BijoyBarta24.com
নারায়ণগঞ্জ,
এপ্রিল ১৮, ২০২৬
  • হোম
  • জাতীয়
    • রাজনীতি
    • সমগ্র বাংলা
  • মহানগর
    • ফতুল্লা থানা
    • বন্দর থানা
    • সদর থানা
    • সিদ্ধিরগঞ্জ থানা
  • শহরের বাইরে
    • আড়াইহাজার থানা
    • রুপগঞ্জ থানা
    • সোনারগাঁ থানা
  • আন্তর্জাতিক
  • খেলাধূলা
  • বিনোদন
  • খোলাকলম
  • শিল্প ও সাহিত্য
  • তথ্য ও প্রযুক্তি
  • অন্যান্য
    • শিক্ষাঙ্গন
    • স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা
    • অর্থনীতি
    • ভিডিও নিউজ
No Result
সকল নিউজ
  • হোম
  • জাতীয়
    • রাজনীতি
    • সমগ্র বাংলা
  • মহানগর
    • ফতুল্লা থানা
    • বন্দর থানা
    • সদর থানা
    • সিদ্ধিরগঞ্জ থানা
  • শহরের বাইরে
    • আড়াইহাজার থানা
    • রুপগঞ্জ থানা
    • সোনারগাঁ থানা
  • আন্তর্জাতিক
  • খেলাধূলা
  • বিনোদন
  • খোলাকলম
  • শিল্প ও সাহিত্য
  • তথ্য ও প্রযুক্তি
  • অন্যান্য
    • শিক্ষাঙ্গন
    • স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা
    • অর্থনীতি
    • ভিডিও নিউজ
No Result
সকল নিউজ
BijoyBarta24.com
No Result
সকল নিউজ

লোকনাথ বাবার মানব প্রেম

BIjoyBarta24 by BIjoyBarta24
জুন ২, ২০১৮
in লিড, সোনারগাঁ থানা
0
লোকনাথ বাবার মানব প্রেম
0
শেয়ার
0
VIEWS
Share on FacebookShare on Twitter

রণজিৎ মোদক,বিজয় বার্তা ২৪ ডট কম

“রণে বনে জলে জঙ্গলে যখনই বিপদে, আমাকে স্মরণ করো, আমিই রক্ষা করবো”। ভক্তের জন্য ভগবান তার কৃপা বর্ষণ করেন। আকাশে মেঘ ঘুরে বেড়ায় কিন্তু সেই মেঘ সব জায়গায় বর্ষিত হয় না। বাবা শ্রী শ্রী লোকনাথ করুণার মেঘ বর্ষণ করে গেছেন সর্বত্র। আজ ৩ জুন রবিবার, শ্রী শ্রী লোকনাথ ব্রহ্মচারী বাবার ১২৮ তম তিরোধান দিবস। পশ্চিম বাংলার ২৪ পরগনা জেলার চৌরাশীচাকলা গ্রামে ধর্মপ্রান রামনারায়ণ ঘোষাল শ্রীমতি কমলা দেবী বাস করতেন। বাংলা ১১৩৭ খ্রিঃ ১৮ ভাদ্র ১৭৩০ খ্রিঃ শুভ জন্মাষ্টমী তিথিতে লোকনাথ জন্মগ্রহন করেন। জন্মের পূর্বেই পিতা-মাতা লোকনাথকে ঈশ্বরে দান করার মনস্থির করেন। রামনারায়ণের চতুর্থ পুত্রকে মাত্র দশ বছর বয়সে শুভ দিন দেখে শ্রী ভগবান গাঙ্গুলীর হাতে তুলে দেন। লোকনাথের খেলার সাথী বেণী মাধব ও উপনয়ন ঘরে গ্রহন করে ত্যাগের জীবন বেছে নিলেন। ত্যাগ ভিন্ন ভগবানকে লাভ করা যায় না। মানব জীবন হচ্ছে ত্যাগের জীবন। ত্যাগের সাধনায় ব্রতী হলেন লোকনাথ ও বেণী মাধব। কালীঘাটে মায়ের মন্দিরে কিছুদিন অবস্থান করলেন। পরে আরো নির্জন স্থানে চলে যান। ব্রহ্মচার্য পালন করতে হলে প্রথমেই প্রয়োজন দেহ শুদ্ধির। এ কথা চিন্তা করেই উপবাসী ব্রত গ্রহন করেন। একের পর এক ব্রত পালনের মধ্য দিয়ে সিদ্ধির জগতে পা বাড়ালেন শ্রী শ্রী লোকনাথ ও বেণী মাধব।

