বিজয় বার্তা ২৪ ডট কম
র্যাবের অভিযানে ৮ হাজার পিস ইয়াবাসহ ৩ মাদক ব্যবসায়িকে গ্রেফতার করেছে র্যাব। গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে দুই জন নারীও রয়েছে। বুধবার রাতে নারায়ণগঞ্জের বন্দর ও সিদ্ধিরগঞ্জ এলাকায় পরিচালিত পৃথক অভিযানে তাদের গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃতরা হলো, কক্সবাজারের টেকনাফের খাইরুল আমিন, সায়েদাবাদ এলাকার ফারজানা আক্তার সুমি এবং আনোয়ারা বেগম। ইয়াবাসহ গ্রেফতারকৃত সুমি ও আনোয়ারার স্বামীও মাদকসহ গ্রেফতার হয়ে দীর্ঘদিন যাবৎ কারাগারে রয়েছে।
গতকাল বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় র্যাব-১১’র অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জসিম উদ্দিন স্বাক্ষরিত প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, বুধবার রাতে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের নারায়ণগঞ্জের বন্দর উপজেলার রাফি পেট্রল পাম্পের সামনে ঢাকাগামী প্রেসিডেন্ট ট্রাভেলস একটি গাড়িতে তল্লাশী চালিয়ে খাইরুল আমিনকে ৬ হাজার পিস ইয়াবাসহ গ্রেফতার করা হয়। খায়রুল বাসের সিটের পাশের গ্লাসের ফ্রেমের সঙ্গে অভিনব পন্থায় ৩টি প্যাকেটে ৬ হাজার পিস ইয়াবা বহন করে আনছিল। পরে খাইরুলের দেওয়া তথ্যে সিদ্ধিরগঞ্জের সানারপাড় এলাকায় ফারজানা আক্তার সুমির বাসা থেকে এক হাজার দুইশ পিস এবং আনোয়ারা বেগমের বাসা থেকে আটশ পিস ইয়াবাসহ মোট আট হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।
র্যাবের জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতারকৃতরা জানিয়েছে, খাইরুল আমিন টেকনাফ থেকে ইয়াবা এনে ঢাকা ও নারায়ণগঞ্জের বিভিন্ন এলাকার মাদক ব্যবসায়িদের কাছে সরবরাহ করে। সুমি ও আনোয়ারা বেগমও খাইরুলের কাছ থেকে ইয়াবা নিয়ে ব্যবসা করতো। গ্রেফতার ফারজানা আক্তার সুমির স্বামী জাবেদের বাড়ি চট্টগ্রাম শহরে। জাবেদও চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ি। জাবেদ মাদকসহ গ্রেফতার হয়ে গত ৩ বছর যাবৎ কারাগারে রয়েছে। গ্রেফতার আনোয়ারা বেগমের স্বামী এনামুল হক জিয়ার বাড়ি কক্সবাজার জেলায়। সেও মাদকসহ গ্রেফতার হয়ে বর্তমানে কারাগারে রয়েছে। সুমি ও আনোয়ারা বেগম তাদের স্বামীদের সঙ্গে মাদক ব্যবসায় জড়িত। মাদক বিক্রিই তাদের একমাত্র পেশা বলে তারা স্বীকার করেছে।

