অবরুদ্ধ করে তার কাছ থেকে সহযোগিতা চাওয়া হলে আবুল জাহের তাৎক্ষণিকভাবে বন্দর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার আ ক ম নুরুল আমিনকে বিষয়টি দেখার জন্য অনুরোধ করেন এবং শিক্ষার্থীরা যাতে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে পারে সে ব্যাপারে সহযোগিতার অনুরোধও জানান। এদিকে শিক্ষার্থীদের অভিযোগ,বন্দর গার্লস স্কুল এন্ড কলেজের প্রধাণ শিক্ষক বদরুজ্জামান এবং গভর্ণিং বডির সভাপতি ও সদস্যরা সম্মিলিতভাবে যোগসূত্র রেখে প্রতিষ্ঠানটিকে অনিয়ম এবং দুর্ণীতির আখড়ায় পরিণত করে তুলেছে। এবারের এসএসসি’র টেস্ট পরীক্ষাায় ৯১নং রোলধারী মায়া আক্তার,৯৬রোলধারী দোলা আক্তার ,১০০রোলধারী বিথী মজুমদার সকল বিষয়ে ফেল করে এবং ৮৩রোলধারী তানজুম,৯০ রোলধারী সাফিয়া ও ৯ রোলধারী নাতাশা ৮ থেকে ১০এর নিচে গ্রেজ মার্ক করার পরও মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে কৃতকার্য করিয়েছে অথচ আমরা তাদের চাইতে অনেক অনেক মার্ক বেশি করেও কোন সুযোগ পাচ্ছিনা। আমরা এর প্রতিবাদ জানাই। মাননীয় শিক্ষা সচিব তথা মাননীয় শিক্ষামন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করছি। এ ব্যাপারে বন্দর উপজেলা নির্বাহী অফিসার পিন্টু বেপারীর সঙ্গে আলাপকালে তিনি সাংবাদিকদেরকে জানান, বন্দর গার্লস স্কুল এন্ড কলেজের টেষ্ট পরীক্ষার্থীদের অভিযোগ আমলে নিয়ে আমরা প্রতিষ্ঠানের প্রধাণ শিক্ষককে জিজ্ঞাসা করেছি। তিনি জানিয়েছেন,তিনি ছুটিতে থাকার কারণে ভারপ্রাপ্ত প্রধাণ শিক্ষকের দায়িত্ব পালণকারী ব্যাক্তিই তার ইমেজ ক্ষুন্ন করার জন্য সম্পূর্ণ বিষয়ে অকৃতকার্য হওয়া একজন পরীক্ষার্থীকে ফরম ফিলাপের সুযোগ দিয়েছে এজন্য তাকে শোকজ করা হয়েছে কিন্তু তিনি এখনো তার জবাব দেননি। নির্বাহী অফিসার আরো জানান,যে সকল শিক্ষার্থী আন্দোলন করছেন তাদের বিষয়ে বোর্ডে একটি চিঠি পাঠানো হয়েছে বোর্ড সিদ্ধান্ত না দেয়া পর্যন্ত আমাদের কিছুই করার নেই কেননা এটি সিদ্ধান্ত দেয়ার সম্পূর্ণ এখতিয়ার বোর্ডের।