পঞ্চাশ বছরের অধিককাল হিমালয়ে কঠিন তপস্যা করেন। গুরুদেব ভগবান গাঙ্গুলী জ্ঞান, ভক্তি, কর্ম ও অষ্টাঙ্গ যোগের সবকিছু শিক্ষা দেন। পরে তিনি শিষ্যদ্বয়কে নিয়ে মরুময় মক্কার উদ্দেশ্যে যাত্র করেন। কাবুলে মোল্লা সাদী নামে এক ধর্মপ্রাণ ব্যাক্তির সাথে দেখা হয়। সেখা লোকনাথ ব্রহ্মচারী কোরআন শিক্ষা গ্রহন করেন। পরে কাবুল থেকে তিনি মদিনায় আসেন। সেখানে ধর্মপ্রাণ মুসলমানগণ তাদের যথাযোগ্য সমাদর করেন। মক্কা-মদিনাবাসী সত্যিকারেই অতিথিপরায়ণ ছিলেন। ৪০০ শত বছর বয়সী মুসলমান সাধক আবদুল গফুরকে দর্শন করেন। তিনবার ায়ে হেঁটে লোকনাথ মক্কা ভূমি গিয়েছিলেন। মক্কা থেকে ভগবান গাঙ্গুলী তার শিষ্যদের নিয়ে শ্রীকাশিধামে বিশ্বনাথ দর্শন করেন। সেখানে কাশির চলন্ত শিব ত্রৈলঙ্গ স্বামীকে অভিবাদন জানান। ত্রৈলঙ্গ স্বামীর উপর লোকনাথ ও বেণী মাধবকে অর্পণ করেন। ভগবান গাঙ্গুলীর ১৫০ বছরের জীবনের পরিসমাপ্তি ঘটে। ত্রৈলঙ্গ স্বামীর কুটিরে বেশকিছু দিন রইলেন। বেণী মাধব আর লোকনাথ। সন্যাস জীবনের বাসনা জাগে দুই সাধক পুরুষের মনে। একদিন বাবা ত্রৈলঙ্গ স্বামীর সাথে পরিব্রাজক রূপে বেরিয়ে পড়েন, আরব, ইসরাইল, পারস্য, আফগানিস্তান, ইউরোপ। অবশেষে তারা আসেন মহা ভারতের হিমালয়ে। সম্পূর্ন অনাবৃত্ত দেহে হিমালয়ের দুর্গম পথ ভ্রমন করেছেন। তিন সাধক। কৈলাসের মানস সরোবর তুষার রাশি পেরিয়ে হেঁটে এলেন। সাইবেরিয়াতে। এখানে সূর্যালো প্রবেশ করতে পারে না। অন্ধকারময় পথ। দীর্ঘপথ হেঁটে এলেন মহা চীন দেশে। চীনের সীমান্ত পথে প্রহরীরা তাদের আটক করেন। অলৌকিক শক্তি দেখে প্রহরীরা তাদের ছেড়ে দেন। এ মহা তীর্থ হিমালয়ের শৃঙ্গগুলো অতিক্রম কালে তিব্বত এখান থেকে বদ্রীনাথ পাহাড়ে এসে কয়েকদিন অবস্থান করেন। সেখানে বাঘিনীর বাচ্চাদের দেখাশুনা করেছিলেন শ্রী শ্রী লোকনাথ। এরপর বাঘিনীর কাছ থেকে বিদায় নিয়ে নি¤œভূমির দিকে নেমে আসেন বেণী মাধব ও লোকনাথ। বেণী মাধব চললেন কামরূপ কামাখ্যার পথে। পরে লোকনাথ চলে এলেন চন্দ্রনাথ পাহাড়ে। এখানে বিজয় কৃষ্ণ গোস্বামী লোকনাথ বাবার ভক্ত হয়ে পড়েন।

