বিজয় বার্তা ২৪ ডট কম
নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের সাংসদ শামীম ওসমানের তত্ত্বাবধায়নে কঠোর নিরাপত্তার মধ্যে দিয়ে শান্তিপূর্ণভাবে ঈদুল আজহার সর্ব বৃহৎ জামাত অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বুধবার সকাল সাড়ে ৮টায় অনুষ্ঠিত জামাতে ইমামতি করেন চাষাঢ়া নুর মসজিদের খতিব আব্দুস সালাম।সকাল থেকেই শহরের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা মুসল্লিরা দলে দলে ঈদে গাহের দিকে ছুটে আসে।এসময় তারা নামাজ আদায়ের জন্য নিয়ে আসে জায়নামাজ ও তজবি।দলে দলে মুসল্লিদের অংশগ্রহনে ভরে যায় ঈদ গা এর সমস্ত স্থান। ঈদ গাহের ৮ টি পয়েন্টে রাখা নিরাপত্তা গেটে মুসল্লিদের তল্লাশি করে প্রবেশ করান জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তারা।
নারায়ণঞ্জের কেন্দ্রীয় ঈদগাহ, পাশের রাস্তা ও এর অপর পাশে অবস্থিত এ কে এম সামসুজ্জোহা স্টেডিয়াম মিলিয়ে এই জামাত অনুষ্ঠিত হয়।
রাস্তার দু পাশে জেলা প্রশাসনের সহযোগিতায় কঠোর নিরাপত্তা দিয়ে রাখা হয়। পরে সকাল সাড়ে ৮ টায় ঈদের নামাজ অনুষ্ঠিত হয়। নামাজ শেষে মুসলিম উম্মাহর ঐক্য ও শান্তি কামনা করে মোনাজাত করা হয়।

এসময় নামাজ আদায় করেন নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের সাংসদ শামীম ওসমান ও তার পুত্র অয়ন ওসমান, জেলা প্রশাসক রাব্বী মিয়া সহ বিভিন্ন রাজনৈতিক সংগঠন, সামাজিক সংগঠন ও ইসলামিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ ও বিভিন্ন শ্রেনী পেশার মানুষ।

শামীম ওসমান নামাজের আদায়ের পূর্বে তার সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে বলেন, এবার ঈদুল আজহা উপলক্ষে দেড় লাখ মুসল্লির নামাজ আদায়ের ব্যবস্থা করা হয়েছে। আর জেলা প্রশাসনের সহযোগীতায় কঠোর নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়। মুসল্লিদের নিরাপত্তা দিতে র্যাব, পুলিশ, আনসার বাহিনীর বিপুল সংখ্যক সদস্য মোতায়েন করা হয়। এছাড়া ঈদ গাহের চারপাশ সিসি ক্যামেরা দ্ধারা নিয়ন্ত্রন করা আছে। এই ঈদের জামাতে ইসলামের ঐক্যতা প্রকাশ পেয়েছে। এখানে সকল রাজনৈতিক ও ইসলাম সংগঠনের নেতৃবৃন্দ নামাজ আদায় করতে আসছেন। আমি তাদের ধন্যবাদ জানাই।আগামী ঈদুল ফিতরে আরো বৃহৎ আকারে ঈদের জামাতের ব্যবস্থা করবো ইনশা আল্লাহ।আমরা যতদিন বেঁচে থাকবো ততদিন আমরা এই ঈদের জামাত চালিয়ে যাবো। পরবর্তীতে পর্যায়ক্রমে আমাদের নতুন প্রজম্ম এই সর্ব বৃহৎ ঈদের জামাতের আয়োজন করবেন।যেখানে সবাই সম্মলিতভাবে নামাজ আদায় করবেন।


পরে সাংসদ শামীম ওসমান নামাজ শেষে মুসল্লিদের সাথে ঈদ শুভেচ্ছা বিনিময় করেন এবং নিরপত্তায় থাকা জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তাদেরকে ধন্যবা্দ জ্ঞাপন করেন।

এছাড়া শহরের খানপুর হাসপাতাল রোড এলাকায় আরেকটি ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়।
