বিজয় বার্তা ২৪ ডট কম
নারায়ণগঞ্জ- ৪ আসনের সাংসদ শামীম ওসমান বলেছেন, আপনি আমার সর্ম্পকে অনেক কথা বলেছেন কষ্ট পাইনি। কিন্তু পৌর সভার স্কুলে আমার মায়ের মৃত্যুর পর খাবার পাঠানো হলে অমিত বরণ বিশ্বাস খাবার ফিরিয়ে দেয়। মেয়রের নিদের্শ। কিন্তু মেয়র তার বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা নেয়নি। কুকুর মানুষকে কামড় দিলে মানুষ তাকে কামড় দিতে পারে না। যে যাই বলুক আমার তাতে কিছু যায় আসেনা। যে নেত্রীকে নিয়ে কটুক্তি করে, তার সাথে কাজ করা সম্ভব নয়। যে আনোয়ার হোসেনের জন্য আজ সে মেয়র সেই আনোয়ার হোসেনকেই খারাপ বলে আইভী। আমাকে কষ্ট দাও সমস্যা নাই। তৃণমূলের নেতাদের ডেকে ক্ষমা চান। মাফ করে দেবে। নেত্রীর বিরুদ্ধে কথা বলার জন্য মাফ চান। না চাইলে তৃণমূল নেত্রীর সাথে বেঈমানী করবে না। বিএনপি জামায়া জঙ্গী বাংলাদেশের শেখ হাসিনার কোন ক্ষতি করতে পারবে না। মসজিদে মন্দিরে তার জন্য দোয়া করছেন। যুযোগ দিতে চাই আইভীকে । মাফ চান । নেতা কর্মীরা মাফ না করলেও আমি করবো। ঢাকায় দৌড়াতে লাগবে না। দূর্নীতির মোটা ফাইল আমার কাছে আছে। দুই একজন সাংবাদিকর মুখ বন্ধ করতে পারলেও অন্যদের বন্ধ করতে পারবে না। সবাই খারাপ না। তাই ভাল হয়ে যান।
রবিবার দুপুরে রাইফেল ক্লাবে বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ নারায়নগঞ্জ জেলার আয়োজিত বর্ধিত সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন্।
তিনি আরো বলেন, তৃণমূল আবার কী? তৃণমূল বুঝিনা, আইভীর একথা আমাকে শ্রদ্ধাশীল করেছে। রাজনীতিতে নিজেদের মাধ্যে মন গড়া হবেই। আমি বলছি আনকন্টেস্টে আনোয়ার হোসেন সিটি নির্বাচনে পাশ করবে।কারণ ওনি একজন ত্যাগী নেতা। আওয়ামীলীগের সকল নেতা কর্মী এক হয়ে তাকে সমর্থন দিয়েছেন। তৃণমূল থেকে মনোনীত করেছে। নেত্রী তার বিরুদ্ধে যাবে না আশা করি। বিএনপি জানে নারায়ণগঞ্জে তাদের জনপ্রীয়তা কম। যদি তেমন কোন প্রার্থী থাকে তাহলে আসেন নির্বাচনে লড়েন।
নারায়ণগঞ্জ জেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক আবু হাসনাত শহীদ বাদলের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন. নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের সাংসদ শামীম ওসমান ও বিশেষ অতিথি হিসেবে ছিলেন, কেন্দ্রীয় কমিটির প্রেসিডিয়াম সদস্য অধ্যাপক এবিএম আমজাদ হোসেন, তথ্য ও যোগাযোগ বিষয়ক সম্পাদক ইকবাল পারভেজ, সহ সম্পাদক মো. মিল্লাত হোসেন, সদস্য মো.জহিরুল ইসলাম, মো. মোস্তফা কামাল শান্ত, নারায়ণগঞ্জ জেলা আওয়ামী যুবলীগের সহ সভাপতি জাকিরুল আলম হেলাল, যুগ্ম সম্পাদক শাহ নিজামউদ্দিন, জেলা যুবলীগের স্বাস্থ্য ও পরিবেশ বিষয়ক সহ-সম্পাদক এবং ডি কে কর্পোরেশনের চেয়ারম্যান হাজী মোঃ সুমন কাজী, শহর আওয়ামী যুবলীগের সভাপতি শাহাদাত হোসেন সাজনু, সাবেক জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি এহসানুল হাসান নিপু, ফতুল্লা থানা আওয়ামী যুবলীগের সভাপতি মীর সোহেল আলী, সিদ্দিরগঞ্জ থানা আওয়ামী যুবলীগের আহবায়ক মতিউর রহমান মতি, নারায়ণগঞ্জ জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি সাফায়েত আলম সানি প্রমূখ।
তিনি আরো বলেন, একটি দেশের যুব সমাজ সঠিক পথে না চললে দেশ এগুতে পারেনা। যুবলীগ যে ত্যাগ তিতিক্ষায় এ পর্যন্ত এসেছে। আমি মনে করি বঙ্গবন্ধু যে সোনার মানুষ গড়তে চেয়েছেন, যুবলীগ তা হতে পেরেছে। বাংলাদেশে জঙ্গীবাদ সৃষ্টি হযেছে ৯৬ এর পরেই। বিএনপি পরাজীত হয়ে জঙ্গীবাদ সৃষ্টি করে। মতিঝিল বোমা হামলার ঘটনা হলো। টুঙ্গিপাড়া প্রধানমন্ত্রীর জনসভায় বড় বোমা হামলা চালাতে চেয়েছিল। সফল হতে পারেনি। মুফতি হান্নান গ্রেফতার হয়, এর পর চার বার বোমা হামলা চালানো হয়।
তিনি আরো বলেন, শেখ হাসিনা আমাদের নেত্রী না, মা। একটি মা যেমন সন্তানদের আগলে রাখে, তিনি তেমনি নেতাকর্মীদের আগলে রেখেছেন। যত ঝড় তোফান হয় ওনার উপর দিয়ে তারপর পরও তিনি মেনে নেন।
তিনি আরো বলেন, জঙ্গীদের ভয় শামীম ওসমান পায়না, শেখ হামিনা পায়না। কারণ তিনি বঙ্গবন্ধুর কন্যা। শেখ হাসিনা মারা গেলে বাংলাদেমের উন্নয়ন কর্মকান্ড ধ্বংস হয়ে যাবে। বাংলাদেশের কোথায় চলে গেছে কল্পনাও করা যায় না। আওয়ামীলীগ ঐক্যবদ্ধ থাকলে যড়যন্ত্রকারীরা কোনদিনই সফল হতে পারবে না।