বাবা বলতেন, আমি সারা পৃথিবী ঘুরে যা অর্জন করেছি, আমার সন্তানরা তা ঘরে বসে ভোগ করবে। বাবার সন্তানের মঙ্গলকামনায় ত্রিপুরা থেকে দাউদকান্দি এক নির্জন বৃক্ষতলায় অবস্থান করেন। উলঙ্গ পাগল বলে সবাই ধারনা করছে। কিন্তু আমরা আমাদের চর্ম চোখ দিয়ে কতটুকুই বা দেখতে পাই। দেখা আর জানা বড়ই কঠিন বিষয়। কঠিন পথের সাধক বাবা লোকনাথ তাকে জানা আরও কঠিন। বাবার কৃপায় মাত্র কয়েকজন তাকে জানতে পারেন।

ডেঙ্গু কর্মকার তাকে চিনতে পেরেছিলেন। বারদীর ডেঙ্গু কর্মকার মামলায় খালাস পেয়ে বাবার শ্রী চরণে নিজকে উৎসর্গ করেন। তিনি বাবাকে নৌকাযোগে বারদীতে নিয়ে চিমটাধারী উলঙ্গ মুর্তি দেখে বাড়ির সবাই নানা বিরূপ সমালোচনা করতে লাগে। পথে বেরুলেই ছেলেরা ধুলো-বালি ছুড়ে মারতো। বাবা কিন্তু নির্বিকার। তার কাছে মান অপমান সবই সমান। বাবা কষ্ট সহ্য করেও বিরক্ত হন নাই। আজ অনেক বড় বড় ধার্মিক রাজনৈতিক নেতা দেখা যায়। যারা কথার কাটা সহ্য করতে পারেন না। তারা কি করে মানুষের সেবা করবেন? আমার ভাবতে বড়ই অবাক লাগে। গীতার সেই কর্মজ্ঞান ভক্তি শিক্ষা দিয়েই গেছেন বাবা লোকনাথ। তিনি বলতেন, গীতাপাঠ করে গীতা হয়ে যাও। বাবা লোকনাথ ছিলেন জীবন্ত গীতা। তিনি সাধনায় সিদ্ধি লাভ করে হিমালয়ের গহীন অরণ্যে অথবা সাগরের গভীর তলদেশে কিংবা বায়ুমন্ডলে সুক্ষ্ম দেহ নিয়ে অবস্থান করতে পারতেন। কিন্তু তিনি তা করেননি। বাবার কাছে শুধু মানুষ নয় সকল প্রাণী ছিল সমান। মুসলমান-হিন্দু কোন জাত ভেদ ছিল না। বারদীর বিখ্যাত জমিদার পরিবার বাবার কৃপা লাভ করে ধন্য হয়েছিল। বারদী মেঘনা নদীর তীরে শ্মশান ভূমিতেই বাবার আশ্রম কুটির। এখানে থেকে দিব্য কৃপা বর্ষিত হচ্ছে। কায়মনে বাবার কাছে যে যা প্রার্থনা করেন, তাই পান। বাবা কাউকে কৃপা থেকে বঞ্চিত করেন না। বাবা লোকনাথ দীর্ঘ ছাব্বিশ বছর পর্যন্ত নানা লীলা করে অবশেষে ১২৯৭ সালের ১৯ জ্যৈষ্ঠ বেলা ১১ টা ৪৫ মিনিটে ১৬০ বছরের অলৌকিক জীবনের সমাপ্তি ঘটে। এদিনই বাবার তিরোধান দিবস। জয় বাবা লোকনাথ। জয় মা লোকনাথ। জয় গুরু লোকনাথ। জয় শিব লোকনাথ। জয় ব্রহ্ম লোকনাথ। এই মন্ত্র জপের মাধ্যমে আসুন সবাই বাবার কৃপা গ্রহন করি।

নিউজ-০৩/ছবি-নেই

নদী বেষ্টিত লক্ষাধিক মানুষের নিরাপত্তা ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষার্থে
বক্তাবলীতে একটি স্থায়ী পুলিশ ফাঁড়ি প্রয়োজন

