বিজয় বার্তা ২৪ ডট কম
নারায়ণগঞ্জের রুপগঞ্জে চাঞ্চল্যকর “ব্যবসায়ী মামুনকে গুলি করে হত্যায়” জড়িত পলাতক আসামি জাহিদুল ইসলাম বাবু‘কে আটক করেছে র্যাব ১১।
গ্রেপ্তারকৃত নারায়ণগঞ্জের রুপগঞ্জের মর্তুজাবাদ গ্রামের মন্জুর ছেলে জাহিদুল ইসলাম বাবু (২৮)।
বৃহষ্পতিবার (১০ জুলাই) শরিয়তপুর জেলার নড়িয়া থানাধীন পাঁচগাঁও কেদারপুর এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
বিষয়টি নিশ্চিত করে র্যাব-১১ এর স্কোয়াড কমান্ডার মোঃ শামসুর রহমান জানান, মামলার এজাহার ও গণমাধ্যম সূত্রে জানা যায় যে, গত ১০ জুন মঙ্গলবার বিকালে স্থানীয়রা খোকা নামের একজনকে আটক করে। এলাকায় খোকাকে আটক করার খবর ছড়িয়ে পড়লে জাহিদুল ইসলাম বাবু নিজস্ব লোকজন নিয়ে খোকাকে ছাড়িয়ে নিতে এলোপাতাড়ি গুলি চালায়। পরে জাহিদুল ইসলাম বাবুর নেতৃত্বে আনুমানিক ২০/২৫ জনলোক জোটবদ্ধ ভাবে কয়েকটি অজ্ঞাতনামা মোটরসাইকেল যোগে হাতে পিস্তলসহ ধারালো অস্ত্রশস্ত্র সহকারে গত ১০ জুন দুপুরে এলাকায় আসিয়া মহড়া দিয়া রূপগঞ্জ থানাধীন ভুলতা ইউনিয়নের অন্তর্গত মাঝিপাড়া নয়াবাজার গ্রামে জনৈক রাসেল ডাক্তারের দোকানের সামনে রাস্তার উপর মামুন ভূঁইয়ার গতিরোধ পূর্বক সকল আসামীরা তাকে ঘেরাও করিয়া এলোপাথাড়িভাবে মারধর করে। জাহিদুল ইসলাম বাবু তার হাতে থাকা অবৈধ পিস্তল দ্বারা খুন করার উদ্দেশ্যে মামুন ভূঁইয়ার মাথায় গুলি করে মাথার বাম পাশে গুরুতর রক্তাক্ত জখম করে এবং সে গুলিবিদ্ধ হয়ে রক্তাক্ত অবস্থায় মাটিতে লুটিয়ে পরে। ইতিমধ্যে সাব্বির হোসেন খোকা তার কাছে থাকা পিস্তল দ্বারা খুন করার উদ্দেশ্যে মামুন ভূঁইয়াকে লক্ষ্য করে গুলি করলে উক্ত গুলি লক্ষ্য ভ্রষ্ট হওয়ায় তার গায়ে লাগে নাই। রাসেল ফকির তার হাতে থাকা পিস্তল দ্বারা খুন করার উদ্দেশ্যে মামুন ভূঁইয়াকে লক্ষ্য করে গুলি করলে উক্ত গুলি লক্ষ্যভ্রষ্ট হওয়ায় তার গায়ে লাগে নাই। এসময় স্থানীয় লোকজন গুলিবিদ্ধ ব্যবসায়ী মামুন ভুইয়া (৩৫)’কে আশঙ্কাজনক অবস্থায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করলে রাতেই চিকিৎসাধীন অবস্থায় মামুন ভূইয়ার মৃত্যু হয়। এরই প্রেক্ষিতে নিহত মামুন ভূইয়ার বড় ভাই মোঃ বাদল ভূইয়া বাদী হয়ে নারায়ণগঞ্জ জেলার রূপগঞ্জ থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। পরে শরিয়তপুর জেলা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত আসামী জাহিদুল ইসলাম বাবু (২৮)‘কে পরবর্তী আইনানুগ কার্যক্রম এর জন্য সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

