বিজয় বার্তা ২৪ ডট কম
এখন রমজান মাস আমাকে যদি আল্লাহ হায়াত দেয় তাহলে ঈদের পরে কিছু সত্য কথা বলবো এবং কিছু মানুষের মুখোশ খুলবো। রাজনীতিতে এসেছি সরবে এবং চলে যাবো নিরবে কিন্তু যাওয়ার আগে অনেকের মুখোশ উন্মোচন করে যাবো বলে মন্তব্য করেছেন নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের সাংসদ একেএম শামীম ওসমান।
শুক্রবার (৩০ এপ্রিল) দুপুরে প্রয়াত সাংসদ নাসিম ওসমানের কবর জিয়ারত শেষে সাংবাদিকদের তিনি একথা বলেন।
তিনি আরো বলেন, হেফাজত যখন জাতীর জনক বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্যের কথা বলেছিল। আমি খুব অবাক ও বিস্ময়ের সাথে দেখেছি আমার মনে হয় সর্বপ্রথম যারা কথা বলেছিল তাদের মধ্যে আমি একজন। হেফাজত ইসলাম সম্পর্কে আমি বলবো আমরা যাতে ঢালাও ভাবে আলেম সমাজকে অপরাধী না করি। কোন ব্যক্তি অপরাধ করতে পারে তার জন্য কিন্তু আলেম সমাজ অপরাধ করতে পারে না।
তিনি আরে বলেন, আমার কাছে কিন্তু মামুনুল হক সাহেবের কি হয়েছে সেটি বিষয় না আমার কাছে একটা প্রশ্ন আমরা যাদের অক্ষরজ্ঞান আছে আমরা তো কোরআনটা পড়তে পারি, কোনটা সহীহ কোনটা অসহীহ সেটা জানতে পারি। কিন্তু এদেশের শতকরা ৮০ ভাগ লোকের কিন্তু সে অক্ষরজ্ঞান নাই। আমরা দেখি গ্রামে-গঞ্জে বিভিন্ন জায়গায় মানুষ টাকা দিয়ে ওয়াজ করাই। এই আলেম সমাজকে সম্মানের সাথে নেয় ও দাওয়াত দেয় এবং তারা এখানে বক্তব্য দেন। আমি নিজে বহু ওয়াজে গিয়েছি এবং দেখেছি যখন তারা কথা বলে তখন মানুষের চোখ দিয়ে গড়গড় করে পানি পড়ে এবং সেগুলো গ্রহন করে। যখন তারা এ ঘটনা দেখে তখন সেটি সব ধর্মের জন্যই খারাপ। আর মৌলবাদ কিন্তু সব ধর্মেই আছে।
মামুনুল প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ব্যাপরটা বিচারাধীন আছে আমি তো আগেই বলছি এটা তো নতুন ঘটনা না। ৭১ এ ধর্মের নামে ২ লক্ষ মা বোনের সম্ভ্রম গেছে এবং ত্রিশ লাখ মানুষকে হত্যা করা হয়েছে। একজন আলেম হয়ে তিনি যে কাজ করেছন তাতে আপনি ও আমরা যে কষ্ট পেয়েছি যে, একজন আলেম নিজেকে দাবি করেন তিনি এ কাজটা করেন কিভাবে। এটি কষ্টেরই বহিঃপ্রকাশ হচ্ছে কিন্তু এরকম ঘটনা নতুন না এবং এটিই যে শেষ ঘটনা তাও নয় আরও অনেক ঘটবে। এখন রমজান মাস আমাকে যদি আল্লাহ হায়াত দেয় তাহলে ঈদের পরে কিছু সত্য কথা বলবো এবং কিছু মানুষের মুখোশ খুলবো। রাজনীতিতে এসেছি সরবে এবং চলে যাবো নিরবে কিন্তু যাওয়ার আগে অনেকের মুখোশ উন্মোচন করে যাবো।