রণজিৎ মোদক : নারায়ণগঞ্জের শস্য ভান্ডার বলে খ্যাত ফতুল্লা থানাধীন নদী ঘেরা বক্তাবলীতে একটি পুলিশ ক্যাম্পের দাবি দীর্ঘদিনের। এটি ছন্নছাড়া একটি দ্বীপ এলাকা। সম্প্রতি ঐ এলাকায় বখাটে ও মাদক সেবীদের উপদ্রব্য বৃদ্ধি পেয়েছে বলে দাবি এলাকাবাসীর। চুরি, ছিনতাই, অসামাজিক কার্যকলাপসহ দুর্নীতির আকড়া হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে সারা বাংলাদেশে। এই এলাকায় প্রায় লক্ষাধিক লোকের বসবাস থাকা সত্ত্বেও নেই কোনো নিরাপত্তা। যেখানে লক্ষাধিক লোকের বসবাস সেখানে কেনো নিরাপত্তা নেই? প্রশ্নটা সাধারণ মানুষের।

সরজমিনে গিয়ে দেখা যায়, বুড়িগঙ্গা ও ধলেশ্বরী বেষ্টিত একটি চর এলাকা বক্তাবলী ইউনিয়ন। এই ইউনিয়নটি ফতুল্লা থানার অন্তর্ভূক্ত হওয়া সত্ত্বেও যোগাযোগ ব্যবস্থা অনেকটা খারাপ হওয়ায় ফতুল্লা পুলিশের নজরের বাহিরে বললেই চলে। তবুও ফতুল্লা থানা পুলিশ তার যথা সাধ্যমতো চেষ্টা চালিয়ে যায় এই এলাকার মানুষদের নিরাপত্তার স্বার্থে। সারাদেশে মাদকদ্রব্য ছড়িয়ে পড়েছে। মাদকদ্রব্য থেকেও রেহাই পায়নি এই ঐতিহ্যবাহী বক্তাবলী ইউনিয়ন। যার ঐতিহ্য ধরে রাখার চেষ্টা আজ পর্যন্ত কেউ করেনি। স্বাধীনতা যুদ্ধে দেশে যে কয়টি গণহত্যা সংঘটিত হয়েছে বক্তাবলী তার মধ্যে অন্যতম। নারায়ণগঞ্জের পশ্চিমাঞ্চল ধলেশ্বরীর পাড় ধরে বক্তাবলীর বাইশটি গ্রাম। বক্তাবলী ও আলীরটেক দুটি ইউনিয়নের সমন্বয়ে বক্তাবলী পরগনা। বক্তাবলীর পূর্বে ও দক্ষিণে ধলেশ্বরী আর উত্তরে বুড়িগঙ্গা নদী। এই ইউনিয়নে রয়েছে প্রায় ১ লক্ষাধিক মানুষের বসবাস। কিন্তু নিরাপত্তার বালাই নেই এই বক্তাবলী ইউনিয়নে। এখানে একটি নৌ পুলিশ ফাঁড়ি আছে। নৌ পুলিশরা জলে নিরাপত্তা দেয় তাহলে স্থলে দেবে কে? এমন প্রশ্ন বক্তাবলী ইউনিয়নের প্রত্যেকটি মানুষের।

জানাযায়, বক্তাবলী ইউনিয়নে মুক্তিযুদ্ধে এক রাত্রে গনহত্যার শিকার হন প্রায় ১৩৯ জন মুক্তিকামী। দেশের এতো বড় উদ্যোগে যারা সবসময় নিজেদের বিলিয়ে দিয়েছেন তারাই আজ নিরাপত্তাহীনতায় ভূগছে। সারাদেশের মতো বক্তাবলী ইউনিয়নেও মাদকের কড়াল ছোবলে যুব সমাজ আজ ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে এই দ্বায়ভার কে নিবে? এমন প্রশ্নে ফাঁপিয়ে উঠেছে বক্তাবলীর মানুষের মন। একটি পুলিশ ফাঁড়ির আবেদন বক্তাবলী ইউনিয়নের সর্ব সাধারণ মানুষের।

এ বিষয়ে বক্তাবলী ইউনিয়ন চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মোঃ শওকত আলী জানান, বক্তাবলী সাধারণ মানুষের নিরাপত্তার জন্য একটি পুলিশ ফাঁড়ির খুব প্রয়োজন। এ ব্যাপারে জেলা পুলিশ সুপার বরাবর একটি আবেদন করা হয়েছে। জেলা পুলিশ সুপার মঈনুল হক এ বিষয়ে আমাদের আশ্বস্ত করেছেন তবে একটি স্থায়ী জায়গার অভাবে পুলিশ ফাঁড়ি করা সম্ভব হচ্ছে না। বর্তমানে বক্তাবলীতে ৮ থেকে ৯ লক্ষ টাকা শতাংশ হিসাবে জমি বিক্রি হচ্ছে। যে কারণে দাম বেশি হওয়াতে নিজস্ব অর্থায়নে জমিক্রয় সম্ভব হচ্ছে না।

একটি সূত্রে জানাযায়, বক্তাবলীতে প্রচুর পরিমান সরকারী খাস জমি আছে। কিন্তু পুলিশ ফাঁড়ির জন্য ১০ শতাংশ জায়গা পাওয়া যাচ্ছে না। খাসের জায়গা গুলো এক শ্রেণীর প্রভাবশালী ইট খোলার মালিকরা অবৈধভাবে দখল করে ফায়দা লুটছে। এছাড়াও বিগত এরশাদ আমলে প্রসন্ননগর গুচ্ছ গ্রামে দুস্থদের মাঝে সরকারী খাসের জমি ৫ বিঘা করে বরাদ্দ দেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু সে সমস্ত জায়গাগুলো এখন কাদের আয়ত্তে রয়েছে কিংবা কারা ভোগ করছে? অথচ লক্ষাধিক লোকের নিরাপত্তারর জন্য মাত্র ১০ শতাংশ খাসের জায়গাও মিলছে না।

এ ব্যাপারে বর্তমান সাংসদ সদস্য এ কে এম শামীম ওসমান চাইলেই এ সমস্যা দূর করতে পারেন। তিনি চাইলেই জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে অনতি বিলম্বে একটি স্থায়ী পুলিশ করতে পারেন বলে এমনটাই দাবি করছেন সাধারণ মানুষ।

পরে

ফতুল্লা প্রেস ক্লাবের ইফতার মাফিল অনুষ্ঠিত

আগে

খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে নগরীতে জেলা ছাত্রদলের বিক্ষোভ মিছিল

আগে
খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে নগরীতে জেলা ছাত্রদলের বিক্ষোভ মিছিল

খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে নগরীতে জেলা ছাত্রদলের বিক্ষোভ মিছিল

Leave a Reply Cancel reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




খবর

  • মহানগনর
  • ফতুল্লা থানা
  • আন্তর্জাতিক
  • আমাদের নারায়ণগঞ্জ
  • খেলাধূলা
  • খোলাকলম
  • জাতীয়
  • তথ্য ও প্রযুক্তি
  • পদপ্রার্থী
  • ফতুল্লা থানা
  • বন্দর থানা
  • বিজয় বার্তা ২৪ পরিবার
  • বিজয় বার্তা ২৪ স্পেশাল

প্রকাশক ও সম্পাদক

গৌতম সাহা
মোবাইলঃ-০১৯২২৭৫৮৮৮৯, ০১৭১২২৬৫৯৯৭।
ইমেইলঃ-bijoybarta24@gmail.com

  • Bijoybarta24.com | স্বাধীনতার কথা বলে
  • Homepage
  • Homepage
  • যোগাযোগ

© 2020 BijoyBarta24 Design By HostGine.

No Result
সকল নিউজ
  • হোম
  • জাতীয়
    • রাজনীতি
    • সমগ্র বাংলা
  • মহানগর
    • ফতুল্লা থানা
    • বন্দর থানা
    • সদর থানা
    • সিদ্ধিরগঞ্জ থানা
  • শহরের বাইরে
    • আড়াইহাজার থানা
    • রুপগঞ্জ থানা
    • সোনারগাঁ থানা
  • আন্তর্জাতিক
  • খেলাধূলা
  • বিনোদন
  • খোলাকলম
  • শিল্প ও সাহিত্য
  • তথ্য ও প্রযুক্তি
  • অন্যান্য
    • শিক্ষাঙ্গন
    • স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা
    • অর্থনীতি
    • ভিডিও নিউজ

© 2020 BijoyBarta24 Design By HostGine.